ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা

শিক্ষাঙ্গন

শুধু ডিগ্রি নয়, প্রয়োজন বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা: ববি হাজ্জাজ

শুধু ডিগ্রি নয়, প্রয়োজন বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, কেবল প্রাতিষ্ঠানিক সনদ বা ডিগ্রি দিয়ে কর্মক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। তিনি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে তরুণদের বাস্তবমুখী, প্রযুক্তিগত ও ভাষাগত দক্ষতায় দক্ষ হয়ে ওঠার তাগিদ দিয়েছেন। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে (ইউল্যাব) অনুষ্ঠিত ২য় ইউল্যাব-টেসলবিডি আন্তর্জাতিক ইএসপি (ইংলিশ ফর স্পেসিফিক পারপাস) কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। টেসলবিডি ও ইউল্যাব যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করে। ববি হাজ্জাজ বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে তরুণ সমাজকে দক্ষ, কর্মক্ষম ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা আবশ্যক। বিশ্বায়ন ও আধুনিক কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগের দক্ষতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা অর্জনে জোর দিতে হবে। দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ইংরেজি শেখার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত ইংরেজি শিক্ষা ও চর্চায় এখনও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। শ্রেণিকক্ষে মুখস্থনির্ভর পড়াশোনার বদলে ভাষার ব্যবহারিক প্রয়োগ ও যোগাযোগের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে, শিক্ষার্থীদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে শিক্ষকদেরও ভাষাগত দক্ষতা বাড়াতে হবে। আন্তর্জাতিক গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং পেশাগত তথ্যের বড় একটি অংশ ইংরেজিতে প্রকাশিত হয় উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, কেবল ভাষাগত দুর্বলতার কারণে অনেক সময় মেধাবী শিক্ষার্থীরাও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের মেলে ধরতে পারেন না। তবে ইংরেজির চর্চার পাশাপাশি নিজ ভাষায় জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত পরিভাষা সহজলভ্য করা প্রয়োজন। আরও পড়ুনআরও পড়ুনশিক্ষকদের তথ্য হালনাগাদ নিয়ে জরুরি নির্দেশনা তরুণদের অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রেখে উৎপাদনশীল খাতে যুক্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে যথাযথ দক্ষতায় রূপান্তর করা গেলে তারা জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে। তরুণদের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থান, স্থিতিশীল আয় এবং উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সুগম করা জরুরি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মমুখী শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদও দেন তিনি। ইউল্যাবের ভাইস চ্যান্সেলর (উপাচার্য) অধ্যাপক ড. শামসাদ মর্তুজার সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, রিয়েলি ইংলিশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নাইজেল কিলিক এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আনিসুল হক।

ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, থাকবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, থাকবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তন আগামী ২০২৭ সালের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।রোববার (৪ অক্টোবর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন।রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাবি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎউপাচার্যের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।সাক্ষাৎকালে উপাচার্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কেও তাকে অবহিত করেন।শিক্ষা ও গবেষণা নিয়ে আলোচনাবৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক আরও জোরদারে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ এবং বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন উপাচার্য ও প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার আহ্বানসাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ নয়, দেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও উন্নত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।২০২৭ সালের জানুয়ারিতে সমাবর্তনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রস্তুতির বিষয়টি সামনে এসেছে। আগামী ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হিসেবে রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্ব এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি অনুষ্ঠানে বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে।

ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, থাকবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৬২.২৫%, ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। চলতি বছর এ পরীক্ষায় ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। ২০০৭ সালের পর গত ১৯ বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন পাসের হার।গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ পয়েন্ট।এবারের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।ফলাফলে দেখা গেছে, এবার জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও আগের বছরের তুলনায় কমেছে। মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যা উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর প্রায় ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ।গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।এর আগে ২০২১ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। বিপরীতে ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। সেই হিসাবে এবারের ফলাফল গত দুই দশকের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম পাসের হারগুলোর একটি।চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে। ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুই সূচকেই গত বছরের তুলনায় নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৬২.২৫%, ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি মাদারগঞ্জ শাখার আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপিকে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ  কলেজ শিক্ষক সমিতি  মাদারগঞ্জ শাখার আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।  রোববার দুপুরে মাদারগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে কলেজ শিক্ষক সমিতি মাদারগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অ:দ:) মোঃ ছানোয়ার হোসেন,  মাদারগঞ্জ পৌর বিএনপি সভাপতি আব্দুল গফুর,উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন আকন্দ ও সহ সভাপতি আব্দুল মান্নান,  পৌর বিএনপি সাধারন সম্পাদক খালেদ মাসুদ তালুকদার সোহেল,   জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাদারগঞ্জ  মাদ্রাসা শিক্ষক/কর্মচারী কল্যাণ সমিতি'র সভাপতি আ. মোত্তালিব সেলিম, মাদারগঞ্জ শিক্ষক সমিতি'র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ প্রমূখ।  সভাপতিত্ব করেন মাদারগঞ্জ শিক্ষক/কল্যাণ সমিতি সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম লিটন।  সঞ্চালনায় সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রকিব হাসনাত।  এরপূর্বে  শিক্ষক/কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম লিটন ও সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েম এর নেতৃত্বে'  মাদারগঞ্জ  মাদ্রাসা শিক্ষক/কর্মচারী কল্যাণ সমিতি'র সভাপতি আ. মোত্তালিব সেলিমের নেতৃত্বে' মির্জা আজম কলেজ প্রস্তাবিত গুনেরবাড়ী কলেজ এর অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব এর নেতৃত্বে শিক্ষক/কর্মচারীবৃন্দ' খাঁজা শাহ সূফী ইউনূস আলী কলেজ এর সভাপতি মমতাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে' তেঘরিয়া সাহেদ আলী স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষক ও মাদারগঞ্জ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মিষ্টার বিএসসি'র নেতৃত্ব' বিনোদটঙ্গী'ধলিরবন্দর কারিগরি কলেজ এর অধ্যক্ষ হামিদুর রহমানের নেতৃত্বে' মাহমুদা-বেলাল মহিলা কলেজ এর অধ্যক্ষের নেতৃত্বে' আলমগীর কবির আনোয়ারা-আজিজ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর কবির এর নেতৃত্বে' বালিজুড়ী নুরুন্নাহার মির্জা কাশেম মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বেসহ উপজেলার বিভিন্ন কলেজের পক্ষ থেকে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল কে  ফুলেল শুভেচছা জানান ।  এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ মজনু ফকির ও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোখলেছুর রহমান মুখলেস সহ মাদারগঞ্জ উপজেলার কলেজ শিক্ষক/কর্মচারীবৃন্দ'সাংবাদিকবৃন্দ  উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ  কলেজ শিক্ষক সমিতি  মাদারগঞ্জ শাখার আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপিকে সংবর্ধনা

৩ পার্বত্য জেলাসহ সমগ্র বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যুগোপযোগী করার আশ্বাস শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

১১মে সোমবার সরকারি সফরে বান্দরবানে আসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।দিনব্যাপী সফরকালে তিনি বান্দরবান সদরে অবস্থিত পিটিআইসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।সদরে অবস্থিত রেইছা থলি পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন,শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। তবে দেশে বর্গা শিক্ষক বা প্রক্সি শিক্ষকের সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে। বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় এর সংখ্যা অনেকাংশে বেশি। আগামীতে প্রক্সি টিচার বা বর্গা টিচার দিয়ে স্কুল পরিচালনা করার কোনো জায়গা থাকবে না বাংলাদেশে।৩ পার্বত্য জেলাসহ সারা দেশে বর্গা শিক্ষক (প্রক্সি টিচার) নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া শুরু হবে।চাকরি হিসেবে নয়, শিক্ষকরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করলে পড়ালেখার মান আরও বাড়বে বলেও জানান তিনি।ববি হাজ্জাজ বলেন,দুঃখের বিষয়, আমাদের বেশিরভাগ প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা বাংলা, গণিতসহ অন্যান্য বিষয়ে যতটুকু জানার কথা, তারা তা জানে না। আপনারা শিক্ষকরা যেদিন থেকে পড়ানো শুরু করবেন, সেদিন থেকে সব বাচ্চারা শিক্ষিত হবে।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত দিনগুলোতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নেমে এসেছিল অনেক নিচে। এটা সম্পূর্ণভাবে বদলে দেওয়া হবে।এর আগে প্রতিমন্ত্রী রেইছা পিটিআই চত্বর ঘুরে দেখেন এবং প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় পিটিআইয়ের শিক্ষকরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরলে তিনি তা সমাধানের আশ্বাস দেন।মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে ৩ পার্বত্য জেলার সংরক্ষিত আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট মাধবী মার্মা,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু তালেব, পিটিআইয়ের পরিচালক ফজলুল হক ভূইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনিসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৩ পার্বত্য জেলাসহ সমগ্র বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যুগোপযোগী করার আশ্বাস শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ইসলামপুরে ইউএনও’র দিনব্যাপী পরিদর্শন, শিক্ষা ও সেবার মান উন্নয়নে জোর

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ভূমি অফিসে দিনব্যাপী পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল হোসাইন। রোববার (১১ মে) উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিস ঘুরে তিনি শিক্ষা পরিবেশ উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জনসেবার মান বাড়াতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি হাড়গিলা দাখিল মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন। এ সময় মাদ্রাসার মাঠে আবর্জনা ফেলা ও ফসল শুকানোর বিষয়টি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ইউএনও। তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের জন্য সংরক্ষিত রাখতে হবে। ব্যক্তিগত কাজে মাঠ ব্যবহার না করার আহ্বান জানান তিনি।শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহ দিতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের হাতে একটি ফুটবল তুলে দেন ইউএনও। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেন।পরে দুপুরে তিনি নোয়ারপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করেন। সেখানে রেকর্ড সংরক্ষণ ব্যবস্থা, ই-মিউটেশন কার্যক্রম এবং সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগগুলো পর্যবেক্ষণ করেন।ভূমি অফিস সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে ইউএনও বলেন, সাধারণ মানুষকে দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে হবে। নামজারি, খতিয়ান ও ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখারও নির্দেশ দেন তিনি।এদিকে ভেঙ্গুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে ইউএনও শ্রেণিকক্ষে গিয়ে পাঠদান কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে সেখানেও ক্রীড়া সামগ্রী হিসেবে ফুটবল বিতরণ করা হয়। এ সময় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামপুরে ইউএনও’র দিনব্যাপী পরিদর্শন, শিক্ষা ও সেবার মান উন্নয়নে জোর

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত মেধাবী শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন

 মেধাবী শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন। উচ্চ শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন যুক্তরাষ্টে। সেখানে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা’তে পিএসডি করছিলেন তিনি। মা-বাবার বুকভরা আশা ছিল ছেলে উচ্চ শিক্ষার সার্টিফিকেট নিয়ে ফিরবেন দেশের মাটিতে। লিমন মা-বাবার কাছে ফিরেছেন ঠিকই, তবে নিথর দেহে, কফিনবন্দি হয়ে মৃত্যুর সার্টিফিকেট নিয়ে ।  জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামের জহুরুল হক ও লুৎফুন নেছা লতার দুই ছেলের মধ্যে লিমন বড়। উচ্চ শিক্ষার জন্য ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্টে যান তিনি। ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা’তে পিএসডি করাকালীন স্থানীয় শহরের একটি ভাড়াটে বাসা থেকে গত ১৬ এপ্রিল নিখোঁজ হন তিনি। এর ৮দিন পর অর্থ্যাৎ ২৬ এপ্রিল ওই শহরের একটি ব্রিজের নীচ থেকে লিমনের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। লিমনের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জে হলেও থাকতেন জন্ম থেকে শুরু করে লেখাপড়ার জীবন কাটে ঢাকার কেরানীগঞ্জে মা-বাবার সাথে।  সোমবার বিকাল সোয়া ৩ টায়  গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামে লিমনের মরদেহ পৌঁছে। শেষবারের মতো তাকে দেখতে  মুহূর্তের মধ্যে বাড়ীর আঙ্গিনায়  ।হাজারো মানুষ ভীড় জমে। এতে গ্রাম জুড়ে সৃষ্টি হয় শোকের আবহ। নিহতের চাচা সুজন মিয়া বলেন ভাতিজা লিমন অত্যন্ত মেধাবী ছিল। স্বপ্ন ছিল সে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আমাদের মুখ উজ্জল করবে।  স্থানীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা তৈয়ব আলী বলেন জহুরুল হক এর দুটি ছেলের মধ্যে বড় ছেলে জামিল আহমেদ লিমন ছিল ধর্মভিরু। এলাকার মানুষের প্রতি ছিল অগাধ ভালোবাসা।  এমন নৃশংস মৃত্যু আমরা এলাকাবাসী কেউ মেনে নিতে পারেনি।  তার এ মৃত্যুতে পুরো এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমেছে।   মা লুৎফুন্নেছা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, যে বিমানবন্দর থেকে উচ্চ শিক্ষার জন্য  ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম সে বিমানবন্দর থেকেই কফিনবন্দি  আদরের সন্তান  লিমনের লাশ গ্রহণ করতে হলো আমাদের।  বাবা জহুরুল হক আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, আমার দুই ছেলের মধ্যে লিমন বড়। ছোট বেলা থেকেই অনেক মেধাবী ছিল লিমন। অনেক স্বপ্ন নিয়ে জামিল আহমেদ লিমন কে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছিলাম উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে। সে  স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিনত হলো আমার। বাবা হয়ে বহন করতে হলো ছেলের লাশ। এর থেকে বড় দুঃখ আর কি আছে। নিহত লিমনের মর্মান্তিক এই মৃত্যৃ যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেননা মা-বাবা, স্বজন ও এলাকাবাসী। যুক্তরাষ্ট সরকারের কাছে লিমনের নৃশংস হত্যাকারীকে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন পরিবার ও নিহতের স্বজনরা।জানাজা নামাজে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, ইউএনও সুমন চৌধুরী, এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফর রহমান সহ প্রায় হাজারো মুসল্লিয়ানবৃন্দ। মাগরিবের নামাজের পর লালডোবা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা দাদির পাশে শায়িত করা হয় তাকে।

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত মেধাবী শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন

হজ পালন করতে গিয়ে সৌদিতে মাদারগঞ্জের শিক্ষকের মৃত্যু

পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে মারা গেছেন জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার এক প্রধান শিক্ষক। মৃত আব্দুল হাই বুলু (৬১) উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যান তিনি। পরে মদিনায় অবস্থানকালে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়।সোমবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে সৌদি আরবের কিং ফাহাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী ও হজসঙ্গী সমসাদ আরা রেবা।মরহুম আব্দুল হাই বুলু স্থানীয় বালিজুড়ী ফাজেল মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। শিক্ষকতা জীবনে তিনি এলাকায় সুনাম অর্জন করেছিলেন।পরিবার জানিয়েছে, জানাজা শেষে মদিনার ঐতিহাসিক বাকিউল গারকাদ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার মৃত্যুতে পরিবার, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

হজ পালন করতে গিয়ে সৌদিতে মাদারগঞ্জের শিক্ষকের মৃত্যু

এসএসসি কেন্দ্রে গাফিলতি: ভুল প্রশ্নপত্র ও ওএমআর জটিলতায় শিক্ষার্থীর ফল অনিশ্চিত

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় একটি এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে এক নিয়মিত পরীক্ষার্থীর ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ঘুঘুমারী এমএকেএইচএস কেন্দ্র (কোড-২৪৭)-এ, বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার দিন। অভিযোগ অনুযায়ী, মানবিক বিভাগের নিয়মিত পরীক্ষার্থী তহুরা জান্নাত ফাইজার হাতে ভুলবশত অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছু সময় পর বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবহিত করেন।পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে দিলেও তার উত্তরপত্রের ওএমআর শিট অপরিবর্তিত রাখা হয়। এতে সেট কোড ও অন্যান্য তথ্য অনিয়মিত সিলেবাস অনুযায়ী থেকে যাওয়ায় ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।ফাইজার বাবা মো. আসলাম ইকবাল বলেন, তার মেয়ে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও এমন ভুলের শিকার হয়েছে। প্রশ্ন সংশোধন করা হলেও ওএমআর ঠিক না করায় ফলাফল বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পরীক্ষার সার্বিক দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ওপর বর্তায়। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও সমাধান চান স্থানীয়রা, যাতে একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে না পড়ে।

এসএসসি কেন্দ্রে গাফিলতি: ভুল প্রশ্নপত্র ও ওএমআর জটিলতায় শিক্ষার্থীর ফল অনিশ্চিত

ঝাড়কাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঝাড়কাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (সকাল ১০টা) বিদ্যালয়ের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম। ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল্লাহেল গাফফার এরশাদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন প্রধান শিক্ষক শাহ মো. আনিছুর রহমান, সহকারী প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান বিএসসি, শরীরচর্চা শিক্ষক আক্কাস আলী, শিক্ষক মাহবুবুর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা। তাদের মধ্যে ছিলেন শামসুউদ্দিন, নুরুজ্জামান (নয়া), আনোয়ার হোসেন, মঞ্জুরুল ইসলাম, জুলফিকার আলী, বিদায়ী শিক্ষার্থী ফারহান শাহরিয়ার, আকাশ, আব্দুল্লাহ, দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জিহাদ এবং নবম শ্রেণির রিফাত রহমান।অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় এই বিদ্যালয় থেকে মোট ৪২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।শেষে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অবদান রাখা প্রয়াত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা, বর্তমান সংশ্লিষ্টদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু এবং পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ঝাড়কাটা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মুহতামিম নুরুল ইসলাম।

ঝাড়কাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচার, উপাচার্য-প্রক্টরের পদত্যাগ ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও ছাত্রদলের নেতাদের একটি প্ল্যাটফর্ম ‘সন্ত্রাস বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ’।শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বর থেকে বের হয়ে মশাল মিছিলটি কলাভবন, হলপাড়া, রেজিস্ট্রার ভবন ঘুরে ভিসি চত্বরে এসে শেষ হয়।এ সময় ‘সাম্য হত্যার বিচার চাই’, ‘ভিসি প্রক্টরের অনেক গুণ, নয় মাসে দুই খুন’, ‘আমার ভাই কবরে, প্রক্টর কেন চেয়ারে’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া দেন মিছিলকারীরা।১৩ মে রাত ১১টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতে আহত হন সাম্য। রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পরদিন সকালে সাম্যের বড় ভাই শরীফুল আলম শাহবাগ থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।সাম্য হত্যার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে।এতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো বিশ্লেষণ করছেন তারা। একই সঙ্গে কিছু কিছু বিষয়ে আরও স্বচ্ছতার জন্য আসামিদের পুনরায় তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই হত্যার কারণ উদঘাটন ও আসামিদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

নিয়ম ভেঙে জাবির ছাত্র হলে ছাত্রীর প্রবেশ

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছড়িয়ে পড়া ছবিতে ছাত্রীর সঙ্গে থাকা ছাত্ররা হলেন- এফএম প্রত্যয়, আমিনুল ইসলাম, সামিদুল ইসলাম এবং মো. রাশেদ। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২ ব্যাচের (২০২২-২৩ সেশন) বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী।ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ছাত্রীসহ তার দুই ছেলে বন্ধু একটি চৌকির উপর বসে আছেন। তাদের পেছনে একজন চৌকিতে শুয়ে আছেন। আরেকজন একটু সামনে এগিয়ে সেলফি তুলেছেন।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ ২০১৮-এর হল সংক্রান্ত বিধিমালার (ভ) এর (২) এ উল্লেখ করা আছে- ‘ছাত্রদের হলে প্রভোস্টের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো ছাত্রী/নারী প্রবেশ করতে পারবে না।’এছাড়া অধ্যাদেশের চতুর্থ ধারায় শাস্তি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের (ঘ)-তে বলা হয়েছে- ‘শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা অসদাচরণের জন্য একজন হল প্রভোস্ট তার হলের ছাত্র/ছাত্রীকে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার অথবা সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা জরিমানা করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় অথবা বহিষ্কারাদেশকে পর্যাপ্ত মনে না করলে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি উপাচার্যের নিকট প্রেরণ করবেন।’খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই ছাত্রী প্রাধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই ছাত্র হলে প্রবেশ করেছেন। এছাড়া ছবিতে থাকা অন্য ছাত্ররাও এ বিষয়ে কোনো অনুমতি নেননি। তবে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি গত বছরের অক্টোবর মাসের বলে দাবি করেছেন ছবিতে থাকা ব্যক্তিরা।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছবিতে থাকা শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসের। তখন নজরুল হল সদ্য চালু হয়েছে। আমরা নতুন রুমে উঠেছিলাম, তাই আমাদের এক বান্ধবীকে রুম দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। ছবিটি তোলা হয়েছিল হলের ৫২৭ নম্বর কক্ষের পঞ্চম তলায়।ছবিতে থাকা ছাত্রী বলেন, ছবিটি অনেক আগের। সম্ভবত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসের। তখন কাজী নজরুল ইসলাম হলটি অফিসিয়ালি চালু হয়নি। এমনকি হলে কোনো নিরাপত্তা প্রহরীও ছিল না। অনেকেই তখন হলে গিয়ে ছবি তুলেছিল। আমি সেদিন বন্ধুদের সঙ্গে গিয়েছিলাম, কিছুক্ষণ থেকে চলে এসেছি। আমার সঙ্গে আরও ৭-৮ জন বন্ধু ছিল; কিন্তু এখন হঠাৎ করে পুরোনো একটি ছবি ভাইরাল করে আমাকে টার্গেট করা হয়েছে। এটা এক ধরনের ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে বলেই আমি মনে করি। কেন হঠাৎ করে এখন এই ছবি ছড়ানো হলো, সেটা আমার জানা নেই।

নিয়ম ভেঙে জাবির ছাত্র হলে ছাত্রীর প্রবেশ

২ দফা দাবিতে আন্দোলনের ডাক এসএসসির ফল প্রত্যাশীদের

তাদের দুই দফার প্রথমটি হলো- লিখিত (তত্ত্বীয়) ও বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার নম্বর একসঙ্গে যোগ করে পাস-ফেল ও জিপিএ হিসাব করা এবং দ্বিতীয় দাবি সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা (ফল প্রকাশের কিছুদিন পরই ফেল করা বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া) চালু করা।চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত ১৩ মে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পার না হতেই আন্দোলনে নামছে যাচ্ছে তারা।দুই দফা দাবিতে আগামী রোববার (২৫ মে) শিক্ষা ভবনের (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর) সামনে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।দাবি-দাওয়ার সঙ্গে একমত পোষণকারী রাজধানীর একটি স্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শাহনেওয়াজ পারভেজ বলেন, ২০১৮ সালের আগে এসএসসিতে আলাদা আলাদা পাশ মার্কস ছিল না। এখন লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলেও এমসিকিউতে ফেল করলে তাকে ফেল দেওয়া হয়। এটা আমরা চাইছি না। আমরা চাই, দুইটা (লিখিত ও এমসিকিউ) মিলিয়ে পাশ-ফেল হিসাব করা হোক।সে আরও বলেছে, আমরা ২৫ মে সমাবেশ করব। শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি-দাওয়া জানাব। আশা করছি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড আমাদের দাবিগুলো মেনে নিয়ে এবার এসএসসির ফল প্রকাশ করবে।গত ১০ এপ্রিল এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নিতে ফরম পূরণ করেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত ১৩ মে।

২ দফা দাবিতে আন্দোলনের ডাক এসএসসির ফল প্রত্যাশীদের

ক্যাম্পাস ছাড়ছেন জাবি শিক্ষার্থীরা

বাড়ির উদ্দেশ্যে হল ছাড়ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী বিপুল রায়হান। দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফেরার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারা বছর ক্লাশ-পরীক্ষা আর অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে দম ফেলার সময় পাই না। ঈদ আর গরমের ছুটি মিলিয়ে এবার বাড়ি গিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারব, এটা ভাবতেই ভালো লাগছে।৫৩ ব্যাচের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া রহমান বলেন, এই প্রথম ঈদে এত লম্বা ছুটি পাচ্ছি। বন্ধুদের সঙ্গে বিদায় নিতে খারাপ লাগলেও পরিবারের কাছে যাওয়ার আনন্দটাই বেশি।গত ১৪ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রীষ্মকালীন ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ আগামী ২২ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।ছুটিতে হল বন্ধ থাকবে কিনা? জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, এবার হল ভ্যাকেন্ট দেওয়া হয়নি। তবে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে সন্ধ্যা ৬টার পর কাউকে হলের বাইরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হতে পারে।হল খোলা থাকলে ডাইনিং ও ক্যান্টিন খোলা থাকবে কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডাইনিং বন্ধ থাকবে তবে ক্যান্টিনের পরিচালক চাইলে ক্যান্টিন খোলা রাখতে পারবেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহম্মদ কামরুল আহসান জানান, যারা বিশেষ কারণে হলে অবস্থান করবেন, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সেবার ব্যবস্থা রাখা হবে।

ক্যাম্পাস ছাড়ছেন জাবি শিক্ষার্থীরা
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream