ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা
সর্বশেষ

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র। তবে নির্বাচনের পরপরই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে আরও সামরিক শক্তি পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে ইরানের হামলা যুদ্ধ শুরুর পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফলে দুই দেশের সংঘাত নিরসনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও সামরিক উত্তেজনা কমার লক্ষণ নেই। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, ইরানের সঙ্গে অচলাবস্থা ভাঙতে ট্রাম্পের হাতে সামরিক বিকল্প কী রয়েছে এবং প্রতিটি পদক্ষেপের সম্ভাব্য মূল্য কতটা? কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক বিশ্লেষণে সামরিক বিশেষজ্ঞদের বরাতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামনে প্রধানত তিনটি পথ রয়েছে- ইরানের ওপর নৌ অবরোধ ও চাপ অব্যাহত রাখা, নতুন করে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করা এবং সীমিত স্থল অভিযান চালানো। তবে প্রতিটি বিকল্পেরই রয়েছে উল্লেখযোগ্য সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি। যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর জবাবে পরবর্তী মাসগুলোতে উপসাগরীয় দেশগুলো ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। একই সঙ্গে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) অন্তত ২০ শতাংশ পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তেহরান। এতে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। যুদ্ধ শুরুর আগের দিন আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭২ ডলার। পরে তা বেড়ে প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছায়। গত বৃহস্পতিবার দাম ছিল প্রায় ১০৪ ডলার। জুনে হওয়া যুদ্ধবিরতি হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে ভেঙে পড়ে। এরপর ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ বজায় রাখে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, প্রণালি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করা জাহাজে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় পরোক্ষ আলোচনা চললেও গত মাসে প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন ট্রাম্প। যুক্তরাজ্যের লাফবরো বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষক এবং রয়্যাল এয়ার ফোর্সের সাবেক কর্মকর্তা আফজাল আশরাফ আল-জাজিরাকে বলেন, সামরিক সক্ষমতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের তুলনা চলে না। কিন্তু সেই বিপুল সক্ষমতা কাজে লাগিয়েও ওয়াশিংটন কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেনি। বিকল্প এক: নৌ অবরোধ ও সামরিক চাপ অব্যাহত রাখা বিশেষজ্ঞদের মতে, আপাতত এ পথেই এগোনোর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ বজায় রাখতে পারে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজকে নৌবাহিনীর পাহারা দিতে পারে। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন হরমুজ প্রণালি দিয়ে গড়ে প্রায় ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করত। এগুলোতে গড়ে ১ কোটি ৭১ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হতো। মার্চে প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এই চলাচল ভেঙে পড়ে। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর পাহারায় সেপ্টেম্বরে ইরান ছাড়া উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল পরিবহন যুদ্ধপূর্ব মাত্রার ৮১ শতাংশের বেশি হয়েছিল। তবে ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় পরিস্থিতির আবার অবনতি হয়েছে। গত ১১ অক্টোবর প্রণালি দিয়ে মাত্র ২৯ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়, যা ওই মাসের সর্বনিম্ন। বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ন্যাটোর সাবেক গবেষণা বিশ্লেষক প্যাট্রিক বুরি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রণালির দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে টহল ও নজরদারি বাড়িয়ে জাহাজগুলোকে কিছুটা নিরাপত্তা দিতে পারে। ড্রোনের মাধ্যমে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও হামলা চালানোয় ব্যয় তুলনামূলক কম হচ্ছে। তবে ইরানও কৌশল বদলেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ৬ থেকে ১৪ অক্টোবরের মধ্যে জাহাজে ১৫টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের সুবিধা কাজে লাগিয়ে তুলনামূলক কম খরচে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারছে তেহরান। বিকল্প দুই: নতুন করে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নির্বাচনের পর ইরানে বোমা হামলা বাড়ানোর সম্ভাবনা নাকচ করেননি ট্রাম্প। পরিস্থিতির অবনতি হলে ইরানের উপকূলীয় এলাকা ও দেশের অভ্যন্তরে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সীমিত পরিসরে নতুন হামলা চালানো হতে পারে বলে মনে করেন প্যাট্রিক বুরি। তবে আগের হামলার তুলনায় এবার কম ফল পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আফজাল আশরাফের মতে, ইরান অস্ত্রের সংখ্যা কমিয়ে আনলেও সেগুলো আরও ভালোভাবে আড়াল করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও কমে এসেছে। ইরানের তুলনামূলক সস্তা একটি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ১০ লাখ ডলার বা তার বেশি দামের প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হতে পারে। যুদ্ধ চলাকালে ইরানের বিরুদ্ধে এক হাজারের বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কৌশলগত ও আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্রের (সিএসআইএস) হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধের আগের মজুত পুরোপুরি পুনর্গঠন করতে ২০৩০ সালের শেষ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য গোলাবারুদের মজুত আগের পর্যায়ে ফেরাতেও তিন থেকে চার বছর লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন প্যাট্রিক বুরি। নতুন হামলা হলে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গত মাসে ঘোষণা করেন, ‘সমানুপাতিক জবাবের’ যুগ শেষ হয়েছে। এছাড়া নতুন সংঘাতের ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সামরিক ঘাঁটিতে প্রবেশাধিকারও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিকল্প তিন: খার্গ দ্বীপে সীমিত স্থল অভিযান ইরানের তেল রফতানির প্রায় ৯০ শতাংশ পরিচালিত হয় খার্গ দ্বীপ দিয়ে। দেশটির উপকূল থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরের এই দ্বীপ দখল করা যুক্তরাষ্ট্রের একটি সম্ভাব্য সামরিক বিকল্প। সাবেক মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডপ্রধান জোসেফ ভটেল বলেছেন, ৮০০ থেকে ১ হাজার সেনা দিয়ে দ্বীপটি দখল করা সম্ভব হতে পারে। তবে মূল ভূখণ্ড থেকে ইরানি বাহিনীর হামলার মুখে মার্কিন সেনারা অত্যন্ত ঝুঁকিতে পড়বেন। আশরাফের মতে, ইরানের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অকার্যকর করতে ইলেকট্রনিক যুদ্ধের মাধ্যমে অভিযান শুরু করা সম্ভব। কিন্তু দ্বীপ দখলের পর সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের ওপর ইরানের হামলার ঝুঁকি থাকবে। পাল্টা হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল অবকাঠামোতেও হামলা চালাতে পারে তেহরান। ইতোমধ্যে অজনপ্রিয় হয়ে ওঠা একটি যুদ্ধে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানির ঝুঁকি রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়াবে। এ কারণে খার্গ দ্বীপ দখলকে অত্যন্ত অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন আশরাফ। পূর্ণাঙ্গ স্থলযুদ্ধের সম্ভাবনা কম বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানে পূর্ণমাত্রার স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা আরও কম। ট্রাম্পও স্থলযুদ্ধের বিষয়টি অনেকটাই নাকচ করেছেন। মার্চে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, লক্ষ্য অর্জনে স্থলসেনার প্রয়োজন হবে না। প্যাট্রিক বুরির মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এমন অভিযান চালানো বাস্তবসম্মত নয়। বিপুল সামরিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘমেয়াদি স্থলযুদ্ধের ব্যয় ও ঝুঁকি ওয়াশিংটনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নির্বাচনের হিসাব ও আঞ্চলিক অস্থিরতা যুদ্ধটি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয়। পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্যানুযায়ী, ইরান যুদ্ধ পরিচালনায় ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে প্রায় ৬৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক অসন্তুষ্ট। ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে থাকায় নতুন সামরিক অভিযানের রাজনৈতিক মূল্যও তাকে বিবেচনায় নিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মজুত পুনর্গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদে শক্তি পুনরুদ্ধার করাও বড় চ্যালেঞ্জ। যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার ঝুঁকিও তত বাড়বে। রবিবার ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে পরিচালিত জাহাজ চলাচলের উদ্যোগে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতি রাতেই হামলা চালাচ্ছে তেহরান। তার ভাষায়, “আপনারা চোরাচালান করছেন, কিন্তু প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে।” তাই বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামনে সামরিক চাপ বাড়ানোর একাধিক পথ থাকলেও কোনওটিই সহজ সমাধান দিচ্ছে না। নৌ অবরোধে অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হতে পারে, নতুন হামলায় ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা আরও চাপে পড়তে পারে, আর স্থল অভিযান ডেকে আনতে পারে বড় ধরনের প্রাণহানি ও রাজনৈতিক সংকট। ফলে ট্রাম্পের জন্য সামরিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: আল-জাজিরা

চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল গোপনে বিক্রির অভিযোগ, জব্দের পর তদন্তে কমিটি

মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা প্রায় ৫ টন চাল গোপনে বিক্রির পর পরিবহনের সময় জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। আজ রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চাঁদপুর শহরের বিপণীবাগ বাজার এলাকা থেকে চালগুলো জব্দ করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয় হাশেম। জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের জন্য মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে নিবন্ধিত জেলেদের খাদ্যসহায়তা হিসেবে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর আওতায় চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের ৪ হাজার ৯৭০ জন জেলের জন্য চাল বরাদ্দ ছিল সোয়া ১১ মেট্রিক টন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে এসব চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান। জব্দ করা চাল পরিবহনের দায়িত্বে থাকা পিকআপচালক শাহাদাত জানান, চাঁদপুর সিএসডি গোডাউন থেকে চালগুলো কুমিল্লার লাকসামে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল। তবে তাঁকে চালের কোনো মালিকের নাম জানানো হয়নি। কেবল লাকসামে পৌঁছানোর পর মালিকের পরিচয় জানানো হবে বলা হয়েছিল। পথিমধ্যে হাজীগঞ্জ এলাকায় পৌঁছানোর পর চালগুলো ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ফোন পান তিনি। চাল বিক্রির টোকেনে পরিমাণ ৪ হাজার ৯৩০ কেজি লেখা থাকলেও সেখানে কোনো মালিকের নাম উল্লেখ ছিল না। এদিকে, চাল বিক্রির বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা শামীমের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। অভিযানের বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চালগুলো জব্দ করা হয়। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, চালগুলো লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের জেলেদের জন্য বরাদ্দ ছিল এবং এ ঘটনায় স্থানীয় এক প্রশাসনিক কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। পুরো বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এদিকে নির্ধারিত সময়ে জেলেদের মধ্যে চাল বিতরণ না করার কারণ জানতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএমএন জামিউল হিকমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনে কথা না বলে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে জানান, চালগুলো সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হবে। তবে বিতরণে কেন বিলম্ব হলো, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার

নাটোর রেলস্টেশন থেকে জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের চুরি হওয়া ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়েছে। শহরের কাপুড়িয়া পট্টি নূর ক্লথ স্টোরের পাশ থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে সদর থানায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক। পুলিশ সুপার জানান, ল্যাপটপ হারানোর পরের দিন ৮ তারিখ সকালে নাটোর শহরের কাপুড়িয়া পট্টির বাসিন্দা অমল কুমার সাহা তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনে করে সান্তাহার হয়ে নওগাঁ যাওয়ার সময় সিটের নিচে একটি ব্যাগ পান। ব্যাগটি নিয়ে তিনি নওগাঁ চলে যান। পরে ব্যাগ খুলে ল্যাপটপ দেখে তিনি তার ছেলে অন্তরের সঙ্গে কথা বলেন। সংবাদমাধ্যমে জার্মান তরুণ পর্যটকের ল্যাপটপ হারানোর ঘটনা জেনে বাবা অমল সাহা ছেলেকে বিষয়টি জানান। পরে অন্তর রোববার রাতে পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল কাপুড়িয়া পট্টির নূর ক্লথ স্টোরের পাশ থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ল্যাপটপটি উদ্ধারের ঘটনা ক্রিল ল্যান্ডার কিরিলকে জানানো হয়েছে। এতে তিনি পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলে জানান পুলিশ সুপার। তবে দেশজুড়ে এত আলোচিত একটি বিষয় হওয়ার পরও ল্যাপটপটি পাওয়ার চার দিন পর কেন অমল সাহা পুলিশকে ফেরত দিলেন, তার কোনো সদুত্তর তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করতে এসে জার্মান তরুণ ক্রিল ল্যান্ডার কিরিল বগুড়া থেকে একটি লোকাল ট্রেনে করে সান্তাহার স্টেশনে আসেন। পরে সান্তাহার থেকে বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে তিনি নাটোর রেলস্টেশনে এসে ভুল করে নেমে পড়েন। নাটোর থেকে তিনি অন্য একটি ট্রেনে করে বাংলাদেশের দর্শনা সীমান্ত হয়ে ভারতে যাওয়ার কথা ছিল। এজন্য তিনি নাটোর রেলস্টেশনে প্ল্যাটফর্মের ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করছিলেন। সেখানে হলুদ ভেস্ট পরা এক যুবক নিজেকে রেলকর্মী পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন। পরে ক্রিল ল্যান্ডার ওই যুবকের কাছে নিজের ব্যাগ রেখে টিকিট কাটতে যান। ফিরে এসে তিনি দেখেন, ব্যাগসহ ওই যুবক উধাও হয়ে গেছেন। এ বিষয়ে তিনি রাতেই নাটোর থানায় অভিযোগ করেন। এ সময় পুলিশ ও সংবাদকর্মীরা তার প্রতি আন্তরিকতা প্রদর্শন করায় তিনি খুশি হন। পরে তার অবস্থানের সুবিধার জন্য প্রথমে রাজশাহী ও পরে তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। এদিকে, ল্যাপটপ ও ক্যামেরার ব্যাগ নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়া যুবককে ধরিয়ে দিতে সহায়তাকারী ও তথ্যদাতাদের পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৫)।  এসআরবি-৫ সিপিসি-২ সূত্র জানায়, সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে অভিযুক্তের চেহারা শনাক্ত হওয়ার পর শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে নাটোর ও আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশনসহ জনবহুল এলাকায় ওই যুবকের ছবি সংবলিত পুরস্কার ঘোষণার পোস্টার লাগিয়েছে এসআরবি। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে তাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি

খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির পর এবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদেও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। থমথমে পরিস্থিতিতে শহরজুড়ে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা বা ‘রেড অ্যালার্ট’। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো ইসলামাবাদে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিয়ম ভেঙে কেউ ১৪৪ ধারা অমান্য করলেই সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতারের কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। এছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ সব মোড়, প্রবেশপথ এবং স্পর্শকাতর ভবনগুলোর নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি আধাসামরিক বাহিনী রেঞ্জার্সদেরও নামানো হয়েছে। আরও পড়ুনআরও পড়ুনমোদির মতো এত বড় ‘কাপুরুষ’ ভারত আগে দেখেনি: অভিজিৎ দীপকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশকে বেশ কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো ব্যানার টাঙানো কিংবা লোকজনকে জমায়েত হতে দেখলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে থানার ওসিদের পর্যন্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মাঠে থেকে দায়িত্ব পালনের। কঠোর এই নিরাপত্তার কারণে অনুমতি ছাড়া এখন রেড জোনে প্রবেশ করাও প্রায় বন্ধ।

মাত্র পাওয়া

29033381
<span class='techtaranga_subtitle'>রান্নায় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার কমাতে মেনে চলুন ৭টি সহজ কৌশল। তেল মেপে ব্যবহার, ভাজা খাবার কমানোসহ জেনে নিন কার্যকর কিছু উপায়। / </span> রান্নায় তেল কমানোর ৭ কৌশল, প্রতিদিনের খাবারে আনুন এই পরিবর্তন

রান্নায় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার কমাতে মেনে চলুন ৭টি সহজ কৌশল। তেল মেপে ব্যবহার, ভাজা খাবার কমানোসহ জেনে নিন কার্যকর কিছু উপায়। / রান্নায় তেল কমানোর ৭ কৌশল, প্রতিদিনের খাবারে আনুন এই পরিবর্তন

রান্নায় তেল কমানোর ৭ কৌশল, প্রতিদিনের খাবারে আনুন এই পরিবর্তনপ্রতিদিনের রান্নায় তেল একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। তবে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল ব্যবহার করলে খাবারের ক্যালরি বেড়ে যেতে পারে।তাই রান্নায় স্বাদ ও পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রেখে তেলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য রান্নার পদ্ধতিতে কয়েকটি ছোট পরিবর্তন আনা যেতে পারে।নন-স্টিক পাত্রে রান্না করুননন-স্টিক পাত্রে খাবার সহজে পাত্রে আটকে যায় না। ফলে রান্নার সময় তুলনামূলকভাবে কম তেল ব্যবহার করা সম্ভব।বিশেষ করে অল্প তেলে ভাজি বা অন্যান্য খাবার রান্নার ক্ষেত্রে এ ধরনের পাত্র ব্যবহার করা যেতে পারে।ভাজা খাবার কমিয়ে দিনখাবার ভাজার পরিবর্তে গ্রিল, বেক বা স্টিম করার মতো পদ্ধতি বেছে নেওয়া যেতে পারে।এতে রান্নায় তেলের প্রয়োজন কমে। পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া কম রাখাও উপকারী অভ্যাস।তেল মেপে ব্যবহার করুনঅনুমান করে তেল ঢালার বদলে চামচ দিয়ে পরিমাণ মেপে ব্যবহার করা ভালো।প্রতিদিনের রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় তেল আগে থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণে রাখলে অতিরিক্ত তেল ব্যবহারের প্রবণতাও কমানো যায়।মসলা অল্প পানিতে কষানরান্নার সময় মসলা কষাতে অনেকেই বেশি তেল ব্যবহার করেন। এর পরিবর্তে মসলার সঙ্গে অল্প পানি দিয়ে কষিয়ে নেওয়া যেতে পারে।এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী সামান্য তেল যোগ করলে রান্নায় মোট তেলের পরিমাণ কম রাখা সম্ভব।স্প্রে বোতলে তেল ব্যবহারতেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্প্রে বোতলও কাজে লাগতে পারে। এতে একবারে বেশি তেল ঢেলে দেওয়ার ঝুঁকি কমে।অল্প পরিমাণ তেল খাবারের ওপর সমানভাবে ছড়িয়ে দেওয়াও সহজ হয়।মসলা বেশি সময় ভাজবেন নামসলা অতিরিক্ত সময় ধরে ভাজলে অনেক সময় আরও তেল যোগ করার প্রয়োজন হয়।তাই প্রয়োজন অনুযায়ী মসলা রান্না করে অতিরিক্ত ভাজার অভ্যাস এড়িয়ে চলা যেতে পারে।সবজি ও ডালে কম তেল দিনসবজি ও ডালের মতো খাবার রান্নায় তুলনামূলকভাবে কম তেল ব্যবহার করা যায়।রান্নার ধরন অনুযায়ী অল্প পরিমাণ তেল দিয়েই এসব খাবার তৈরি করা সম্ভব। এতে প্রতিদিনের খাবারে তেলের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।ছোট পরিবর্তনেই কমতে পারে তেলের ব্যবহাররান্নায় তেল পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক রাখাই গুরুত্বপূর্ণ।তেল মেপে ব্যবহার করা, ভাজা খাবার কমানো এবং গ্রিল, বেক বা স্টিমের মতো রান্নার পদ্ধতি বেছে নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিদিনের খাবারে তেলের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
<span class='techtaranga_subtitle'>ওমেগা-৩, প্রোটিন ও নানা পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ ইলিশ; তবে অ্যালার্জি, কিডনি সমস্যা ও উচ্চ কোলেস্টেরল থাকলে প্রয়োজন সতর্কতা / </span>ইলিশ খেলে মন ভালো রাখার হরমোন বাড়ে, তবে সতর্ক থাকতে হবে যাঁদের

ওমেগা-৩, প্রোটিন ও নানা পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ ইলিশ; তবে অ্যালার্জি, কিডনি সমস্যা ও উচ্চ কোলেস্টেরল থাকলে প্রয়োজন সতর্কতা / ইলিশ খেলে মন ভালো রাখার হরমোন বাড়ে, তবে সতর্ক থাকতে হবে যাঁদের

ইলিশ খেলে মন ভালো রাখার হরমোন বাড়ে, তবে সতর্ক থাকতে হবে যাঁদেরইলিশ শুধু স্বাদের জন্যই জনপ্রিয় নয়, পুষ্টিগুণের কারণেও এটি বাঙালির খাদ্যতালিকায় বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। এই মাছে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, ভিটামিন ও বিভিন্ন ধরনের খনিজ উপাদান।তবে ইলিশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সবার জন্য একই পরামর্শ প্রযোজ্য নয়। বিশেষ কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে পরিমাণ ও রান্নার ধরন নিয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।ইলিশে রয়েছে ওমেগা-৩ ও প্রোটিনইলিশে থাকা ডিএইচএ (DHA) ও ইপিএ (EPA) ধরনের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো হৃদ্‌স্বাস্থ্যসহ শরীরের বিভিন্ন স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে।এ ছাড়া ইলিশে ভালো পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম ইলিশে প্রায় ২০ থেকে ২৫ গ্রাম প্রোটিন থাকতে পারে। পেশি, কোষ ও শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য প্রোটিন প্রয়োজন।হাড় ও রোগ প্রতিরোধে পুষ্টি উপাদানইলিশে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ রয়েছে। এসব উপাদান হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।এ ছাড়া মাছটিতে ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, জিংক ও সেলেনিয়াম রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসহ বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে ভূমিকা রাখে।মন ভালো রাখতেও ভূমিকা রাখতে পারেইলিশে আরজিনিনসহ কিছু পুষ্টি উপাদান রয়েছে। প্রতিবেদনে পুষ্টিবিদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইলিশ খাওয়ার সঙ্গে মেজাজ ভালো রাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু হরমোনের নিঃসরণের সম্পর্ক থাকতে পারে।তবে খাবার হিসেবে ইলিশ একাই মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা সমাধান করে—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।কীভাবে ইলিশ রান্না করলে ভালো?ইলিশের পুষ্টিগুণের পাশাপাশি রান্নার পদ্ধতির দিকেও নজর দেওয়া দরকার। অতিরিক্ত তেলে ভাজলে মাছের ক্যালরির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম বেক করা ইলিশে প্রায় ২৫০ ক্যালরি থাকতে পারে। অতিরিক্ত তেলে ভাজলে ক্যালরির পরিমাণ ৩৫০-এর বেশি হতে পারে।তাই বেশি তেলে ডুবিয়ে ভাজার পরিবর্তে ভাপে, বেক করে, গ্রিল করে অথবা অল্প তেলে রান্না করে খাওয়া তুলনামূলকভাবে ভালো পদ্ধতি হতে পারে।যাঁদের ইলিশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজনসামুদ্রিক খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ইলিশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।কিডনির সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদেরও ইলিশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। মাছটিতে ফসফরাস ও সোডিয়াম থাকায় এ ধরনের রোগীদের ব্যক্তিগত খাদ্যচাহিদা অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত।গর্ভবতী নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে সতর্কতামাছের উৎস ও পরিবেশের ওপর নির্ভর করে এতে পারদ বা অন্যান্য দূষক পদার্থের উপস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। তাই গর্ভবতী নারী, স্তন্যদানকারী মা ও শিশুদের মাছ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে উৎস, পরিমাণ ও খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।ইলিশের ডিম কারা এড়িয়ে চলবেন?ইলিশের ডিম অনেকের কাছে প্রিয় খাবার হলেও এতে চর্বি ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপ বা উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ইলিশের ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা ভালো।পরিমিত ইলিশ হতে পারে পুষ্টিকর খাবারইলিশে প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। তাই পরিমিত পরিমাণে এবং স্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে রান্না করে খেলে এটি সুষম খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে।তবে অ্যালার্জি, কিডনি সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ বা উচ্চ কোলেস্টেরলের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকলে নিজের শারীরিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইলিশ খাওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত। প্রয়োজনে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
<span class='techtaranga_subtitle'>১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হামের উপসর্গে আক্রান্ত ১ লাখ ৮৮ হাজারের বেশি শিশু / </span> হাম উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১,৩৪১

১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হামের উপসর্গে আক্রান্ত ১ লাখ ৮৮ হাজারের বেশি শিশু / হাম উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১,৩৪১

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুদের আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩৪১ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামের পরিস্থিতিবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ২২৮ শিশু শনাক্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ২৮ জনে।এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১১৩ শিশুর শরীরে। একই সময়ের মধ্যে দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ২১২ জনে।হাসপাতালে ভর্তি ১ লাখ ৬৬ হাজারের বেশি শিশুস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ শিশু ভর্তি হয়েছে।এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫১৯ শিশু।হামের উপসর্গে মৃত্যু ৯৯৫গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৯৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে ১০১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এক নজরে পরিস্থিতিগত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ: ১,৩৪১ শিশুগত ২৪ ঘণ্টায় উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত: ১,২২৮ শিশুগত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম: ১১৩ শিশুগত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে মৃত্যু: ৯ শিশু১৫ মার্চ–২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উপসর্গে আক্রান্ত: ১,৮৮,০২৮ শিশুএকই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগী: ২১,২১২ শিশুহামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি: ১,৬৬,৩১০ শিশুচিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছে: ১,৫৯,৫১৯ শিশুনিশ্চিত হাম রোগে মোট মৃত্যু: ১০১ শিশুস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনের এসব তথ্যের মাধ্যমে দেশে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হাম—দুই ক্ষেত্রেই আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিস্থিতির সামগ্রিক চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদারগঞ্জে সদ্যজাত সন্তানসহ অসহায় বিলকিসের পাশে সমাজসেবা অফিসার চিকিৎসা সহায়তা ও আর্থিক সাহায্যে পাশে দাঁড়ালেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম খালেক

মাদারগঞ্জে সদ্যজাত সন্তানসহ অসহায় বিলকিসের পাশে সমাজসেবা অফিসার চিকিৎসা সহায়তা ও আর্থিক সাহায্যে পাশে দাঁড়ালেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম খালেক

​জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার নলছিয়া গ্রামের অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের প্রসূতি মা বিলকিসের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় । ৩১ আগস্ট সোমবার দুপুরে চরম চিকিৎসা সংকট ও চরম অনটনে ভোগা প্রসূতি বিলকিসকে চিকিৎসা সহায়তা ও তাৎক্ষণিক সাহায্য প্রদান করেন উপজেলা সমাজসেবা আফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুল ইসলাম খালেক।​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নলছিয়া গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের গৃহবধূ বিলকিস সম্প্রতি এক সন্তানের জন্ম দেন। সন্তান প্রসবের পর থেকেই তীব্র শারীরিক জটিলতা ও আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে সঠিক চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না তিনি। নতুন অতিথিকে ঘিরে পরিবারে খুশির বার্তা আসার কথা থাকলেও পুষ্টি ও মায়ের চিকিৎসা খরচের দুশ্চিন্তায় দিন কাটছিল তাদের।​অসহায় প্রসূতি মায়ের এই দুরবস্থার কথা জানতে পেরে এগিয়ে আসেন স্থানীয় মানবিক সংগঠন ‘মাদারগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন’-এর সভাপতি তৌহিদ হাসান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে উদ্যোগ নিয়ে দুপুরবেলা অসুস্থ বিলকিস ও তার সদ্যজাত সন্তানকে মাদারগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে নিয়ে যান।​বিষয়টি অবগত হওয়ার সাথে সাথেই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসেন উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুল ইসলাম খালেক। তিনি প্রসূতি মায়ের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র ও চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।​সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে এগিয়ে আসা এই কর্মকর্তা বলেন, "সমাজসেবা কার্যালয়  সব সময় প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। সদ্য প্রসব করা এক মা ও তার সন্তানের এই শারীরিক ও আর্থিক সংকটের কথা শুনে আমরা সাধ্যমতো পাশে দাঁড়িয়েছি। পরবর্তীতে সরকারি সুযোগ-সুবিধার আওতায় এনে তাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সহায়তার চেষ্টা করা হবে।"​মাদারগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি তৌহিদ হাসান কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "অসহায় বিলকিসের পরিবার চিকিৎসার খরচ জোগাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছিল। সমাজসেবা কার্যালয়ে নিয়ে আসার পর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম খালেক ভাই যেভাবে তৎক্ষণাৎ হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সরকারি সংস্থাগুলোর এমন মানবিক আচরণ সাধারণ মানুষের আস্থা অনেক বাড়িয়ে দেয়।"​উপজেলা সমাজসেবা দপ্তর ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বিত এই উদ্যোগে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পাওয়ায় আপাতত শঙ্কা কেটেছে সদ্যজাত শিশু ও তার মায়ের। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নলছিয়া গ্রামের সচেতন নাগরিক ও এলাকাবাসী।

৩১ আগস্ট ২০২৬
<span class='techtaranga_subtitle'>ক্লিনিকে ওষুধ না পেয়ে ফিরছেন রোগীরা, আর পাশের ডোবায় ভাসছে ‘সরকারি সম্পত্তি’ লেখা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ; তদন্তের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের / </span>ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

ক্লিনিকে ওষুধ না পেয়ে ফিরছেন রোগীরা, আর পাশের ডোবায় ভাসছে ‘সরকারি সম্পত্তি’ লেখা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ; তদন্তের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের / ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধনতলা কমিউনিটি ক্লিনিক ঘিরে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা সামনে এসেছে। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার আশায় যেখানে প্রতিদিন ভিড় করেন অসংখ্য রোগী, সেই ক্লিনিকের পাশের একটি ডোবায় মিলেছে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধের স্তূপ।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে স্থানীয়রা প্রথমে লক্ষ্য করেন, ক্লিনিক সংলগ্ন ডোবায় ট্যাবলেট, সিরাপ ও ক্যাপসুল ভাসছে। অল্প সময়ের মধ্যেই খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ সেখানে ভিড় করেন। উদ্ধার হওয়া ওষুধের প্যাকেটে স্পষ্টভাবে ‘সরকারি সম্পত্তি, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ’ লেখা থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় বাসিন্দা জমিলা খাতুন অভিযোগ করেন, ওষুধের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে এসে প্রায়ই খালি হাতে ফিরতে হয় তাদের। তিনি বলেন, “মাইলের পর মাইল হেঁটে ক্লিনিকে আসি, কিন্তু বলা হয় ওষুধ নেই। অথচ আজ দেখি সেই ওষুধই ডোবায় পড়ে নষ্ট হচ্ছে।”আরেক বাসিন্দা রোকেয়া খাতুন জানান, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রায়ই দাবি করে যে সরকারি বরাদ্দ নেই। তবে ডোবায় বিপুল পরিমাণ ওষুধ পাওয়া যাওয়ায় সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতি না থাকা এবং ওষুধ সঠিকভাবে বিতরণ না করার কারণে এসব ওষুধ দীর্ঘদিন জমে ছিল। পরে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।এ বিষয়ে ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী মো. মিস্টার জানান, তিনি সম্প্রতি অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন এবং ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য, “আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। এখানে আরও দুজন কাজ করেন। ওষুধগুলো কীভাবে এখানে এল, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”অন্যদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ. এ. এম আবু তাহের জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তদন্তে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান। এদিকে সরকারি সম্পদের এমন অপচয় এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম আর না ঘটে।

০২ মে ২০২৬
ইরানে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা পাঠাল বাংলাদেশ

ইরানে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা পাঠাল বাংলাদেশ

ইরানে মানবিক সহায়তা হিসেবে চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এ সিদ্ধান্ত এসেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায়।বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের কাছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা সামগ্রী আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব সামগ্রী দ্রুতই ইরানে পাঠানো হবে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পুরো কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তত্ত্বাবধানে। মানবিক এই সহায়তা ইরানের চলমান প্রয়োজন মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২৩ এপ্রিল ২০২৬
রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

০২ মে ২০২৫
রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

০২ মে ২০২৫
রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

০২ মে ২০২৫
‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ কী? কেন এ সমস্যায় পুরুষদের চেয়ে নারীরাই বেশি ভোগেন?

‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ কী? কেন এ সমস্যায় পুরুষদের চেয়ে নারীরাই বেশি ভোগেন?

তবে যখন আঘাত লাগে, হাড় ভাঙে বা হাড়ে চিড় ধরে, তখন কষ্টের শেষ থাকে না। আর যত্নআত্তির প্রয়োজনও সেই সময়েই পড়ে। তখন সাবধানে থাকতে কী করা উচিত, হাড় ভাল রাখার কী কী ব্যায়াম আছে, কী খেলে হাড় মজবুত হবে— ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। হাড় কীভাবে ভাঙে, কখন ভাঙে, কাদের বেশি হয়— এই নিয়ে সচেতনতা কম মানুষেরই আছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা বা আঘাত লাগা ছাড়াও কিন্তু হাড় ভাঙে বা হাড়ে চিড় ধরে, যাকে ‘বোন ফ্র্যাকচার’ বল হয়। তেমনই একটি হল ‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ যেই সমস্যাটি নারীদেরই বেশি হয়।‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ’ থেকে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, পুরুষের চেয়ে নারীরাই হাড়ের স্ট্রেস ফ্র্যাকচারে বেশি ভোগেন। যারা খেলাধূলা বেশি করেন, জিমে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দৌড়ন, জগিং বা ওয়েট ট্রেনিং করেন, অথবা নাচ, অ্যারোবিক্স করেন, তাদের এই ফ্র্যাকচার বেশি হয়।‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ কীভাবে হয়?হাড়ের অনেক স্তর থাকে। একেবারে বাইরে একটা পর্দা থাকে, যাকে পেরিঅস্টিয়াম বলা হয়, তারপর থাকে কর্টিকাল বোন, তার মাঝে থাকে মজ্জা। এটি অনেকটা রডের মতো, ত্রিমাত্রিক গঠনের। ওই অংশটি যদি ভেঙে যায় বা থেঁতলে যায়, তখন বলা হয় হাড়ে ‘ফ্র্যাকচার’ হয়েছে। এই বিষয়ে অস্থি চিকিৎসক সুব্রত গড়াই জানাচ্ছেন, প্রধানত ফ্র্যাকচার হয় কোনো ট্রমা বা ইনজুরি থেকে। তাতে হয় হাড় সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায় বা তাতে চিড় ধরতে পারে। হাড়ের সঙ্গে যে পেশি জুড়ে থাকে, সেগুলোতে ক্ষত হয়, হাড়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে পারে। শরীরের কোনো একটি অংশের হাড় ও পেশিতে ক্রমাগত চাপ পড়ার কারণে যখন ওই অংশের পেশি দুর্বল হয় ও হাড়ে চিড় ধরে, তখন তাকে স্ট্রেস ফ্র্যাকচার বলে। এটি গোড়ালি মচকে যাওয়া বা হাত ভেঙে যাওয়ার মতো হঠাৎ করে ঘটা দুর্ঘটনা নয়। দীর্ঘ সময় ধরে হাড়ে চাপ পড়তে পড়তে বা আঘাত লেগে হাড় দুর্বল হয়ে গিয়ে ফ্র্যাকচার হয়।এটি খেলোয়াড়দের বেশি হয়, তবে যারা খুব বেশি দৌড়োদৌড়ি বা ভারি ব্যায়াম করেন, তাদেরও হতে পারে। অস্টিয়োপোরোসিস থেকেও ‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ হতে পারে। হাড়ের ভিতরে টিউমার বা কোনো সংক্রমণের কারণে হাড়ের শক্তি কমে গিয়েও এমন হতে পারে। নারীদের রজোনিবৃত্তির পরে ‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। কারণ ওই সময়ে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমতে থাকে, ফলে শরীরের প্রতিরোধ শক্তিও দুর্বল হয়ে পড়ে।

০২ মে ২০২৫
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?

সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধায় ধনীরা পান বছরে ১০,৪৭২ টাকা, গরিবেরা ৭,১৪০ টাকা

বাংলাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ এখনো সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতার বাইরে রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ Bangladesh Development Update প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের নিচের দিকে থাকা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রায় ৬২ শতাংশ প্রধান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা পান না। একই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ ও কৃষি খাতে সরকারের বিপুল ভর্তুকির একটি অংশ তুলনামূলকভাবে সচ্ছল জনগোষ্ঠীর কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে।মঙ্গলবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতি, দারিদ্র্য, সামাজিক সুরক্ষা ও ভর্তুকি ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দরিদ্র মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার ওপর।দরিদ্রদের বড় অংশই সামাজিক সুরক্ষার বাইরেবিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণে সমাজের নিচের ২০ শতাংশ এবং ওপরের ২০ শতাংশ মানুষের মধ্যে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা পাওয়ার তুলনা করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিচের ২০ শতাংশ দরিদ্র মানুষের মধ্যে মাত্র ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ সরাসরি সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা পান। অর্থাৎ প্রায় ৪৬ শতাংশ দরিদ্র মানুষ কোনো না কোনোভাবে এসব কর্মসূচির বাইরে রয়েছেন।অন্যদিকে সবচেয়ে ধনী ২০ শতাংশ মানুষের প্রায় ৩১ শতাংশও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সরাসরি সুবিধা পান। এতে বোঝা যায়, দরিদ্রদের জন্য নির্ধারিত সরকারি সহায়তা সঠিকভাবে লক্ষ্যভিত্তিক করা না গেলে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ বাদ পড়ে যেতে পারে।বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, নিচের ২০ শতাংশ দরিদ্র মানুষ বছরে গড়ে ৭ হাজার ১৪০ টাকার সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা পান। বিপরীতে সবচেয়ে ওপরের ২০ শতাংশ ধনী মানুষ বছরে গড়ে ১০ হাজার ৪৭২ টাকার সুবিধা পান।ফ্যামিলি কার্ডে দারিদ্র্য কমানোর সম্ভাবনাদরিদ্র মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছে বিশ্বব্যাংক। তবে কার্ডের সুবিধা প্রকৃত দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করাই এর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে সংস্থাটি।বিশ্বব্যাংকের অর্থনীতিবিদ ধ্রুব শর্মার মতে, প্রচলিত পদ্ধতিতে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা বিতরণ করা হলে বছরে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ মানুষকে দারিদ্র্যসীমার ওপরে তোলা সম্ভব হতে পারে। তবে দরিদ্রদের সঠিকভাবে শনাক্ত করে কার্ডের সুবিধা দেওয়া গেলে এ সংখ্যা বেড়ে সাড়ে ২৮ লাখে পৌঁছাতে পারে।এ জন্য দারিদ্র্য নির্ধারণে স্বীকৃত মানদণ্ড ব্যবহার, নগদ সহায়তার প্রকৃত সুবিধাভোগী চিহ্নিত করা, খাদ্য সহায়তার তালিকা পুনর্বিন্যাস এবং ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সমন্বয় করার সুপারিশ করেছে বিশ্বব্যাংক।খাবারে আয়ের বড় অংশ ব্যয় দরিদ্রদেরবিশ্বব্যাংকের অর্থনীতিবিদ ধ্রুব শর্মা বলেন, দেশের নিচের ২০ শতাংশ দরিদ্র মানুষকে খাবার কিনতেই তাদের আয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যয় করতে হয়। ফলে খাদ্য ও কৃষি খাতে কার্যকর বিনিয়োগ এবং ভর্তুকির সঠিক বণ্টন দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।তিনি বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেটের বড় একটি অংশ ভর্তুকিতে চলে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়তে থাকায় কৃষি খাতের গবেষণা, সম্প্রসারণ, বাজারজাতকরণ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।বিদ্যুৎ ভর্তুকির বড় অংশ ধনীদের সুবিধায়বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকির ক্ষেত্রেও বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাবে, সমাজের নিচের ২০ শতাংশ দরিদ্র মানুষ বিদ্যুৎ খাতের মোট ভর্তুকির ১৫ শতাংশের কিছু বেশি পান।অন্যদিকে ওপরের ২০ শতাংশ তুলনামূলক ধনী মানুষ পান প্রায় ৩৩ শতাংশ ভর্তুকি। অর্থাৎ বিদ্যুৎ খাতে সরকারের দেওয়া ভর্তুকির প্রায় এক-তৃতীয়াংশই সমাজের সবচেয়ে সচ্ছল অংশের কাছে যাচ্ছে।বিশ্বব্যাংকের যুক্তি, যেসব পরিবার বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তারা স্বাভাবিকভাবেই ভর্তুকির সুবিধাও বেশি পায়। ফলে দরিদ্র মানুষের সুরক্ষার লক্ষ্য থাকলেও বর্তমান ব্যবস্থায় ভর্তুকির বড় অংশ তুলনামূলকভাবে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী পরিবারের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।সারে ভর্তুকি বেড়েছে চার গুণকৃষি খাতেও ভর্তুকির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সারে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল প্রায় ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা—অর্থাৎ প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি।২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মোট বাজেটের প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকিতে ব্যয় করতে হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।বিশ্বব্যাংক ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ কৃষকদের লক্ষ্য করে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি কৃষি গবেষণা, সম্প্রসারণ সেবা, মাটি পরীক্ষা, বাজারজাতকরণ এবং পানি ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।দারিদ্র্য ও বৈষম্য দুটিই বাড়ছেবিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতির কথাও উঠে এসেছে। সংস্থাটি বলছে, গত বছরের তুলনায় অতিরিক্ত প্রায় ২১ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। একই সময়ে কর্মসংস্থান স্থবির হয়ে পড়েছে এবং নারীদের কর্মসংস্থানেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।জাতীয় দারিদ্র্যসীমার হিসাবে, ২০২২ সালে দেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। গত অর্থবছরে তা বেড়ে আনুমানিক ২২ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আয়বৈষম্যও বেড়েছে।জিডিপির ৩.৫ শতাংশ ব্যয়, তবুও বাদ পড়ছেন দরিদ্ররাবিশ্বব্যাংক বলছে, সামাজিক সুরক্ষা, জ্বালানি ও কৃষি খাতে ভর্তুকি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সরকার মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যয় করছে। কিন্তু এত বড় ব্যয়ের পরও দেশের বিপুলসংখ্যক দরিদ্র পরিবার কাঙ্ক্ষিত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।প্রতিবেদনটির মূল বার্তা হলো—শুধু ভর্তুকি ও সামাজিক নিরাপত্তায় অর্থ ব্যয় বাড়ালেই হবে না; সেই অর্থ প্রকৃত দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য সুবিধাভোগী শনাক্তকরণ, তথ্যভান্ডার হালনাগাদ এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের শনাক্ত করা গেলে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়ার পাশাপাশি দারিদ্র্য কমাতেও তা বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
লিংক কপি করা হয়েছে!

হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো ছবি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি; ছবিটি নিয়ে ব্যাখ্যা দিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় / ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?

পাঁচ সপ্তাহের ব্যবধানে মাল্টা ২৪০ ও কমলা ২৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে; আমদানি কমে যাওয়া, উচ্চ শুল্ক-কর, ডলার ও সরবরাহ সংকটকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা / মাল্টার দাম বেড়েছে ৮৬ শতাংশ, কমলার ৭১ শতাংশ—বাজারে ফলের দাম বাড়ার কারণ কী

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?

পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার, সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ; অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা / দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় গাফিলতি বরদাশত করা হবে না: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?

গোপনে শিবির, প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করে বারুদ বজ্র কণ্ঠ অর্জন করা যায় না: রাশেদ খাঁন

গোপনে শিবির ও প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে বিরোধী রাজনৈতিক নেতার মতো তেজস্বী কণ্ঠ অর্জন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, বিরোধী রাজনীতির বক্তব্যে তেজস্বী ভাব থাকতে হয়। জামায়াত-শিবির ও এনসিপি মিলিয়েও এমন কোনো নেতা নেই, যার বক্তব্য জনতার মধ্যে শিহরণ ও উন্মাদনা সৃষ্টি করতে পারে। তার মতে, জেল-জুলুম ও ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একজন নেতার কণ্ঠে এমন দৃঢ়তা তৈরি হয়। গোপনে শিবির এবং প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে সেই ‘বারুদ বজ্র কণ্ঠ’ অর্জন করা যায় না। একই পোস্টে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের বক্তব্যের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন রাশেদ খাঁন। তিনি লেখেন, বিরোধী রাজনীতিতে নুরের কণ্ঠে যে তেজ ছিল, সরকারে যাওয়ার পর তা অনেকটাই নমনীয় হয়ে পড়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার জামায়াত ও এনসিপির কথিত ভণ্ডামির বিরুদ্ধে আবারও সেই তেজস্বী নুরকে দেখা গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, ভিপি নুরকে ক্ষেপানোর পরিণতি জামায়াত-শিবির ও এনসিপিকে ভোগ করতে হবে। নুরের দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা হিসেবে তাকে কাছ থেকে চেনেন উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘ভিপি নুর মানেই একটা বারুদ।’    

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?

১৫ মার্চ থেকে হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ১৩৪; আক্রান্ত ও সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে / হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩৯৩

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত হামবিষয়ক হালনাগাদ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যুস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের দুজন, চট্টগ্রাম বিভাগের দুজন এবং খুলনা বিভাগের একজন রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৩৯৩ জনের মধ্যে ১০২ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। আর ১ হাজার ২৯১ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।মোট মৃত্যু ১ হাজার ১৩৪চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হিসাব অনুযায়ী, দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ১ হাজার ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০২ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩২ জন মারা গেছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, একই সময়ের মধ্যে দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯১০ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯৯ হাজার ১৩ জন।হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১ লাখ ৭৭ হাজার১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫১৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ৬৯ হাজার ২৯০ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ এবং বিশেষ করে টিকাবিহীন বা কম টিকাপ্রাপ্ত শিশুদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতা ও জটিলতার ঝুঁকি বেশি।টিকাদানে গুরুত্বহাম প্রতিরোধে টিকাদানকে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত টিকাদান কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।দেশে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা, রোগ শনাক্তকরণ এবং শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে যেসব শিশু এখনো হাম প্রতিরোধী টিকার আওতায় আসেনি, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্বরোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অটোরিকশার অবাধ চলাচল বন্ধের দাবি; চালকদের বিকল্প কর্মসংস্থানেরও পরামর্শ / ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে রফিকুল ইসলাম মাদানীর পোস্ট

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?

শিক্ষা ক্যাডারে দ্বিতীয় দফায় ৪০ জনের নিয়োগ; ১২ অক্টোবরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ / ৪৯তম বিসিএসে আরও ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?

হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো ছবি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি; ছবিটি নিয়ে ব্যাখ্যা দিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় / ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?

পাঁচ সপ্তাহের ব্যবধানে মাল্টা ২৪০ ও কমলা ২৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে; আমদানি কমে যাওয়া, উচ্চ শুল্ক-কর, ডলার ও সরবরাহ সংকটকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা / মাল্টার দাম বেড়েছে ৮৬ শতাংশ, কমলার ৭১ শতাংশ—বাজারে ফলের দাম বাড়ার কারণ কী

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?

পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার, সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ; অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা / দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় গাফিলতি বরদাশত করা হবে না: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের হাতে আর কী কী সামরিক বিকল্প আছে?
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
<span class='techtaranga_subtitle'>রান্নায় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার কমাতে মেনে চলুন ৭টি সহজ কৌশল। তেল মেপে ব্যবহার, ভাজা খাবার কমানোসহ জেনে নিন কার্যকর কিছু উপায়। / </span> রান্নায় তেল কমানোর ৭ কৌশল, প্রতিদিনের খাবারে আনুন এই পরিবর্তন

রান্নায় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার কমাতে মেনে চলুন ৭টি সহজ কৌশল। তেল মেপে ব্যবহার, ভাজা খাবার কমানোসহ জেনে নিন কার্যকর কিছু উপায়। / রান্নায় তেল কমানোর ৭ কৌশল, প্রতিদিনের খাবারে আনুন এই পরিবর্তন

রান্নায় তেল কমানোর ৭ কৌশল, প্রতিদিনের খাবারে আনুন এই পরিবর্তনপ্রতিদিনের রান্নায় তেল একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। তবে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল ব্যবহার করলে খাবারের ক্যালরি বেড়ে যেতে পারে।তাই রান্নায় স্বাদ ও পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রেখে তেলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য রান্নার পদ্ধতিতে কয়েকটি ছোট পরিবর্তন আনা যেতে পারে।নন-স্টিক পাত্রে রান্না করুননন-স্টিক পাত্রে খাবার সহজে পাত্রে আটকে যায় না। ফলে রান্নার সময় তুলনামূলকভাবে কম তেল ব্যবহার করা সম্ভব।বিশেষ করে অল্প তেলে ভাজি বা অন্যান্য খাবার রান্নার ক্ষেত্রে এ ধরনের পাত্র ব্যবহার করা যেতে পারে।ভাজা খাবার কমিয়ে দিনখাবার ভাজার পরিবর্তে গ্রিল, বেক বা স্টিম করার মতো পদ্ধতি বেছে নেওয়া যেতে পারে।এতে রান্নায় তেলের প্রয়োজন কমে। পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া কম রাখাও উপকারী অভ্যাস।তেল মেপে ব্যবহার করুনঅনুমান করে তেল ঢালার বদলে চামচ দিয়ে পরিমাণ মেপে ব্যবহার করা ভালো।প্রতিদিনের রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় তেল আগে থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণে রাখলে অতিরিক্ত তেল ব্যবহারের প্রবণতাও কমানো যায়।মসলা অল্প পানিতে কষানরান্নার সময় মসলা কষাতে অনেকেই বেশি তেল ব্যবহার করেন। এর পরিবর্তে মসলার সঙ্গে অল্প পানি দিয়ে কষিয়ে নেওয়া যেতে পারে।এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী সামান্য তেল যোগ করলে রান্নায় মোট তেলের পরিমাণ কম রাখা সম্ভব।স্প্রে বোতলে তেল ব্যবহারতেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্প্রে বোতলও কাজে লাগতে পারে। এতে একবারে বেশি তেল ঢেলে দেওয়ার ঝুঁকি কমে।অল্প পরিমাণ তেল খাবারের ওপর সমানভাবে ছড়িয়ে দেওয়াও সহজ হয়।মসলা বেশি সময় ভাজবেন নামসলা অতিরিক্ত সময় ধরে ভাজলে অনেক সময় আরও তেল যোগ করার প্রয়োজন হয়।তাই প্রয়োজন অনুযায়ী মসলা রান্না করে অতিরিক্ত ভাজার অভ্যাস এড়িয়ে চলা যেতে পারে।সবজি ও ডালে কম তেল দিনসবজি ও ডালের মতো খাবার রান্নায় তুলনামূলকভাবে কম তেল ব্যবহার করা যায়।রান্নার ধরন অনুযায়ী অল্প পরিমাণ তেল দিয়েই এসব খাবার তৈরি করা সম্ভব। এতে প্রতিদিনের খাবারে তেলের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।ছোট পরিবর্তনেই কমতে পারে তেলের ব্যবহাররান্নায় তেল পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক রাখাই গুরুত্বপূর্ণ।তেল মেপে ব্যবহার করা, ভাজা খাবার কমানো এবং গ্রিল, বেক বা স্টিমের মতো রান্নার পদ্ধতি বেছে নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিদিনের খাবারে তেলের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream