ঢাকা    রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা
 ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশে প্রীতি ম্যাচ খেলে, নেপথ্যে যে অর্থনীতি

ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশে প্রীতি ম্যাচ খেলে, নেপথ্যে যে অর্থনীতি

ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশে প্রীতি ম্যাচ খেলেপাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে আন্তর্জাতিক বিরতিতে ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি দেখা যায়। অস্ট্রেলিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়ে প্রীতি ম্যাচ খেলা যেন দলটির নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বিরতিতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। অস্ট্রেলিয়ায় দুটি ম্যাচ খেলার পর কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামে কার্লো আনচেলত্তির দল। এরপর আগামী নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে সিঙ্গাপুরে স্বাগতিক দল ও জাপানের বিপক্ষে আরও দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার সূচি রয়েছে।প্রশ্ন হলো—বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম জনপ্রিয় দল হয়েও ব্রাজিল কেন এত বেশি বিদেশে গিয়ে প্রীতি ম্যাচ খেলে?সংখ্যাতেই স্পষ্ট বিদেশমুখী প্রবণতাগত এক দশকের পরিসংখ্যান এ ক্ষেত্রে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বোলাভিআইপির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সাল থেকে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচসহ ব্রাজিল মোট ৪৭টি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলেছে।এর মধ্যে নিজেদের দেশে হয়েছে মাত্র চারটি ম্যাচ। বাকি ৪৩টি ম্যাচই খেলেছে বিদেশের মাটিতে। অর্থাৎ এ সময়ের প্রীতি ম্যাচের প্রায় ৯১ দশমিক ৫ শতাংশই ছিল দেশের বাইরে।তুলনায় উরুগুয়ের বিদেশে খেলা প্রীতি ম্যাচের হার ৮৫ দশমিক ৭ শতাংশ, আর্জেন্টিনার ৮০ দশমিক ৫ শতাংশ। ইউরোপের বড় দলগুলোর ক্ষেত্রে এই হার তুলনামূলকভাবে অনেক কম।মূল কারণ অর্থনীতিব্রাজিল ফুটবল দলের বিদেশ সফরের পেছনে সবচেয়ে বড় বিষয়গুলোর একটি হলো অর্থনীতি। ব্রাজিল শুধু একটি জাতীয় দল নয়, বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় একটি ফুটবল ব্র্যান্ড।ব্রাজিলকে নিজেদের দেশে নিয়ে একটি ম্যাচ আয়োজন করতে পারলে আয়োজকদের জন্য সেটি বড় বাণিজ্যিক আয়োজন হয়ে ওঠে। টিকিট বিক্রি, সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ, করপোরেট আতিথেয়তা, পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসা—সব মিলিয়ে একটি ম্যাচ ঘিরে বড় অঙ্কের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তৈরি হয়।অন্যদিকে, ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনও এমন ম্যাচ থেকে অ্যাপিয়ারেন্স ফি ও অন্যান্য বাণিজ্যিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পায়।কলকাতার ম্যাচে বিপুল ব্যয়ের হিসাবভারতের কলকাতায় ব্রাজিলের সাম্প্রতিক ম্যাচটি এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। ‘মিন্ট’-এর প্রতিবেদনের বরাতে প্রথম আলো জানিয়েছে, ম্যাচটি আয়োজনের জন্য প্রায় ৫০ কোটি ভারতীয় রুপির বাজেট ধরা হয়েছিল।এর মধ্যে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনকে অ্যাপিয়ারেন্স ফি হিসেবে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ কোটি রুপি দেওয়ার কথা ছিল। প্রায় ৯০ সদস্যের ব্রাজিল দলের চার্টার্ড ফ্লাইটের পেছনে আরও প্রায় ৬ কোটি রুপি খরচ হতে পারে বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে এগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন বা ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন নিশ্চিত করেনি। ফলে সংখ্যাগুলোকে প্রকাশিত হিসাব বা অনুমান হিসেবেই দেখা হচ্ছে।বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও অর্থ ছিল বড় প্রশ্নআগস্টের শেষ দিকে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসেছিল। তারা জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শনের পাশাপাশি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেন।ওই সময় ৫ বা ৬ অক্টোবর বাংলাদেশে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার প্রস্তাবও দিয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু দলটির সফর আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থের সংস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ইতিবাচক সাড়া দেয়নি।বাংলাদেশ প্রস্তাবে সম্মতি দিলে ভারত সফরের পর ব্রাজিলের ঢাকায় আসার কথা ছিল।ব্রাজিলকে ঘিরে পর্যটনও বড় বিষয়বিদেশে ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজন শুধু ফুটবলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয় না। আয়োজক দেশগুলো এটিকে পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতির জন্যও ব্যবহার করে।সাম্প্রতিক অস্ট্রেলিয়া সফর তার উদাহরণ। কুইন্সল্যান্ডে ব্রাজিলের দুটি ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল পর্যটন, স্থানীয় ব্যবসা ও কর্মসংস্থানে অর্থনৈতিক সুবিধা তৈরির লক্ষ্যেও।প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই সিরিজের ৯০ শতাংশের বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছিল এবং টিকিটধারীদের বড় একটি অংশ আয়োজক অঞ্চলের বাইরের দর্শক ছিলেন। ফলে ম্যাচের সঙ্গে হোটেল, যাতায়াত, খাবার ও অন্যান্য পর্যটনসংশ্লিষ্ট খাতও লাভবান হওয়ার সুযোগ পায়।ইউরোপের বড় দলগুলো কেন ভিন্নব্রাজিলের সঙ্গে ইউরোপের বড় দলগুলোর আন্তর্জাতিক সূচিতে একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ইউরোপের দলগুলো ফিফা উইন্ডোর বড় অংশে উয়েফা নেশনস লিগ, ইউরো বা ইউরোর বাছাইপর্বের মতো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলে।ফলে তাদের জন্য অতিরিক্ত প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম।২০১৭ সাল থেকে ইতালি তাদের প্রায় ৬৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ বিদেশে খেলেছে। স্পেনের ক্ষেত্রে হার ৩৬ শতাংশ, জার্মানির ৩৪ দশমিক ২, ইংল্যান্ডের ২৫ এবং ফ্রান্সের মাত্র ১৭ দশমিক ২ শতাংশ।দক্ষিণ আমেরিকার বাস্তবতা আলাদাদক্ষিণ আমেরিকায় ইউরোপের মতো নেশনস লিগ নেই। ফলে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মতো দলগুলোর আন্তর্জাতিক সূচিতে প্রীতি ম্যাচের জায়গা তুলনামূলকভাবে বেশি।এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তাদের বিশাল বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা। ইউরোপ, এশিয়া, উত্তর আমেরিকা কিংবা অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন আয়োজক ব্রাজিলের মতো দলকে নিজেদের দেশে খেলাতে আগ্রহী। ফলে বাণিজ্যিকভাবে আকর্ষণীয় প্রস্তাব এলে বিদেশ সফরের সুযোগ তৈরি হয়।মাঠের প্রস্তুতিতেও কাজে লাগেবিদেশে প্রীতি ম্যাচ খেলার আরেকটি সুবিধা হলো দল গঠনের সুযোগ। প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের চাপ ছাড়াই কোচ নতুন খেলোয়াড়কে পরীক্ষা করতে পারেন এবং কৌশলে পরিবর্তন আনতে পারেন।অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সাম্প্রতিক দুটি ম্যাচ এবং ভারতের বিপক্ষে কলকাতার ম্যাচেও ব্রাজিলের একাদশে একাধিক পরিবর্তন দেখা গেছে। এতে দলের বিভিন্ন খেলোয়াড়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরখ করার সুযোগ তৈরি হয়।ব্রাজিলের নামই বড় বাণিজ্যিক সম্পদসবশেষে বিষয়টি দাঁড়ায় ব্রাজিলের বৈশ্বিক ফুটবল ব্র্যান্ডের কাছে। পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী এই দলকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ, তারকা খেলোয়াড়দের জনপ্রিয়তা এবং স্পনসরদের আগ্রহ—সব মিলিয়ে একটি প্রীতি ম্যাচও বড় বাণিজ্যিক ইভেন্টে পরিণত হতে পারে।তাই ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচের মানচিত্রে এখন শুধু রিও ডি জেনেইরো বা সাও পাওলোর মতো শহর নয়; কলকাতা, টাউনসভিল, ব্রিসবেন ও সিঙ্গাপুরের মতো শহরও জায়গা করে নিচ্ছে।অর্থাৎ, বিদেশে ব্রাজিলের ঘন ঘন প্রীতি ম্যাচ খেলার পেছনে শুধু ফুটবলীয় কারণ নয়—এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আন্তর্জাতিক বাজার, বাণিজ্যিক আয়, পর্যটন এবং দলের প্রস্তুতির সমন্বিত হিসাব।

ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯–২ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ

ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯–২ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে ৯–২ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ।প্রথমার্ধেই ছয় গোল হজম করে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে আরও তিন গোলের মধ্যে বাংলাদেশ একটি গোল করলেও শেষ পর্যন্ত ৯–২ ব্যবধানের হার এড়াতে পারেনি। বাংলাদেশের হয়ে গোল করেন শাহরিয়ার ইমন ও ফারহান আলী ওয়াহিদ। ইন্দোনেশিয়ার হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে একাই পাঁচ গোল করেন মিচেল লি বেকার।শুরু থেকেই ইন্দোনেশিয়ার দাপটম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশ কিছুটা সংগঠিতভাবে খেললেও দ্রুতই আক্রমণের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। ১১ মিনিটে ওলে রোমেনির পাস থেকে গোল করে ইন্দোনেশিয়াকে এগিয়ে দেন মিচেল লি বেকার।২০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ২–০ করেন বেকার। এরপর ৩২ মিনিটে রিজকি রিদোর গোলে ইন্দোনেশিয়া ৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।ইমনের গোলে ব্যবধান কমাল বাংলাদেশ৩৬ মিনিটে বাংলাদেশ একটি গোল শোধ করে। সুকি ইতোফুসার ক্রস থেকে হেডে বল জালে পাঠান শাহরিয়ার ইমন। ম্যাচে এটিই ছিল বাংলাদেশের প্রথম গোল।তবে গোল পাওয়ার আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। এক মিনিট পরই আবার গোল করেন বেকার। ৪২ মিনিটে নিজের চতুর্থ গোল করে প্রথমার্ধেই ব্যক্তিগতভাবে চার গোল পূর্

ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯–২ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ

বিকেলে মাঠে নামছে ব্রাজিল, মোবাইলে দেখবেন যেভাবে

বিকেলে মাঠে নামছে ব্রাজিল, মোবাইলে দেখবেন যেভাবেবিশ্বকাপের পর প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এবার একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামছে কার্লো আনচেলত্তির দল।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় ব্রিসবেনের সানকর্প স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ম্যাচে জয় না পাওয়ায় এবার জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে ব্রাজিল। ম্যাচটি ব্রাজিলের জন্য বিশ্বকাপ-পরবর্তী পুনর্গঠন ও নতুন খেলোয়াড়দের পরখ করার অংশ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।মোবাইলে দেখবেন যেভাবেবাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হতে যাওয়া ম্যাচটির আন্তর্জাতিক সম্প্রচার-তালিকায় বাংলাদেশের জন্য Sony LIV-এর তথ্য রয়েছে। ফলে মোবাইল বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ম্যাচটি দেখার সুযোগ থাকতে পারে। তবে অঞ্চলভেদে সম্প্রচার স্বত্ব ও প্ল্যাটফর্মের প্রাপ্যতা পরিবর্তিত হতে পারে।একাদশে আসতে পারে বড় পরিবর্তনঅস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি দলীয় কৌশলেও পরীক্ষা চালানোর কথা রয়েছে।প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের একাদশে ছিলেন হুগো সুজা, মাতেউজিনিও, মার্কিনিয়োস, ভিতর রেইস, দগলাস সান্তোস, দানিলো সান্তোস, ব্রুনো গিমারায়েস, রাফিনিয়া, এস্তেভাও, এনদ্রিক ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।দ্বিতীয় ম্যাচের আগে অনুশীলনে আনচেলত্তি বেশ কিছু নতুন সমন্বয় নিয়ে কাজ করেছেন। নতুনদের সুযোগ দিয়ে দলের ভারসাম্য ও কৌশল পরখ করাই এর অন্যতম লক্ষ্য বলে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমে এসেছে।প্রথম ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে ড্র২৫ সেপ্টেম্বর টাউনসভিলে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল। পরে ম্যাচের শেষ দিকে রায়ানের গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। ফলে দুই দলের প্রথম ম্যাচটি ১-১ গোলে শেষ হয়।এরপর দুই দল দ্বিতীয়বার মুখোমুখি হচ্ছে ব্রিসবেনে। ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তি এই ম্যাচেও দলের নতুন খেলোয়াড়দের পরীক্ষা ও কৌশলগত পরিবর্তনের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।তরুণদের সুযোগ দিতে চান আনচেলত্তিবিশ্বকাপ-পরবর্তী সময়ে ব্রাজিল দলে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন আনচেলত্তি। এবারের দলে একাধিক নতুন মুখ রয়েছে এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচেই তাদের পরখ করার সুযোগ পাচ্ছে ব্রাজিল।অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের পর ৩ অক্টোবর কলকাতায় ভারতের বিপক্ষেও একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল।

বিকেলে মাঠে নামছে ব্রাজিল, মোবাইলে দেখবেন যেভাবে

সিটির সম্ভাব্য শাস্তিতে বদলে যেতে পারে হলান্ডের ভবিষ্যৎ

সিটির সম্ভাব্য  যেতে পারে হলান্ডের ভবিষ্যৎম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগের বিচারপ্রক্রিয়া ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে প্রথম আলো জানিয়েছে, সিটির বিরুদ্ধে আনা ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতে ক্লাবটিকে দায়ী করা হয়েছে।তবে সিটির বিরুদ্ধে কী শাস্তি দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়নি। সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্লাবটি আপিল করতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এ পরিস্থিতিতে ম্যানচেস্টার সিটির অন্যতম প্রধান তারকা আর্লিং হলান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।২০৩৪ সাল পর্যন্ত সিটির সঙ্গে চুক্তি২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি নতুন চুক্তি করেন হলান্ড। চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৪ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত ক্লাবটির সঙ্গে থাকার কথা তাঁর।নতুন চুক্তিতে সই করার সময় হলান্ড জানিয়েছিলেন, সিটিতে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া তাঁর জন্য কঠিন ছিল না। ক্লাবটির বিরুদ্ধে চলমান আর্থিক অভিযোগের বিষয়েও তিনি অবগত ছিলেন বলে জানিয়েছিলেন।তবে বর্তমানে সিটির সম্ভাব্য শাস্তির ধরনই হলান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।শাস্তির ধরন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেসিটির বিরুদ্ধে যদি জরিমানা বা পয়েন্ট কর্তনের মতো শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে পরিস্থিতি এক ধরনের হতে পারে। কিন্তু শাস্তি যদি আরও কঠোর হয় এবং এর ফলে ক্লাবটি প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমনের মুখে পড়ে, তাহলে খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।হলান্ডের বর্তমান চুক্তিতে অবনমনের ক্ষেত্রে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাব ছাড়তে পারবেন—এমন কোনো নির্দিষ্ট রিলিজ ক্লজ রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।স্কাই স্পোর্টসের আগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, হলান্ডের পুরোনো চুক্তিতে থাকা রিলিজ ক্লজগুলো নতুন চুক্তিতে রাখা হয়নি। তবে অবনমনের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ব্যবস্থা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই।ফলে সিটি অবনমিত হলে হলান্ড নিশ্চিতভাবেই ক্লাব ছাড়বেন—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার সুযোগ নেই। একইভাবে তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতেই সিটিতে থাকবেন, সেটিও এখন নিশ্চিত নয়।আলোচনায় রিয়াল, বার্সা ও পিএসজিসিটির সম্ভাব্য বড় শাস্তির বিষয়টি সামনে আসার পর ইউরোপের কয়েকটি শীর্ষ ক্লাবের সঙ্গে হলান্ডের নাম নতুন করে আলোচনায় এসেছে।এর মধ্যে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। সিটিতে যোগ দেওয়ার আগেও হলান্ডকে নিয়ে রিয়ালের আগ্রহের খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে বর্তমানে রিয়ালের আক্রমণভাগে কিলিয়ান এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও জুড বেলিংহামের মতো গুরুত্বপ

 সিটির সম্ভাব্য শাস্তিতে বদলে যেতে পারে হলান্ডের ভবিষ্যৎ

আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড: ইতিহাসের প্রতিটি লড়াই কেন এত আলোচিত

ফুটবল বিশ্বে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়া ম্যাচের সংখ্যা খুব বেশি নয়। তবুও দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা অন্যতম আলোচিত। কারণ, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে জন্ম নিয়েছে এমন কিছু ঘটনা, যা ফুটবল ইতিহাসে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। ১৯৬৬ বিশ্বকাপের বিতর্কিত বহিষ্কার থেকে শুরু করে ১৯৮৬ সালের ‘হ্যান্ড অব গড’ কিংবা ১৯৯৮ সালে ডেভিড বেকহামের লাল কার্ড—প্রতিটি অধ্যায়ই এই দ্বৈরথকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে দুই দলের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক আন্তোনিও রাতিনকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন রেফারি। ভাষাগত সমস্যার কারণে তিনি সিদ্ধান্ত বুঝতে না পেরে দীর্ঘ সময় মাঠে অবস্থান করেন। পরে তাঁকে সরাতে নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তা নিতে হয়। সেই বিতর্কের পর ফুটবলে হলুদ ও লাল কার্ড চালুর ধারণা আরও জোরালো হয়। ১৯৭৭ সালে একটি প্রীতি ম্যাচেও উত্তেজনা চরমে ওঠে। আর্জেন্টিনার দানিয়েল বার্তোনি ও ইংল্যান্ডের ট্রেভর চেরির সংঘর্ষের ঘটনায় দুজনই লাল কার্ড দেখেন। সেই ম্যাচে চেরির দুটি দাঁতও ভেঙে যায়, যা ম্যাচটিকে দীর্ঘদিন আলোচনায় রেখেছে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ডেভিড বেকহামের লাল কার্ড এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা। ডিয়েগো সিমিওনের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বেকহাম মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। ১০ জন নিয়েও ইংল্যান্ড ম্যাচকে টাইব্রেকারে নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত জয় পায় আর্জেন্টিনা। চার বছর পর ২০০২ বিশ্বকাপে আবারও মুখোমুখি হয় দুই দল। সে ম্যাচে পেনাল্টি থেকে ডেভিড বেকহামের করা একমাত্র গোলে জয় পায় ইংল্যান্ড। তবে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিয়ে পরে বিতর্ক তৈরি হয় এবং আর্জেন্টিনা শিবির থেকে সেই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা হয়। তবে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত নিঃসন্দেহে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ। কোয়ার্টার ফাইনালে ডিয়েগো ম্যারাডোনা প্রথমে হাত দিয়ে করা বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল করেন। এরপর কয়েক মিনিটের মধ্যেই একক নৈপুণ্যে অসাধারণ আরেকটি গোল করে আর্জেন্টিনাকে ২–১ ব্যবধানে জিতিয়ে দেন। পরবর্তীতে সেই গোলটি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বছরের পর বছর ধরে নানা বিতর্ক, নাটকীয়তা ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের কারণে আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড লড়াই শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিণত হয়েছে।

আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড: ইতিহাসের প্রতিটি লড়াই কেন এত আলোচিত

৯০ শতকের লাঠিবাঠি খেলা ফিরলো মহিষবাথান পূর্বপাড়ায়

মহিষবাথান পূর্বপাড়ার মাঠে ৯০ শতকের ঐতিহ্যবাহী লাঠিবাঠি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক লাঠিয়াল লাঠি হাতে খেলার কৌশল প্রদর্শন করছেন, আর দুইজন খেলোয়াড় বসে অনুশীলন করছেন। দর্শক হিসেবে উপস্থিত আছেন স্থানীয় তরুণ ও প্রবীণরা।এই লাঠিবাঠি খেলার উদ্দেশ্য ছিল গ্রামীণ ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং তরুণ প্রজন্মকে দেশীয় খেলার প্রতি আগ্রহী করা। খেলাটি শারীরিক কসরতের পাশাপাশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, লাঠিবাঠি খেলা একসময় গ্রামে গ্রামে জনপ্রিয় ছিল। আধুনিক খেলার ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া এই খেলাকে ফিরিয়ে আনা সময়ের দাবি।

৯০ শতকের লাঠিবাঠি খেলা ফিরলো মহিষবাথান পূর্বপাড়ায়

নেইমারকে ঘিরে ব্রাজিল দলে নতুন দুশ্চিন্তা

দীর্ঘ সময় ইনজুরির সঙ্গে লড়াই করার পর মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার Neymar। তবে ফের নতুন করে চোটের সমস্যায় পড়ায় তাকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে ব্রাজিল ফুটবল দলে।সাম্প্রতিক অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি এই তারকা ফরোয়ার্ড। জানা গেছে, পায়ের কাফ মাংসপেশিতে অস্বস্তি ও ফোলাভাব অনুভব করায় তাকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে। বিষয়টি প্রথমে গুরুতর মনে না হলেও চিকিৎসকরা এখন সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।নেইমারের শারীরিক অবস্থার কারণে তার ক্লাব Santos FC–এর আসন্ন ম্যাচগুলোতে খেলা নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। একই সঙ্গে সামনে থাকা আন্তর্জাতিক সূচি ও বিশ্বকাপ প্রস্তুতি নিয়েও ভাবতে হচ্ছে ব্রাজিল দলকে।ব্রাজিল জাতীয় দলের নতুন কোচ Carlo Ancelotti অবশ্য এখনই হতাশ নন। তিনি ও দলের মেডিকেল বিভাগ নেইমারের ফিটনেস নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। পরিস্থিতি বুঝে তাকে ধীরে ধীরে মাঠে ফেরানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।এদিকে নেইমার পুরোপুরি সুস্থ হতে বেশি সময় নিলে বিকল্প খেলোয়াড়দের প্রস্তুত রাখার কাজও শুরু করেছে ব্রাজিল টিম ম্যানেজমেন্ট। তরুণ কয়েকজন আক্রমণভাগের ফুটবলারকে নিয়ে ইতোমধ্যে আলাদা পরিকল্পনা করা হচ্ছে।বিশ্বকাপের আগে নেইমারের ফিটনেস এখন ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডকে ঘিরেই এখনও অনেকটা নির্ভর করছে সেলেসাওদের আক্রমণভাগের কৌশল।

নেইমারকে ঘিরে ব্রাজিল দলে নতুন দুশ্চিন্তা

নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে যাচ্ছে না পাকিস্তান, সাফ নারী ফুটবলেও অনুপস্থিতি

নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য বিভিন্ন ক্রীড়া আসর থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে পাকিস্তান। এর ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় নারী ফুটবল প্রতিযোগিতা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও অংশ নিচ্ছে না দেশটি।আগামী ২৫ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত ভারতের গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আয়োজক দেশ ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দলগুলো অংশ নিলেও পাকিস্তান এই আসরে থাকছে না।বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে নিজেদের সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ। ফলে এবারের প্রতিযোগিতা ছয়টি দল নিয়ে আয়োজন করা হবে। ইতোমধ্যে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ড্রয়ে অংশ নেওয়া দলগুলোকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি গ্রুপে রয়েছে তিনটি করে দল।এই আসরে স্বাগতিক ভারতের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপ। পাকিস্তানের অনুপস্থিতি টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতামূলক দিক কিছুটা প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বিশেষ করে পাকিস্তানের নারী ফুটবল দলের জন্য এটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হলো তাদের।উল্লেখ্য, এর আগেও ভারতে অনুষ্ঠিত কয়েকটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টে অংশ নেয়নি পাকিস্তান। গত নভেম্বরে তামিলনাড়ুতে আয়োজিত জুনিয়র হকি বিশ্বকাপ এবং রাজগীরে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছিল তারা। নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে ভারত এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ পাঁচবার শিরোপা জিতেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে।

নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে যাচ্ছে না পাকিস্তান, সাফ নারী ফুটবলেও অনুপস্থিতি

প্রিমিয়ার লিগেও সেরার মুকুট পরলেন সালাহ

লিভারপুলের শিরোপা জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রেখে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হলেন মোহামেদ সালাহ। এর আগে ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভোটে ইংলিশ ফুটবলের বর্ষসেরা নির্বাচিত হয়েছেন এই মিসরীয় ফরোয়ার্ড।২০২৪-২৫ প্রিমিয়ার লিগের এখনো শেষ রাউন্ড বাকি। তবে এর আগেই শনিবার (২৪ মে) মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় হিসাবে সালাহর নাম জানিয়ে দিল লিগ কর্তৃপক্ষ।নতুন কোচ আর্নে স্লটের অধীনে এবার চার ম্যাচ বাকি থাকতে প্রিমিয়ার লিগের রাজত্ব পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করে লিভারপুল। দলের সাফল্যে নিয়মিত গোল করে এবং করিয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন সালাহ। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২৮ গোল করার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ১৮টি গোল বানিয়ে দিয়েছেন তিনি।রোববার (২৫ মে) মৌসুমের শেষ ম্যাচে ঘরের মাঠে ক্রিস্টাল প্যালেসের মুখোমুখি হবে লিভারপুল। শেষ রাউন্ডে নাটকীয় কিছু না হলে চতুর্থবার গোল্ডেন বুট জিতে আর্সেনাল কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরির রেকর্ড স্পর্শ করবেন সালাহ।

প্রিমিয়ার লিগেও সেরার মুকুট পরলেন সালাহ
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream