ঢাকা    রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
নগদ বার্তা
সর্বশেষ

যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ ও তাঁর কথিত প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। মামলায় সুমাইয়ার বাবাকেও আসামি করা হয়েছে। / বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগ, ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া গ্রেপ্তার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি ও অর্থের বিনিময়ে সরবরাহের অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। একই ঘটনায় তাঁর কথিত প্রেমিক ও সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও তিনি তা বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেননি এবং ওই কর্মকাণ্ড থেকে পাওয়া অর্থ গ্রহণ করতেন।সাইবার মনিটরিংয়ে নজরে আসেডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট পুলিশের নজরে আসে। সেখানে বিভিন্ন আপত্তিকর কনটেন্টের পাশাপাশি সেগুলো অর্থের বিনিময়ে সরবরাহের বিজ্ঞাপন পাওয়া যায় বলে দাবি পুলিশের।তদন্তসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে গ্রাহকদের এসব কনটেন্ট সরবরাহ করা হতো। এ জন্য বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহার করে অর্থ লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এ ছাড়া নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে দীর্ঘমেয়াদি বা ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার প্রচারণাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চালানো হতো বলে তদন্তে উঠে এসেছে।বসুন্ধরার ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তারতথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সুমাইয়ার অবস্থান শনাক্ত করার পর গত ১১ আগস্ট রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি প্রতিষ্ঠান থেকে খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার সন্দেহপুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমাইয়ার সঙ্গে আরও কয়েকজনের যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্টদের ধারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আরও ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন।পুলিশের ভাষ্য, সুমাইয়ার বাবা আবু সাঈদ তাঁর মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি এ বিষয়ে বাধা না দিয়ে ওই কর্মকাণ্ড থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাঘটনাটি নিয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্তাধীন। এ ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পাশাপাশি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া কনটেন্ট ও অর্থ লেনদেনের বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ

মিরসরাইয়ে হোটেল কক্ষে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ, স্ত্রী রক্তাক্ত / মিরসরাইয়ে হোটেল কক্ষে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ, স্ত্রী রক্তাক্ত

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে আমিনুল ইসলাম (৩২) নামে এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই কক্ষে তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তারকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে থাকা ১০ মাস বয়সী কন্যাশিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে উপজেলার বড়তাকিয়া বাজার এলাকার হোটেল রিলাক্স জোনের ১০৪ নম্বর কক্ষ থেকে তাঁদের উদ্ধার করে পুলিশ।নিহত আমিনুল ইসলাম মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ইউনিয়নের আব্দুল হক মাস্টার বাড়ির আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি রাঙামাটি পুলিশ লাইনসে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তার হাজীশ্বরাই এলাকার মো. ইব্রাহীমের মেয়ে।হোটেল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, আমিনুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী রোববার দুপুর ২টার দিকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে এসে একটি কক্ষ ভাড়া নেন। তাঁদের সঙ্গে ১০ মাস বয়সী শিশুটিও ছিল। রাতে কয়েক দফা খাবারের জন্য তাঁরা কক্ষ থেকে বের হয়েছিলেন। এরপর আর তাঁদের বাইরে দেখা যায়নি।সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কক্ষ পরিষ্কার করতে হোটেলকর্মীরা সেখানে গিয়ে একাধিকবার ডাকাডাকি করেন। তবে ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে হোটেল ব্যবস্থাপকও তাঁদের ডাকেন। একপর্যায়ে তাহমিনা আক্তার রক্তাক্ত অবস্থায় দরজা খুলে দেন।পরে হোটেলকর্মীরা কক্ষের ভেতরে খাটের পাশে ফ্যানের সঙ্গে আমিনুল ইসলামকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।হোটেল রিলাক্স জোনের ব্যবস্থাপক মো. সোহান জানান, আমিনুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী পরিচয়ে দুজন রোববার দুপুরে হোটেলের ওই কক্ষ ভাড়া নেন। তাঁদের সঙ্গে একটি শিশুও ছিল।মিরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) নাদিম হায়দার চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। একই কক্ষে তাঁর স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের শিশুকন্যাটি সুস্থ রয়েছে। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, নিহত ব্যক্তি নিজেও একজন পুলিশ সদস্য। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিরসরাইয়ে হোটেল কক্ষে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ, স্ত্রী রক্তাক্ত

রংপুরের পীরগঞ্জে এক নারীকে বাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা, মারধর ও নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ৪০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে পাঁচ তরুণের বিরুদ্ধে। থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। / পীরগঞ্জে নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ৪০ হাজার টাকা দাবি

-সংবাদ প্রতিবেদনপীরগঞ্জে নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, ভিডিও ধারণ করে ৪০ হাজার টাকা দাবিরংপুরের পীরগঞ্জে এক নারীকে বাগানে নিয়ে মারধর, ধর্ষণের চেষ্টা এবং তার পরনের কাপড় খুলে ভিডিও ধারণ করে ৪০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে পাঁচ তরুণের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে পীরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ১৯ বছর বয়সী এক নারী। অভিযোগে আরও ৮ থেকে ১০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগকারী রাবেয়া খাতুন (১৯) উপজেলার কুমেদপুর ইউনিয়নের শরিফেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগে অভিযুক্ত পাঁচজন হলেন—তারেক মিয়া (২২), বাবু মিয়া (২৩), মিরাজুল মিয়া (২৪), হিমেল মিয়া (২১) ও নাঈম মিয়া (২০)।ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে রাবেয়া তার স্বামী রিজু মিয়া ও প্রতিবেশী আবদুল হালিম মিয়ার সঙ্গে কুমেদপুর বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কাঁচা মরিচ কেনার জন্য তার স্বামী আবার বাজারে ফিরে যান। পরে রাবেয়া ও আবদুল হালিম বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।অভিযোগে বলা হয়েছে, রাত সোয়া ৯টার দিকে তারা তারেক মিয়ার বাড়ির সামনে পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে অবস্থান করা কয়েকজন তাদের পথরোধ করেন। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপবাদ দেওয়া হয় এবং আবদুল হালিমের কাছে টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। একপর্যায়ে আবদুল হালিম সেখান থেকে পালিয়ে যান।এরপর রাবেয়া খাতুনকে একটি বাগানে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় তিনি চিৎকার করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে তার পরনের কাপড় খুলে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।অভিযোগে আরও বলা হয়, রাবেয়াকে বাগানে আটকে রেখে তার স্বামীর কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখিয়ে অভিযুক্তরা তাকে শেখানো কথা বলতে বাধ্য করেন এবং সেই বক্তব্যও মোবাইল ফোনে ধারণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।পরে শনিবার (৮ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে রাবেয়ার স্বামীকে ডেকে এনে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে তার স্বামীর কাছে দিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি তার স্বামী রিজু মিয়া, প্রতিবেশী আবদুল হালিম মিয়াসহ আরও কয়েকজন অবগত আছেন বলেও লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। তাদের দাবি, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তারা ষড়যন্ত্রের শিকার।পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক বলেন, “এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” নোট: অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদটি লেখা হয়েছে; তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাবে।

পীরগঞ্জে নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ৪০ হাজার টাকা দাবি
ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

ক্লিনিকে ওষুধ না পেয়ে ফিরছেন রোগীরা, আর পাশের ডোবায় ভাসছে ‘সরকারি সম্পত্তি’ লেখা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ; তদন্তের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের / ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধনতলা কমিউনিটি ক্লিনিক ঘিরে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা সামনে এসেছে। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার আশায় যেখানে প্রতিদিন ভিড় করেন অসংখ্য রোগী, সেই ক্লিনিকের পাশের একটি ডোবায় মিলেছে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধের স্তূপ।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে স্থানীয়রা প্রথমে লক্ষ্য করেন, ক্লিনিক সংলগ্ন ডোবায় ট্যাবলেট, সিরাপ ও ক্যাপসুল ভাসছে। অল্প সময়ের মধ্যেই খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ সেখানে ভিড় করেন। উদ্ধার হওয়া ওষুধের প্যাকেটে স্পষ্টভাবে ‘সরকারি সম্পত্তি, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ’ লেখা থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় বাসিন্দা জমিলা খাতুন অভিযোগ করেন, ওষুধের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে এসে প্রায়ই খালি হাতে ফিরতে হয় তাদের। তিনি বলেন, “মাইলের পর মাইল হেঁটে ক্লিনিকে আসি, কিন্তু বলা হয় ওষুধ নেই। অথচ আজ দেখি সেই ওষুধই ডোবায় পড়ে নষ্ট হচ্ছে।”আরেক বাসিন্দা রোকেয়া খাতুন জানান, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রায়ই দাবি করে যে সরকারি বরাদ্দ নেই। তবে ডোবায় বিপুল পরিমাণ ওষুধ পাওয়া যাওয়ায় সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতি না থাকা এবং ওষুধ সঠিকভাবে বিতরণ না করার কারণে এসব ওষুধ দীর্ঘদিন জমে ছিল। পরে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।এ বিষয়ে ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী মো. মিস্টার জানান, তিনি সম্প্রতি অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন এবং ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য, “আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। এখানে আরও দুজন কাজ করেন। ওষুধগুলো কীভাবে এখানে এল, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”অন্যদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ. এ. এম আবু তাহের জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তদন্তে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান। এদিকে সরকারি সম্পদের এমন অপচয় এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম আর না ঘটে।

উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ঘুরে দেখবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা / চীনের আমন্ত্রণে বিএনপির ২০ তরুণ নেতার সফর জুনে

চীনের সরকারি আমন্ত্রণে আগামী জুন মাসে দেশটি সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও সহযোগী সংগঠনের ২০ জন তরুণ নেতা। ৪ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে এ সফর। পুরো সফরের ব্যয়ভার বহন করবে চীন সরকার।জানা গেছে, সফরের সময় প্রতিনিধি দলটি চীনের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং তৃণমূল প্রশাসনিক কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি দেশটির অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও আধুনিকায়নের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা অর্জন করবেন তারা।চীনা দূতাবাস সূত্রে প্রকাশিত তালিকায় থাকা তরুণ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন মো. মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া, খন্দকার এনামুল হক, গালিব হাসান প্রীতম, মেহেদী হাসান জুয়েল, শ্যামল মওলা, শ্রাবণী আক্তার, নওশীন নাহার, সেলিমা বিনতে তারিন এবং জান্নাতুল নওরীন উর্মিসহ আরও অনেকে।এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-কে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে সফরের আমন্ত্রণ জানান।সফরে অংশ নেওয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুল নওরীন উর্মি এ সুযোগকে তরুণ নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, আন্তর্জাতিক বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণ সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে সহায়ক হবে।সফরসূচি অনুযায়ী প্রতিনিধি দলটি চীনের চংকিং ও সাংহাই শহর পরিদর্শন করবে। সেখানে তারা গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন, শিল্প উৎপাদন, উচ্চপর্যায়ের উন্মুক্ত অর্থনীতি ও স্থানীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখবেন। এছাড়া চীনের নীতিনির্ধারক, গবেষক ও থিংক ট্যাংক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময়েরও সুযোগ পাবেন তারা।

এক মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য উল্লম্ফন, আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে ১৫ শতাংশের বেশি / প্রবাসীদের পাঠানো অর্থে নতুন রেকর্ড, মে মাসে দেশে এলো সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

ঢাকা: দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা এনে মে মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন। সদ্য সমাপ্ত মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ৩.৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহকে আরও শক্তিশালী করেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে দেশে মোট ৩ হাজার ৪২৫.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই মাসে এই অঙ্ক ছিল প্রায় ২ হাজার ৯৬৯.৫ মিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ১৫.৩৪ শতাংশ।এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৩২.৭৬ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্রাপ্ত ২৭.৫১ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ শতাংশেরও বেশি।অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধি, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সরকারি বিভিন্ন প্রণোদনা রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও মজবুত করবে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় সামাল দেওয়া, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বিএনপির দুঃসময়ে পাশে ছিলেন ফাহাদ, এখন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের প্রত্যাশা

পারিবারিকভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত পরিবেশে বেড়ে ওঠা ফাহাদ হোসেন ২০০৬ সাল থেকে সক্রিয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার দাবি করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মামলা, হামলা, নির্যাতন ও কারাভোগসহ নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও দল ও আদর্শ থেকে সরে যাননি বলে জানিয়েছেন তিনি।মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফাহাদ হোসেনের ওপর হামলা এবং তাঁর বাবা ও ভাইকে মারধরের ঘটনায় ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট তৎকালীন জামালপুর জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছিল। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ফাহাদের পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাট এবং তাঁর বাবা ও ভাইয়ের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।ফাহাদ হোসেন জানান, ছোটবেলা থেকেই বিএনপির রাজনৈতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে দলটির প্রতি তাঁর আস্থা ও রাজনৈতিক বিশ্বাস তৈরি হয়। তবে পারিবারিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ২০০৬ সাল থেকে মাঠপর্যায়ে সরাসরি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন তিনি।তাঁর ভাষ্য, ২০০৬ সাল থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় বিএনপি বিরোধী দলে থাকাকালে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সহজ ছিল না। এ সময়ে তাঁকে বিভিন্ন ধরনের মামলা, হামলা, হয়রানি ও নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কয়েক দফা কারাভোগও করতে হয়েছে বলে জানান তিনি।হামলা ও পরিবারের সদস্যদের আহত করার অভিযোগফাহাদ হোসেনের দাবি, ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট বিএনপির পূর্বনির্ধারিত লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তাঁর পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা তাঁকে সেখানে না পেয়ে তাঁর বাবাকে মারধর করেন এবং এতে তাঁর বাবার হাত ভেঙে যায় বলে দাবি করেন তিনি।এ সময় তাঁর ছোট ভাইয়ের মাথা ও কপালেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয় বলে জানান ফাহাদ।সংযুক্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও তাঁর পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগের পাশাপাশি তাঁর বাবা ও ভাইয়ের ওপর হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় তৎকালীন জামালপুর জেলা ছাত্রদলের নেতারা নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং সংশ্লিষ্টদের মুক্তির দাবি করেন।ফাহাদ বলেন, ওই দিনের ঘটনা তাঁর ও তাঁর পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। হামলার পর তাঁর ছোট ভাই জামালপুরে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলেও জানান তিনি।গ্রেপ্তার ও প্রায় দুই মাস কারাভোগফাহাদের দাবি, ভাই চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাঁকেও জামালপুর থেকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, একই সময়ে তাঁর এক ফুফাতো ভাই ও রকি চাচাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকার পর মুক্তি পান বলে জানান তিনি। কারাগারের সেই সময় এবং পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা তাঁর জীবনের অন্যতম কঠিন অধ্যায় হয়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ফাহাদ।তবে এসব প্রতিকূলতা তাঁকে বিএনপির রাজনীতি থেকে দূরে সরাতে পারেনি। বরং দুঃসময়ের অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে বলে জানান তিনি।‘অন্য দলের প্রস্তাব এলেও বিএনপি ছাড়িনি’ফাহাদ হোসেন বলেন, বিভিন্ন সময়ে অন্য রাজনৈতিক দল থেকে তাঁকে প্রস্তাব ও নানা সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে যাননি। তাঁর কাছে রাজনীতি শুধু ক্ষমতা, পদ-পদবি কিংবা ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জনের বিষয় নয়; বরং এটি একটি আদর্শ, বিশ্বাস এবং মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয়।জিয়া পরিবারের প্রতি নিজের আস্থা ও ভালোবাসার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, দেশ ও জনগণের স্বার্থে জিয়া পরিবারের রাজনৈতিক অবস্থান তাঁকে দীর্ঘদিন ধরে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রতিকূল সময়ে এই রাজনৈতিক বিশ্বাস তাঁকে দৃঢ় থাকতে সাহস দিয়েছে বলে জানান তিনি।এখন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের প্রত্যাশাদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অংশ নেওয়ার কথা জানিয়ে ফাহাদ বলেন, সুসময়ে দলের পাশে থাকা সহজ হলেও দুঃসময়ে ঝুঁকি নিয়ে দলের আদর্শের পক্ষে অবস্থান করাই একজন কর্মীর প্রকৃত পরীক্ষা।তাঁর মতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে বিএনপির জন্যও নতুন সময় এসেছে। এখন দীর্ঘদিনের ত্যাগী, নির্যাতিত ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা দলীয়ভাবে কতটা মূল্যায়ন পান, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।ফাহাদ বলেন, তাঁর প্রত্যাশা খুব বেশি নয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ এবং তাঁর পরিবারের ওপর দিয়ে যাওয়া কঠিন সময়গুলো যেন ভুলে যাওয়া না হয়—এটাই তাঁর প্রত্যাশা।ভবিষ্যতে মানুষের সেবা করার সুযোগ পেলে সেটিকে নিজের সৌভাগ্য হিসেবে গ্রহণ করে সততা, ন্যায়, নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি। নিজের ও পরিবারের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে ফাহাদ বলেন, জীবনের দীর্ঘ পথচলায় পাওয়া কষ্ট, ত্যাগ ও অভিজ্ঞতাকে মানুষের সেবার মাধ্যমে অর্থবহ করে তুলতে চান।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জোটের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়জোটের বৈঠক শেষে প্রার্থীর নাম ঘোষণা; অলি আহমদ বললেন, ‘জাতির সঙ্গে কখনও বেঈমানি করব না’ / রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

নির্বাচন ভবন থেকে মনোনয়নপত্র নিলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি ও রুহুল কবীর রিজভী / রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্যে উপস্থাপক সাতক্ষীরার অরিন, স্থানীয়ভাবে চলছে নানা আলোচনা

ভারতে পড়াশোনার সূত্রে সেখানে অবস্থান; রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়েও আলোচনা, অরিনের বিষয়ে জানে না স্থানীয় পুলিশ / শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্যে উপস্থাপক সাতক্ষীরার অরিন, স্থানীয়ভাবে চলছে নানা আলোচনা

আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য পদ থেকেও অব্যাহতির ঘোষণা অধ্যক্ষ গোলাম রব্বানীর

আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য পদ থেকেও অব্যাহতির ঘোষণা অধ্যক্ষ গোলাম রব্বানীর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জোটের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়জোটের বৈঠক শেষে প্রার্থীর নাম ঘোষণা; অলি আহমদ বললেন, ‘জাতির সঙ্গে কখনও বেঈমানি করব না’ / রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট।রোববার (৯ আগস্ট) বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত জোটের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।মনোনয়ন পাওয়ার পর কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, ‘জাতির সঙ্গে কখনও বেঈমানি করব না। জাতির জন্য যেটা ভালো, সেটাই করব।’জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, দেশের কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।এর আগে একই দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা করতে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক শুরু হয়। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী, রাজনৈতিক সমঝোতা ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন জোটের শীর্ষ নেতারা।শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার, জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদসহ শরিক দলগুলোর নেতারা অংশ নেন।বৈঠকে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, জাগপার রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়।

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

বিএনপির দুঃসময়ে পাশে ছিলেন ফাহাদ, এখন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের প্রত্যাশা

বিএনপির দুঃসময়ে পাশে ছিলেন ফাহাদ, এখন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের প্রত্যাশা

পারিবারিকভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত পরিবেশে বেড়ে ওঠা ফাহাদ হোসেন ২০০৬ সাল থেকে সক্রিয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার দাবি করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মামলা, হামলা, নির্যাতন ও কারাভোগসহ নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও দল ও আদর্শ থেকে সরে যাননি বলে জানিয়েছেন তিনি।মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফাহাদ হোসেনের ওপর হামলা এবং তাঁর বাবা ও ভাইকে মারধরের ঘটনায় ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট তৎকালীন জামালপুর জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছিল। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ফাহাদের পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাট এবং তাঁর বাবা ও ভাইয়ের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।ফাহাদ হোসেন জানান, ছোটবেলা থেকেই বিএনপির রাজনৈতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে দলটির প্রতি তাঁর আস্থা ও রাজনৈতিক বিশ্বাস তৈরি হয়। তবে পারিবারিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ২০০৬ সাল থেকে মাঠপর্যায়ে সরাসরি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন তিনি।তাঁর ভাষ্য, ২০০৬ সাল থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় বিএনপি বিরোধী দলে থাকাকালে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সহজ ছিল না। এ সময়ে তাঁকে বিভিন্ন ধরনের মামলা, হামলা, হয়রানি ও নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কয়েক দফা কারাভোগও করতে হয়েছে বলে জানান তিনি।হামলা ও পরিবারের সদস্যদের আহত করার অভিযোগফাহাদ হোসেনের দাবি, ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট বিএনপির পূর্বনির্ধারিত লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তাঁর পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা তাঁকে সেখানে না পেয়ে তাঁর বাবাকে মারধর করেন এবং এতে তাঁর বাবার হাত ভেঙে যায় বলে দাবি করেন তিনি।এ সময় তাঁর ছোট ভাইয়ের মাথা ও কপালেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয় বলে জানান ফাহাদ।সংযুক্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও তাঁর পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগের পাশাপাশি তাঁর বাবা ও ভাইয়ের ওপর হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় তৎকালীন জামালপুর জেলা ছাত্রদলের নেতারা নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং সংশ্লিষ্টদের মুক্তির দাবি করেন।ফাহাদ বলেন, ওই দিনের ঘটনা তাঁর ও তাঁর পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। হামলার পর তাঁর ছোট ভাই জামালপুরে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলেও জানান তিনি।গ্রেপ্তার ও প্রায় দুই মাস কারাভোগফাহাদের দাবি, ভাই চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাঁকেও জামালপুর থেকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, একই সময়ে তাঁর এক ফুফাতো ভাই ও রকি চাচাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকার পর মুক্তি পান বলে জানান তিনি। কারাগারের সেই সময় এবং পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা তাঁর জীবনের অন্যতম কঠিন অধ্যায় হয়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ফাহাদ।তবে এসব প্রতিকূলতা তাঁকে বিএনপির রাজনীতি থেকে দূরে সরাতে পারেনি। বরং দুঃসময়ের অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে বলে জানান তিনি।‘অন্য দলের প্রস্তাব এলেও বিএনপি ছাড়িনি’ফাহাদ হোসেন বলেন, বিভিন্ন সময়ে অন্য রাজনৈতিক দল থেকে তাঁকে প্রস্তাব ও নানা সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে যাননি। তাঁর কাছে রাজনীতি শুধু ক্ষমতা, পদ-পদবি কিংবা ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জনের বিষয় নয়; বরং এটি একটি আদর্শ, বিশ্বাস এবং মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয়।জিয়া পরিবারের প্রতি নিজের আস্থা ও ভালোবাসার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, দেশ ও জনগণের স্বার্থে জিয়া পরিবারের রাজনৈতিক অবস্থান তাঁকে দীর্ঘদিন ধরে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রতিকূল সময়ে এই রাজনৈতিক বিশ্বাস তাঁকে দৃঢ় থাকতে সাহস দিয়েছে বলে জানান তিনি।এখন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের প্রত্যাশাদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অংশ নেওয়ার কথা জানিয়ে ফাহাদ বলেন, সুসময়ে দলের পাশে থাকা সহজ হলেও দুঃসময়ে ঝুঁকি নিয়ে দলের আদর্শের পক্ষে অবস্থান করাই একজন কর্মীর প্রকৃত পরীক্ষা।তাঁর মতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে বিএনপির জন্যও নতুন সময় এসেছে। এখন দীর্ঘদিনের ত্যাগী, নির্যাতিত ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা দলীয়ভাবে কতটা মূল্যায়ন পান, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।ফাহাদ বলেন, তাঁর প্রত্যাশা খুব বেশি নয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ এবং তাঁর পরিবারের ওপর দিয়ে যাওয়া কঠিন সময়গুলো যেন ভুলে যাওয়া না হয়—এটাই তাঁর প্রত্যাশা।ভবিষ্যতে মানুষের সেবা করার সুযোগ পেলে সেটিকে নিজের সৌভাগ্য হিসেবে গ্রহণ করে সততা, ন্যায়, নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি। নিজের ও পরিবারের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে ফাহাদ বলেন, জীবনের দীর্ঘ পথচলায় পাওয়া কষ্ট, ত্যাগ ও অভিজ্ঞতাকে মানুষের সেবার মাধ্যমে অর্থবহ করে তুলতে চান।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জোটের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়জোটের বৈঠক শেষে প্রার্থীর নাম ঘোষণা; অলি আহমদ বললেন, ‘জাতির সঙ্গে কখনও বেঈমানি করব না’ / রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট।রোববার (৯ আগস্ট) বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত জোটের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।মনোনয়ন পাওয়ার পর কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, ‘জাতির সঙ্গে কখনও বেঈমানি করব না। জাতির জন্য যেটা ভালো, সেটাই করব।’জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, দেশের কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।এর আগে একই দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা করতে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক শুরু হয়। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী, রাজনৈতিক সমঝোতা ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন জোটের শীর্ষ নেতারা।শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার, জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদসহ শরিক দলগুলোর নেতারা অংশ নেন।বৈঠকে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, জাগপার রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

নির্বাচন ভবন থেকে মনোনয়নপত্র নিলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি ও রুহুল কবীর রিজভী / রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিএনপির পক্ষে মনোনয়নপত্র দুটি সংগ্রহ করা হয়।দলের হয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এবং রুহুল কবীর রিজভী। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের এই কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিএনপির আনুষ্ঠানিক তৎপরতা আরও দৃশ্যমান হলো।

শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্যে উপস্থাপক সাতক্ষীরার অরিন, স্থানীয়ভাবে চলছে নানা আলোচনা

ভারতে পড়াশোনার সূত্রে সেখানে অবস্থান; রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়েও আলোচনা, অরিনের বিষয়ে জানে না স্থানীয় পুলিশ / শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্যে উপস্থাপক সাতক্ষীরার অরিন, স্থানীয়ভাবে চলছে নানা আলোচনা

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্যের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের ভূমিকায় দেখা যাওয়া সাতক্ষীরার তরুণ আবু ওবাইদাহ অরিনকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। ২৫ বছর বয়সী অরিন কীভাবে শেখ হাসিনার অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হলেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের দায়িত্ব পেলেন—এ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্যের আয়োজনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ভারতের মাটিতে বসে এমন একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্য এবং সেটির আয়োজন নিয়ে দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।অনুষ্ঠানের মঞ্চে শেখ হাসিনার পাশাপাশি উপস্থাপক হিসেবে অরিনকে দেখা যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পরিচয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার বাড়ি সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর নিচুতলা এলাকায়, যা সাতক্ষীরা সদর থানার কাছাকাছি।বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায়নি অরিনকেস্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অরিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির প্রধান ফটক বন্ধ। তার বাবা আবু সোয়েব এবেলের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।অরিনের এক প্রতিবেশী ও স্থানীয় মুদি দোকানি শাহজাহান জানান, বেশ কিছুদিন ধরে অরিনকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের আগে শেষবার তিনি অরিনকে দেখেছিলেন। এরপর আর তাকে এলাকায় দেখা যায়নি।শাহজাহান বলেন, অরিন ভারতে পড়াশোনা করেন বলে তিনি শুনেছেন। তবে তার বাবা-মা সাতক্ষীরার বাড়িতেই থাকেন।স্থানীয় আরেক দোকানিকে নয়াদিল্লির অনুষ্ঠানের একটি ছবি দেখানো হলে তিনি ছবিতে থাকা তরুণকে অরিন বলে শনাক্ত করেন। অনুষ্ঠানে তাকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বসে থাকতে দেখে তিনিও বিস্ময় প্রকাশ করেন।বাবার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও খোঁজঅরিনের বাবা আবু সোয়েব এবেল সাতক্ষীরার জাহান প্রেসের সঙ্গে যুক্ত। ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও অরিন সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হয়।প্রতিষ্ঠানটির রাতের নিরাপত্তাকর্মী রমেশ চন্দ্র জানান, এবেল সাতক্ষীরাতেই থাকেন এবং সময়-সুযোগে প্রতিষ্ঠানে আসেন। তবে ওই দিন সন্ধ্যার পর তাকে সেখানে দেখা যায়নি।স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আবু ওবাইদাহ অরিন জাহান প্রেসের মালিক আবু সোয়েব এবেলের বড় ছেলে। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়েও আলোচনাঅরিনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবির ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির একজন নেতার সঙ্গে তার পারিবারিক আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে বলেও স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।তবে এসব রাজনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে অরিনের নিজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।পুলিশের কাছে নেই তথ্যআবু ওবাইদাহ অরিন সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কোনো তথ্য রয়েছে কি না, তা জানতে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।তিনি জানান, অরিনের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি।পরে সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কলটি গ্রহণ না করে কেটে দেন। শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্যের মতো আলোচিত একটি রাজনৈতিক আয়োজনে সাতক্ষীরার তরুণ অরিনের উপস্থিতি এবং তার উপস্থাপকের দায়িত্ব পালন নিয়ে এরই মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে তিনি কীভাবে ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হলেন, কার মাধ্যমে আমন্ত্রণ পেলেন এবং তার ভূমিকার পরিধি কী ছিল—এসব প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।

এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৬২.২৫%, ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ। ২০০৭ সালের পর এটি সর্বনিম্ন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী। / এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৬২.২৫%, ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। চলতি বছর এ পরীক্ষায় ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। ২০০৭ সালের পর গত ১৯ বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন পাসের হার।গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ পয়েন্ট।এবারের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।ফলাফলে দেখা গেছে, এবার জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও আগের বছরের তুলনায় কমেছে। মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যা উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর প্রায় ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ।গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।এর আগে ২০২১ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। বিপরীতে ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। সেই হিসাবে এবারের ফলাফল গত দুই দশকের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম পাসের হারগুলোর একটি।চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে। ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুই সূচকেই গত বছরের তুলনায় নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জোটের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়জোটের বৈঠক শেষে প্রার্থীর নাম ঘোষণা; অলি আহমদ বললেন, ‘জাতির সঙ্গে কখনও বেঈমানি করব না’ / রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

নির্বাচন ভবন থেকে মনোনয়নপত্র নিলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি ও রুহুল কবীর রিজভী / রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে মাদারগঞ্জে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে মাদারগঞ্জে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা

আচরণবিধিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত; অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন / আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জোটের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়জোটের বৈঠক শেষে প্রার্থীর নাম ঘোষণা; অলি আহমদ বললেন, ‘জাতির সঙ্গে কখনও বেঈমানি করব না’ / রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট।রোববার (৯ আগস্ট) বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত জোটের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।মনোনয়ন পাওয়ার পর কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, ‘জাতির সঙ্গে কখনও বেঈমানি করব না। জাতির জন্য যেটা ভালো, সেটাই করব।’জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, দেশের কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।এর আগে একই দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা করতে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক শুরু হয়। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী, রাজনৈতিক সমঝোতা ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন জোটের শীর্ষ নেতারা।শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার, জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদসহ শরিক দলগুলোর নেতারা অংশ নেন।বৈঠকে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, জাগপার রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জোটের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়জোটের বৈঠক শেষে প্রার্থীর নাম ঘোষণা; অলি আহমদ বললেন, ‘জাতির সঙ্গে কখনও বেঈমানি করব না’ / রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

নির্বাচন ভবন থেকে মনোনয়নপত্র নিলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি ও রুহুল কবীর রিজভী / রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে মাদারগঞ্জে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে মাদারগঞ্জে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা

আচরণবিধিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত; অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন / আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে
ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

ক্লিনিকে ওষুধ না পেয়ে ফিরছেন রোগীরা, আর পাশের ডোবায় ভাসছে ‘সরকারি সম্পত্তি’ লেখা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ; তদন্তের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের / ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধনতলা কমিউনিটি ক্লিনিক ঘিরে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা সামনে এসেছে। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার আশায় যেখানে প্রতিদিন ভিড় করেন অসংখ্য রোগী, সেই ক্লিনিকের পাশের একটি ডোবায় মিলেছে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধের স্তূপ।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে স্থানীয়রা প্রথমে লক্ষ্য করেন, ক্লিনিক সংলগ্ন ডোবায় ট্যাবলেট, সিরাপ ও ক্যাপসুল ভাসছে। অল্প সময়ের মধ্যেই খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ সেখানে ভিড় করেন। উদ্ধার হওয়া ওষুধের প্যাকেটে স্পষ্টভাবে ‘সরকারি সম্পত্তি, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ’ লেখা থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় বাসিন্দা জমিলা খাতুন অভিযোগ করেন, ওষুধের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে এসে প্রায়ই খালি হাতে ফিরতে হয় তাদের। তিনি বলেন, “মাইলের পর মাইল হেঁটে ক্লিনিকে আসি, কিন্তু বলা হয় ওষুধ নেই। অথচ আজ দেখি সেই ওষুধই ডোবায় পড়ে নষ্ট হচ্ছে।”আরেক বাসিন্দা রোকেয়া খাতুন জানান, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রায়ই দাবি করে যে সরকারি বরাদ্দ নেই। তবে ডোবায় বিপুল পরিমাণ ওষুধ পাওয়া যাওয়ায় সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতি না থাকা এবং ওষুধ সঠিকভাবে বিতরণ না করার কারণে এসব ওষুধ দীর্ঘদিন জমে ছিল। পরে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।এ বিষয়ে ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী মো. মিস্টার জানান, তিনি সম্প্রতি অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন এবং ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য, “আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। এখানে আরও দুজন কাজ করেন। ওষুধগুলো কীভাবে এখানে এল, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”অন্যদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ. এ. এম আবু তাহের জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তদন্তে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান। এদিকে সরকারি সম্পদের এমন অপচয় এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম আর না ঘটে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জোটের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়জোটের বৈঠক শেষে প্রার্থীর নাম ঘোষণা; অলি আহমদ বললেন, ‘জাতির সঙ্গে কখনও বেঈমানি করব না’ / রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

নির্বাচন ভবন থেকে মনোনয়নপত্র নিলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি ও রুহুল কবীর রিজভী / রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে মাদারগঞ্জে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে মাদারগঞ্জে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা

আচরণবিধিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত; অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন / আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে