ঢাকা    শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
নগদ বার্তা
সর্বশেষ

ঈদুল আজহার শুভেচ্ছায় জনপ্রিয়তার কেন্দ্রবিন্দুতে ফাহাদ হোসেন

চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় গুনারীতলা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষপবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দঘন মুহূর্তে ৩ নং গুনারীতলা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তরুণ রাজনৈতিক নেতা ফাহাদ হোসেন। ঈদের এই পবিত্র দিনে তিনি সকলের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও ভ্রাতৃত্ববোধ কামনা করেন।মাদারগঞ্জ উপজেলার ৩ নং গুনারীতলা ইউনিয়নে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন এই তরুণ নেতৃত্ব। তৃণমূল মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের নিবিড় সম্পর্ক, রাজনৈতিক সচেতনতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার মানসিকতার কারণে অল্প সময়েই তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও একজন মানবিক, সৎ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন ফাহাদ হোসেন। এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।গুনারীতলা ইউনিয়নের অনেক বাসিন্দার মতে, বর্তমান সময়ে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবাকে আরও গতিশীল করতে একজন পরিচ্ছন্ন, যোগ্য ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতৃত্ব প্রয়োজন। আর সেই প্রত্যাশা থেকেই তারা আগামী দিনে ফাহাদ হোসেনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “ফাহাদ হোসেন সবসময় সাধারণ মানুষের খোঁজখবর রাখেন। সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে দাঁড়ান। তার আন্তরিকতা, ভদ্রতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।”রাজনৈতিক অঙ্গনেও তাকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, জনগণের এই ভালোবাসা ও সমর্থন ধরে রাখতে পারলে আগামী দিনে ইউনিয়নের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে দেখা যেতে পারে তরুণ এই নেতাকে।পবিত্র ঈদুল আজহার এই শুভক্ষণে ফাহাদ হোসেন দেশবাসীসহ গুনারীতলা ইউনিয়নের সকল মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “ঈদ আমাদের ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবতার শিক্ষা দেয়। সবাই মিলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তুলতে হবে।”ঈদ মোবারক।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন নগদ বার্তার সম্পাদক মন্জুরুল কবির মন্জু

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে মেলান্দহ উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সফল ছাত্রনেতা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল “নগদ বার্তা”-এর সম্পাদক মোহাম্মদ মন্জুরুল কবির মন্জু মেলান্দহসহ দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন।ঈদ উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “ঈদুল আযহা আমাদের ত্যাগ, মানবতা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। কোরবানির প্রকৃত তাৎপর্য হলো আত্মশুদ্ধি ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। এই শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে পড়লে একটি সুন্দর ও মানবিক সমাজ গড়ে উঠবে।”তিনি আরও বলেন, “মহান আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের সকলের কোরবানি কবুল করেন এবং ত্যাগের মহিমায় প্রতিটি হৃদয়কে আলোকিত করেন। সবার জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক—এটাই আমার প্রত্যাশা।”মোহাম্মদ মন্জুরুল কবির মন্জু বলেন, ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষদের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। কারণ ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সমাজের সকল মানুষ সমানভাবে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে।তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সবাইকে নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপনের আহ্বান জানান।শেষে তিনি বলেন,“ত্যাগের শিক্ষা আমাদের জীবনে মানবতা ও সৌহার্দ্যের নতুন বার্তা বয়ে আনুক। পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার হৃদয়ে। সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।”

ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন নগদ বার্তার সম্পাদক মন্জুরুল কবির মন্জু

ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ঈদের আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সবার জীবনে বয়ে আসুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি ইউনিয়নবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বর্তমানে তৃণমূলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামের এই তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এলাকাবাসীর মতে, একজন সৎ, সাহসী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।রাজনৈতিক অঙ্গনে রাকিবুল ইসলাম বকুলের উত্থান একদিনে হয়নি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। নানা প্রতিকূলতা, দমন-পীড়ন ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে হামলা ও মামলার মুখোমুখি হলেও তিনি পিছিয়ে যাননি। বরং দলীয় আদর্শ ও তৃণমূল মানুষের পাশে থেকে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছেন।এলাকাবাসীর মতে, রাকিবুল ইসলাম বকুল শুধু রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক মানুষও। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ, যুবসমাজকে সংগঠিত করা এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার কারণেই তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।বালিজুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজার, মাঠঘাট থেকে সামাজিক আড্ডা—সবখানেই এখন উচ্চারিত হচ্ছে একটি নাম, মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। অনেকেই মনে করছেন, দলীয় সমর্থন ও জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি শক্ত অবস্থানে থাকবেন।স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান যিনি তৃণমূলের ভাষা বোঝেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমে ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে পারবেন। সেই জায়গা থেকেই রাকিবুল ইসলাম বকুলকে এগিয়ে রাখছেন তারা।ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে রাকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া। আমি সবসময় বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। সকলকে পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।”ইউনিয়নজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই নাম—মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতৃত্ব আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কতটা চমক দেখাতে পারেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা
ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

ক্লিনিকে ওষুধ না পেয়ে ফিরছেন রোগীরা, আর পাশের ডোবায় ভাসছে ‘সরকারি সম্পত্তি’ লেখা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ; তদন্তের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের / ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধনতলা কমিউনিটি ক্লিনিক ঘিরে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা সামনে এসেছে। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার আশায় যেখানে প্রতিদিন ভিড় করেন অসংখ্য রোগী, সেই ক্লিনিকের পাশের একটি ডোবায় মিলেছে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধের স্তূপ।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে স্থানীয়রা প্রথমে লক্ষ্য করেন, ক্লিনিক সংলগ্ন ডোবায় ট্যাবলেট, সিরাপ ও ক্যাপসুল ভাসছে। অল্প সময়ের মধ্যেই খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ সেখানে ভিড় করেন। উদ্ধার হওয়া ওষুধের প্যাকেটে স্পষ্টভাবে ‘সরকারি সম্পত্তি, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ’ লেখা থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় বাসিন্দা জমিলা খাতুন অভিযোগ করেন, ওষুধের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে এসে প্রায়ই খালি হাতে ফিরতে হয় তাদের। তিনি বলেন, “মাইলের পর মাইল হেঁটে ক্লিনিকে আসি, কিন্তু বলা হয় ওষুধ নেই। অথচ আজ দেখি সেই ওষুধই ডোবায় পড়ে নষ্ট হচ্ছে।”আরেক বাসিন্দা রোকেয়া খাতুন জানান, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রায়ই দাবি করে যে সরকারি বরাদ্দ নেই। তবে ডোবায় বিপুল পরিমাণ ওষুধ পাওয়া যাওয়ায় সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতি না থাকা এবং ওষুধ সঠিকভাবে বিতরণ না করার কারণে এসব ওষুধ দীর্ঘদিন জমে ছিল। পরে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।এ বিষয়ে ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী মো. মিস্টার জানান, তিনি সম্প্রতি অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন এবং ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য, “আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। এখানে আরও দুজন কাজ করেন। ওষুধগুলো কীভাবে এখানে এল, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”অন্যদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ. এ. এম আবু তাহের জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তদন্তে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান। এদিকে সরকারি সম্পদের এমন অপচয় এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম আর না ঘটে।

উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ঘুরে দেখবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা / চীনের আমন্ত্রণে বিএনপির ২০ তরুণ নেতার সফর জুনে

চীনের সরকারি আমন্ত্রণে আগামী জুন মাসে দেশটি সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও সহযোগী সংগঠনের ২০ জন তরুণ নেতা। ৪ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে এ সফর। পুরো সফরের ব্যয়ভার বহন করবে চীন সরকার।জানা গেছে, সফরের সময় প্রতিনিধি দলটি চীনের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং তৃণমূল প্রশাসনিক কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি দেশটির অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও আধুনিকায়নের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা অর্জন করবেন তারা।চীনা দূতাবাস সূত্রে প্রকাশিত তালিকায় থাকা তরুণ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন মো. মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া, খন্দকার এনামুল হক, গালিব হাসান প্রীতম, মেহেদী হাসান জুয়েল, শ্যামল মওলা, শ্রাবণী আক্তার, নওশীন নাহার, সেলিমা বিনতে তারিন এবং জান্নাতুল নওরীন উর্মিসহ আরও অনেকে।এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-কে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে সফরের আমন্ত্রণ জানান।সফরে অংশ নেওয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুল নওরীন উর্মি এ সুযোগকে তরুণ নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, আন্তর্জাতিক বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণ সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে সহায়ক হবে।সফরসূচি অনুযায়ী প্রতিনিধি দলটি চীনের চংকিং ও সাংহাই শহর পরিদর্শন করবে। সেখানে তারা গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন, শিল্প উৎপাদন, উচ্চপর্যায়ের উন্মুক্ত অর্থনীতি ও স্থানীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখবেন। এছাড়া চীনের নীতিনির্ধারক, গবেষক ও থিংক ট্যাংক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময়েরও সুযোগ পাবেন তারা।

ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ঈদের আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সবার জীবনে বয়ে আসুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি ইউনিয়নবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বর্তমানে তৃণমূলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামের এই তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এলাকাবাসীর মতে, একজন সৎ, সাহসী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।রাজনৈতিক অঙ্গনে রাকিবুল ইসলাম বকুলের উত্থান একদিনে হয়নি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। নানা প্রতিকূলতা, দমন-পীড়ন ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে হামলা ও মামলার মুখোমুখি হলেও তিনি পিছিয়ে যাননি। বরং দলীয় আদর্শ ও তৃণমূল মানুষের পাশে থেকে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছেন।এলাকাবাসীর মতে, রাকিবুল ইসলাম বকুল শুধু রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক মানুষও। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ, যুবসমাজকে সংগঠিত করা এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার কারণেই তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।বালিজুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজার, মাঠঘাট থেকে সামাজিক আড্ডা—সবখানেই এখন উচ্চারিত হচ্ছে একটি নাম, মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। অনেকেই মনে করছেন, দলীয় সমর্থন ও জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি শক্ত অবস্থানে থাকবেন।স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান যিনি তৃণমূলের ভাষা বোঝেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমে ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে পারবেন। সেই জায়গা থেকেই রাকিবুল ইসলাম বকুলকে এগিয়ে রাখছেন তারা।ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে রাকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া। আমি সবসময় বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। সকলকে পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।”ইউনিয়নজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই নাম—মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতৃত্ব আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কতটা চমক দেখাতে পারেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ঈদের আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সবার জীবনে বয়ে আসুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি ইউনিয়নবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বর্তমানে তৃণমূলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামের এই তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এলাকাবাসীর মতে, একজন সৎ, সাহসী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।রাজনৈতিক অঙ্গনে রাকিবুল ইসলাম বকুলের উত্থান একদিনে হয়নি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। নানা প্রতিকূলতা, দমন-পীড়ন ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে হামলা ও মামলার মুখোমুখি হলেও তিনি পিছিয়ে যাননি। বরং দলীয় আদর্শ ও তৃণমূল মানুষের পাশে থেকে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছেন।এলাকাবাসীর মতে, রাকিবুল ইসলাম বকুল শুধু রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক মানুষও। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ, যুবসমাজকে সংগঠিত করা এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার কারণেই তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।বালিজুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজার, মাঠঘাট থেকে সামাজিক আড্ডা—সবখানেই এখন উচ্চারিত হচ্ছে একটি নাম, মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। অনেকেই মনে করছেন, দলীয় সমর্থন ও জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি শক্ত অবস্থানে থাকবেন।স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান যিনি তৃণমূলের ভাষা বোঝেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমে ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে পারবেন। সেই জায়গা থেকেই রাকিবুল ইসলাম বকুলকে এগিয়ে রাখছেন তারা।ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে রাকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া। আমি সবসময় বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। সকলকে পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।”ইউনিয়নজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই নাম—মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতৃত্ব আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কতটা চমক দেখাতে পারেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা

ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা

নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা / স্বর্ণে স্বস্তি, ভরিতে কমল ২,১৫৮ টাকা

স্বর্ণে স্বস্তি, ভরিতে কমল ২,১৫৮ টাকা

তিন দিনের সফরে বিনিয়োগ, রপ্তানি ও নীতিগত সমন্বয়ে জোর / বাণিজ্য আলোচনায় ঢাকায় মার্কিন প্রতিনিধি দল

বাণিজ্য আলোচনায় ঢাকায় মার্কিন প্রতিনিধি দল

রাশিয়ার অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তায় এগোচ্ছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র; নিরাপত্তা, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় নিয়ে চলছে নতুন হিসাব-নিকাশ / রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: ব্যয়, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি ভবিষ্যৎ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: ব্যয়, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি ভবিষ্যৎ
ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা

ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ঈদের আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সবার জীবনে বয়ে আসুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি ইউনিয়নবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বর্তমানে তৃণমূলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামের এই তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এলাকাবাসীর মতে, একজন সৎ, সাহসী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।রাজনৈতিক অঙ্গনে রাকিবুল ইসলাম বকুলের উত্থান একদিনে হয়নি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। নানা প্রতিকূলতা, দমন-পীড়ন ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে হামলা ও মামলার মুখোমুখি হলেও তিনি পিছিয়ে যাননি। বরং দলীয় আদর্শ ও তৃণমূল মানুষের পাশে থেকে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছেন।এলাকাবাসীর মতে, রাকিবুল ইসলাম বকুল শুধু রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক মানুষও। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ, যুবসমাজকে সংগঠিত করা এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার কারণেই তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।বালিজুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজার, মাঠঘাট থেকে সামাজিক আড্ডা—সবখানেই এখন উচ্চারিত হচ্ছে একটি নাম, মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। অনেকেই মনে করছেন, দলীয় সমর্থন ও জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি শক্ত অবস্থানে থাকবেন।স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান যিনি তৃণমূলের ভাষা বোঝেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমে ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে পারবেন। সেই জায়গা থেকেই রাকিবুল ইসলাম বকুলকে এগিয়ে রাখছেন তারা।ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে রাকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া। আমি সবসময় বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। সকলকে পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।”ইউনিয়নজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই নাম—মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতৃত্ব আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কতটা চমক দেখাতে পারেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

এক-এগারো’ নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা, আলোচনায় দুই সম্পাদক

ঈদের পর অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি, তদন্তে উঠে আসছে নতুন নতুন তথ্য / এক-এগারো’ নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা, আলোচনায় দুই সম্পাদক

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঈদের পর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হতে পারে। তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ওই সময়ের ক্ষমতা পরিবর্তন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সম্প্রতি বলেন, এক-এগারোর সময় সংঘটিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে এক-এগারোর পেছনের পরিকল্পনা ও বিভিন্ন পক্ষের সম্পৃক্ততার নানা তথ্য। তদন্তে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদের পাশাপাশি দেশের দুই প্রভাবশালী সম্পাদক—মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনামের নামও আলোচনায় এসেছে বলে জানা গেছে।সূত্র বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেওয়া কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পেছনে সুশীল সমাজের একটি অংশ সক্রিয় ছিল। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই সময় কিছু সংবাদমাধ্যম রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচারণা চালিয়ে জনমনে বিরাজনীতিকরণের ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে।তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, এক-এগারোর আগে ও পরে প্রকাশিত বিভিন্ন সম্পাদকীয়, কলাম এবং বিশেষ প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দল, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং নেতৃত্ব নিয়ে প্রকাশিত লেখাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।জিজ্ঞাসাবাদে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী দাবি করেছেন, এক-এগারোর পরিকল্পনায় সেনাবাহিনী শুরু থেকেই জড়িত ছিল না; বরং শেষ পর্যায়ে এসে পরিস্থিতির অংশ হয়। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক চাপ এবং দেশের অস্থির পরিস্থিতিকে সামনে রেখেই তখনকার সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছিল।অন্যদিকে সাবেক ডিজিএফআই প্রধান জেনারেল (অব.) মামুন খালেদ তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, ক্ষমতা পরিবর্তনের কয়েকদিন আগে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈঠক হয়েছিল। সেখানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয় বলে তিনি দাবি করেন।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ওই সময়ের সংবাদমাধ্যম, গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রশাসনের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে প্রচার, তথাকথিত ‘মাইনাস টু’ পরিকল্পনা এবং সংস্কারপন্থি রাজনীতির প্রসঙ্গ তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে।এদিকে ট্রাইব্যুনাল-সংশ্লিষ্ট একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, এক-এগারোর সময় সংঘটিত নির্যাতন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত আগামী মাস থেকেই শুরু হতে পারে।

আওয়ামী লীগ ফিরবে রাজনীতিতে, আগামী নির্বাচনেও অংশ নিতে পারে: তৌহিদ হোসেন

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চিঠির জবাব আশা করেননি সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা / আওয়ামী লীগ ফিরবে রাজনীতিতে, আগামী নির্বাচনেও অংশ নিতে পারে: তৌহিদ হোসেন

 রাজনৈতিক অঙ্গনে আওয়ামী লীগের উপস্থিতি পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন। তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতে দলটি আবারও সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবে এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনেও অংশ নিতে পারে।একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে দিল্লির কাছে চিঠি পাঠানো হলেও সেটির ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। এ বিষয়ে তার ভাষ্য, চিঠির জবাব পাওয়ার বিষয়ে তিনি শুরু থেকেই আশাবাদী ছিলেন না।তৌহিদ হোসেন বলেন, দেশের মানুষের রাজনৈতিক স্মৃতি দীর্ঘস্থায়ী নয়। তাই বর্তমান পরিস্থিতি দেখে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে পুরোপুরি বিদায় হয়ে গেছে বলে মনে করার সুযোগ নেই। সময়ের ব্যবধানে দলটি আবারও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় হতে পারে।সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, দায়িত্ব পালনকালে অন্তত তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে সংশ্লিষ্টরা তাকে বুঝিয়েছেন, এমন সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে সাবেক এই কূটনীতিক বলেন, পুরো প্রক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। বরং বিষয়টি দেখভাল করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কার্যালয়।জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং তথাকথিত ‘ডিপস্টেট’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তৌহিদ হোসেন বলেন, বিশ্বের প্রায় সব বড় রাজনৈতিক ঘটনার পেছনেই কোনো না কোনোভাবে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর ভূমিকা থাকে।

জনপ্রিয়তার কেন্দ্রবিন্দুতে ফাহাদ হোসেন

চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় গুনারীতলা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ / জনপ্রিয়তার কেন্দ্রবিন্দুতে ফাহাদ হোসেন

মাদারগঞ্জ উপজেলার ৩ নং গুনারীতলা ইউনিয়নে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তরুণ রাজনৈতিক নেতা ফাহাদ হোসেন। তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের নিবিড় সম্পর্ক, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কারণে তিনি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন ফাহাদ হোসেন। সুখে-দুঃখে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তরুণদের সংগঠিত করা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ইউনিয়নের মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন তিনি।মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও সক্রিয়তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। রাজনৈতিক নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও তিনি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।এলাকাবাসীর দাবি, ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে একজন পরিচ্ছন্ন ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতৃত্ব প্রয়োজন। আর সেই প্রত্যাশা থেকেই তারা আগামী দিনে ফাহাদ হোসেনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “ফাহাদ হোসেন সবসময় মানুষের খোঁজখবর নেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ ও আন্তরিকতাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।”রাজনৈতিক অঙ্গনেও তাকে নিয়ে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, জনগণের এই সমর্থন ও জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পারলে আগামী দিনে ইউনিয়নের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে দেখা যেতে পারে ফাহাদ হোসেনকে।

বাংলাদেশ  কলেজ শিক্ষক সমিতি  মাদারগঞ্জ শাখার আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপিকে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি মাদারগঞ্জ শাখার আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপিকে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ  কলেজ শিক্ষক সমিতি  মাদারগঞ্জ শাখার আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।  রোববার দুপুরে মাদারগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে কলেজ শিক্ষক সমিতি মাদারগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অ:দ:) মোঃ ছানোয়ার হোসেন,  মাদারগঞ্জ পৌর বিএনপি সভাপতি আব্দুল গফুর,উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন আকন্দ ও সহ সভাপতি আব্দুল মান্নান,  পৌর বিএনপি সাধারন সম্পাদক খালেদ মাসুদ তালুকদার সোহেল,   জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাদারগঞ্জ  মাদ্রাসা শিক্ষক/কর্মচারী কল্যাণ সমিতি'র সভাপতি আ. মোত্তালিব সেলিম, মাদারগঞ্জ শিক্ষক সমিতি'র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ প্রমূখ।  সভাপতিত্ব করেন মাদারগঞ্জ শিক্ষক/কল্যাণ সমিতি সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম লিটন।  সঞ্চালনায় সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রকিব হাসনাত।  এরপূর্বে  শিক্ষক/কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম লিটন ও সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েম এর নেতৃত্বে'  মাদারগঞ্জ  মাদ্রাসা শিক্ষক/কর্মচারী কল্যাণ সমিতি'র সভাপতি আ. মোত্তালিব সেলিমের নেতৃত্বে' মির্জা আজম কলেজ প্রস্তাবিত গুনেরবাড়ী কলেজ এর অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব এর নেতৃত্বে শিক্ষক/কর্মচারীবৃন্দ' খাঁজা শাহ সূফী ইউনূস আলী কলেজ এর সভাপতি মমতাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে' তেঘরিয়া সাহেদ আলী স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষক ও মাদারগঞ্জ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মিষ্টার বিএসসি'র নেতৃত্ব' বিনোদটঙ্গী'ধলিরবন্দর কারিগরি কলেজ এর অধ্যক্ষ হামিদুর রহমানের নেতৃত্বে' মাহমুদা-বেলাল মহিলা কলেজ এর অধ্যক্ষের নেতৃত্বে' আলমগীর কবির আনোয়ারা-আজিজ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর কবির এর নেতৃত্বে' বালিজুড়ী নুরুন্নাহার মির্জা কাশেম মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বেসহ উপজেলার বিভিন্ন কলেজের পক্ষ থেকে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল কে  ফুলেল শুভেচছা জানান ।  এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ মজনু ফকির ও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোখলেছুর রহমান মুখলেস সহ মাদারগঞ্জ উপজেলার কলেজ শিক্ষক/কর্মচারীবৃন্দ'সাংবাদিকবৃন্দ  উপস্থিত ছিলেন।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

ক্লিনিকে ওষুধ না পেয়ে ফিরছেন রোগীরা, আর পাশের ডোবায় ভাসছে ‘সরকারি সম্পত্তি’ লেখা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ; তদন্তের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের / ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধনতলা কমিউনিটি ক্লিনিক ঘিরে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা সামনে এসেছে। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার আশায় যেখানে প্রতিদিন ভিড় করেন অসংখ্য রোগী, সেই ক্লিনিকের পাশের একটি ডোবায় মিলেছে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধের স্তূপ।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে স্থানীয়রা প্রথমে লক্ষ্য করেন, ক্লিনিক সংলগ্ন ডোবায় ট্যাবলেট, সিরাপ ও ক্যাপসুল ভাসছে। অল্প সময়ের মধ্যেই খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ সেখানে ভিড় করেন। উদ্ধার হওয়া ওষুধের প্যাকেটে স্পষ্টভাবে ‘সরকারি সম্পত্তি, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ’ লেখা থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় বাসিন্দা জমিলা খাতুন অভিযোগ করেন, ওষুধের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে এসে প্রায়ই খালি হাতে ফিরতে হয় তাদের। তিনি বলেন, “মাইলের পর মাইল হেঁটে ক্লিনিকে আসি, কিন্তু বলা হয় ওষুধ নেই। অথচ আজ দেখি সেই ওষুধই ডোবায় পড়ে নষ্ট হচ্ছে।”আরেক বাসিন্দা রোকেয়া খাতুন জানান, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রায়ই দাবি করে যে সরকারি বরাদ্দ নেই। তবে ডোবায় বিপুল পরিমাণ ওষুধ পাওয়া যাওয়ায় সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতি না থাকা এবং ওষুধ সঠিকভাবে বিতরণ না করার কারণে এসব ওষুধ দীর্ঘদিন জমে ছিল। পরে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।এ বিষয়ে ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী মো. মিস্টার জানান, তিনি সম্প্রতি অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন এবং ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য, “আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। এখানে আরও দুজন কাজ করেন। ওষুধগুলো কীভাবে এখানে এল, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”অন্যদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ. এ. এম আবু তাহের জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তদন্তে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান। এদিকে সরকারি সম্পদের এমন অপচয় এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম আর না ঘটে।