ঢাকা    রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা

জন দুর্ভোগ

জটিয়াপাড়া-মহিষবাথান সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে আ.লীগের ১৭ বছরের লুটপাটের জীবন্ত সাক্ষী এই রাস্তা

জটিয়াপাড়া-মহিষবাথান সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে আ.লীগের ১৭ বছরের লুটপাটের জীবন্ত সাক্ষী এই রাস্তা

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার জটিয়াপাড়া থেকে মহিষবাথান যাওয়ার প্রধান পাকা সড়কের বেহাল দশা আজ আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৭ বছরের উন্নয়নের ফাঁকা বুলির মুখোশ খুলে দিয়েছে। পাকা রাস্তার নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের বাস্তব প্রমাণ এই সড়কটি।নামে পাকা রাস্তা হলেও বাস্তবে এটি এখন মরণফাঁদ। পুরো সড়ক জুড়ে বড় বড় গর্ত, পিচ উঠে গিয়ে ইট-সুরকি বের হয়ে আছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি আর কাদায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন হাজারো মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক ও রোগীবাহী ভ্যান চলাচল করে চরম ঝুঁকি নিয়ে।স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের আমলে এই রাস্তার নামে বারবার বরাদ্দ দেখানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ঠিকাদার ও দলীয় নেতাদের পকেট ভারী করতেই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে দায়সারা কাজ করা হয়েছে। ১৭ বছরে পাকা রাস্তার নামে যে লুটপাট হয়েছে, জটিয়াপাড়া-মহিষবাথান সড়ক তার জ্বলন্ত উদাহরণ।এলাকাবাসীর প্রশ্ন - উন্নয়নের গল্প শোনানো হলেও এই রাস্তার টাকা গেল কোথায়? এই ভোগান্তির দায় কে নেবে?অবিলম্বে এই লুটপাটের তদন্ত ও রাস্তাটি নতুন করে পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

ঝাউগড়ায় জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কে মরণফাঁদ, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের মেলান্দহ টু হাজিপুর জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মানকি থেকে পশ্চিম ঝাউগড়ার মাঝপথে সেতুর উত্তর পার্শ্বে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।প্রায় ১৫ দিন ধরে এই গর্তটি এভাবেই পড়ে আছে। যার ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে শত শত যানবাহন ও পথচারী। রাতে চলাচলের সময় যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর দৃঢ় বিশ্বাস, উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দ্রুতই এর সমাধান হবে।

ঝাউগড়ায় জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কে মরণফাঁদ, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

মাদারগঞ্জে প্রচণ্ড দাবদাহে ঘনঘন লোডশেডিং, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন

তীব্র ও প্রচণ্ড দাবদাহে যখন জামালপুরের মাদারগঞ্জের জনজীবন ওষ্ঠাগত, ঠিক তখনই উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে ঘনঘন লোডশেডিং। গরম আর বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। দিনে রোদ, রাতে অন্ধকার — দুই বেলাই দুর্ভোগ।দিনের বেলা তীব্র গরম থেকে বাঁচতে মানুষ গাছের নিচে আশ্রয় নিচ্ছেন। আর দিনভর গরমের পর রাতে একটু স্বস্তির ঘুমের আশায় বিছানায় গেলেই শুরু হচ্ছে লোডশেডিং। কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন এলাকায় বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা জানান, বিদ্যুৎ এলেও তা এক ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয় না। কখন যাবে আর কখন আসবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই। ফলে এই অসহনীয় গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরা। প্রচণ্ড গরমে বাসা-বাড়িতে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা।বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় এলাকার মোবাইল টাওয়ারগুলো সচল থাকছে না। ফলে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবার মান মারাত্মকভাবে কমে গেছে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করতেও চরম বিড়ম্বনায় পড়ছেন গ্রাহকরা।স্থানীয় এক ক্ষুব্ধ গ্রাহক বলেন, “রাতের প্রশান্তির ঘুম যেন এখন লোডশেডিংয়ের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও নেটওয়ার্কের এই অবস্থা আমাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।”  মাদারগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্তৃপক্ষ জানায়, মাদারগঞ্জে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাওয়ায় লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।এলাকার সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এই ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দ্রুত কার্যকর সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

মাদারগঞ্জে প্রচণ্ড দাবদাহে ঘনঘন লোডশেডিং, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন

যমুনা সেতুতে বড় সংস্কার, বাড়ছে যান চলাচলের সক্ষমতা

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো যমুনা সেতুকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেতুর অব্যবহৃত রেল লেনকে যান চলাচলের উপযোগী করার পাশাপাশি মূল কাঠামোর সক্ষমতা বাড়াতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শুরু হচ্ছে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ।এ লক্ষ্যে বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং চীনের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভির মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা চুক্তিতে সই করেন।বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং চীনা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ওয়াং বিনকোয়িং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।সভাপতির বক্তব্যে সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, যমুনা সেতুর বিদ্যমান সড়ক অংশ আরও প্রশস্ত করা হবে এবং রেল সংযোগ আলাদা হওয়ার পর অব্যবহৃত থাকা রেল লেন সংস্কার করে সাধারণ যান চলাচলের জন্য চালু করা হবে।তার মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সেতুর যানবাহন বহন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সেতুর দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংস্কার কাজ শেষ হলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে। পাশাপাশি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

যমুনা সেতুতে বড় সংস্কার, বাড়ছে যান চলাচলের সক্ষমতা

মাদারগঞ্জে মহাসড়কের পাশে ময়লার স্তূপ, কোটি টাকার ডাম্পিং স্টেশন অকেজো

জামালপুরের মাদারগঞ্জে মহাসড়কের পাশে বছরের পর বছর ধরে ময়লার স্তূপ জমে আছে। দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। অথচ প্রায় ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক ডাম্পিং স্টেশনটি চালুই হয়নি।মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাদারগঞ্জ-জামালপুর মহাসড়কের বালিজুড়ী বাজারের ফার্নিচার মোড়ের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রতিদিন বাজারের ময়লা এখানেই ফেলছেন। অপরিকল্পিতভাবে ময়লা ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আশপাশের গাছপালা, পশুপাখি ও বাসিন্দারা।মাদারগঞ্জ পৌরসভার শুভগাছা এলাকায় ২০২১-২ অর্থবছরে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে একটি ডাম্পিং স্টেশন কাম বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৮৫ লাখ ৬৫ হাজার ২৪৭ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স লাবনী কনস্ট্রাকশন ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করে।স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুর ও রবিউল জানান, প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার দুই বছর পার হলেও এখানে একদিনের জন্যও ময়লা আনা হয়নি। জৈব সার উৎপাদনও শুরু হয়নি। বর্তমানে ভেতরে ভুট্টা শুকানো হচ্ছে। আগে এখানে বহিরাগতরা আড্ডা দিত, নেশা করত। গেটে তালা দেওয়ার পর থেকে জায়গাটি সুরক্ষিত আছে।স্থানীয় শিক্ষক খালেদুজ্জামান মনি তালুকদার বলেন, আগে এখানে ময়লার স্তূপ ছিল। এলাকার যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক পরিষ্কার করার পর থেকে যাতায়াত স্বাভাবিক হয়েছে। তিনি সরকারের কাছে ডাম্পিং স্টেশনটি দ্রুত চালুর দাবি জানান।ভুট্টার মালিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গত ৫ আগস্ট কিছু লোক ভাঙচুর করতে এসেছিল। আমি বাধা দেওয়ায় তারা ২-৩টি পাইপে আগুন লাগিয়ে চলে যায়। এক মাস ধরে গেটে তালা দেওয়ার পর জায়গাটি এখন নিরাপদ আছে।মাদারগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, তিন পৌরসভা প্রকল্পের আওতায় ২০২১-২২ অর্থবছরে ৮০ লাখ ৬৫ হাজার ২৪৭ টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করা হয়। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল পৌরসভার বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে জৈব সার তৈরি করা।মাদারগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক সুমন চৌধুরী বলেন, ডাম্পিং স্টেশনটি হস্তান্তর করা হলেও সংশ্লিষ্ট কোনো কাগজপত্র আমরা পাইনি। এটি চালাতে কারিগরি সহায়তা ও জনবল দরকার। কীভাবে কাজ করে তাও কেউ জানে না। দীর্ঘদিন ধরে এটি অকেজো পড়ে আছে। আমরা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে কাগজপত্র চেয়েছি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাব।স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ডাম্পিং স্টেশনটি চালু করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছে।

মাদারগঞ্জে মহাসড়কের পাশে ময়লার স্তূপ, কোটি টাকার ডাম্পিং স্টেশন অকেজো

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে: ত্রাণমন্ত্রী

লালমনিরহাটে আয়োজিত এক চাকরি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব জানিয়েছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কার্যক্রম খুব শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এ প্রকল্পে চীন অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।সোমবার (১১ মে) দুপুরে জেলা স্টেডিয়াম মাঠে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের উদ্যোগে আয়োজিত চাকরি মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরকে কেন্দ্র করে তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি আশা করা হচ্ছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নির্বাচিত সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগোবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হচ্ছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে: ত্রাণমন্ত্রী

মাদারগঞ্জ টু সারিয়াকান্দি দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের দাবীতে মাদারগঞ্জে মানববন্ধন

বগুড়ার সারিয়াকান্দি টু জামালপুরের মাদারগঞ্জ নৌপথের পরিবর্তে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের দাবীতে মাদারগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শনিবার বেলা ১১ টায় বালিজুড়ী বাজার চৌরাস্তা মোড়ে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মাদারগঞ্জ এবং সারিয়াকান্দি  প্রায় ৫ লক্ষাধিক ভোটারদের যাতায়াতের নদীপথে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবী দুই উপজেলাবাসীর। মাদারগঞ্জ  উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মঞ্জুর কাদের বাবুল খান এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন  মাদারগঞ্জ পৌর বিএনপি সভাপতি আব্দুল গফুর, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন,  সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল মান্নান, বেলাল হোসেন,  সাবেক পৌর মেয়র মোশারফ হোসেন লেমন তালুকদার,  পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক খালেদ মাসুদ তালুকদার সোহেল, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ মজনু ফকির, সারিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামল মাহমুদ, মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোখলেছুর রহমান মুখলেস, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান সাকু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফরহাদ হোসেন, মাদারগঞ্জ শিক্ষক/কর্মচারী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মিষ্টার বিএসসি, ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম সোনা মোল্লা ও মাফিজুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান টুটুল সহ ব্যবসায়ী,শিক্ষার্থী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।বক্তারা বলেন মাদারগঞ্জ ও সারিয়াকান্দিবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি মাদারগঞ্জের জামথল ঘাট টু সারিয়াকান্দির কালিতলা ঘাট পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু চাই।  দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ হলে অর্থনৈতিক,ব্যবসায়িক,সামাজিকভাবে সচল হবে দুই উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা।

মাদারগঞ্জ টু সারিয়াকান্দি দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের দাবীতে মাদারগঞ্জে মানববন্ধন

শাপলা ট্র্যাজেডি তদন্তে স্বাধীন কমিশনের দাবি

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান শাপলা চত্বরের ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত ঘটনাকে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক অধ্যায় উল্লেখ করে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।মঙ্গলবার (৫ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাজধানীর শাপলা চত্বরে সংঘটিত প্রাণহানির ঘটনার প্রকৃত চিত্র জাতির সামনে তুলে ধরতে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন গঠন জরুরি। একইসঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।ডা. শফিকুর রহমানের ভাষ্য, শাপলা চত্বরের ওই ঘটনা শুধু একটি সহিংস অভিযানই ছিল না, বরং তা মানবতা, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি এক গভীর বেদনাময় অধ্যায়। ধর্মপ্রাণ মানুষের ওপর পরিচালিত সেই অভিযানের স্মৃতি এখনো জাতির বিবেককে নাড়া দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, ঘটনার এত বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ বিচার সম্পন্ন না হওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচারহীনতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও মতপ্রকাশের অধিকার নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকার দমনে শক্তি প্রয়োগ ও প্রাণহানির মতো ঘটনা কখনো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সত্য উদঘাটন, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি।

শাপলা ট্র্যাজেডি তদন্তে স্বাধীন কমিশনের দাবি

রোহিঙ্গা সহায়তা কমায় উদ্বেগ

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট, আন্তর্জাতিক অর্থায়ন, শরণার্থী শিবিরের অবস্থা এবং প্রত্যাবাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যার ঘনত্ব ও সীমিত সম্পদের দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় তাদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণে চাপ বাড়ছে।তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা সহায়তায় তাদের অর্থ বরাদ্দ প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ও বাড়তি সহায়তা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন বলেন, সীমিত জায়গায় বিপুলসংখ্যক মানুষের বসবাসে শরণার্থীরা নানামুখী সংকটে রয়েছেন। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের বাস্তবতায় শিবির সম্প্রসারণের সুযোগ খুবই সীমিত।তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর সমাধান একটাই— নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। সেই লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক মহলকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, গাজা, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার কারণে রোহিঙ্গা সংকট যেন বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি থেকে আড়াল না হয়, সে বিষয়ে জাতিসংঘ ও ইউএনএইচসিআরকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বৈঠকে আগামী ২০ মে অনুষ্ঠিতব্য রোহিঙ্গা শরণার্থী বিষয়ক জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান (জেআরপি) উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি।

রোহিঙ্গা সহায়তা কমায় উদ্বেগ

এক মায়ের দৌড়, এক শিশুর নিভে যাওয়া

ঢাকার এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটে বেড়িয়েছেন শাহানা বেগম। কোলে কখনো খাদিজা, কখনো ফাতেমা—সাত মাস বয়সী যমজ দুই মেয়েকে বাঁচিয়ে ঘরে ফেরানোর লড়াইয়ে দিন-রাত এক করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই লড়াই থেমেছে এক শিশুর মৃত্যুতে।হাম-পরবর্তী জটিলতায় গত ২৩ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ছোট্ট ফাতেমা। যমজ বোন খাদিজা এখনো অসুস্থ। জ্বর, কাশি আর শ্বাসকষ্ট নিয়ে তাকে ঘিরেও কাটছে না মায়ের দুশ্চিন্তা।শাহানা বেগম বলছিলেন, ফাতেমার মৃত্যু তিনি এখনো মানতে পারেন না। হাসপাতালের বিছানাতেও মেয়েটি হাসছিল, খেলনা নিয়ে খেলছিল। তাই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তার বিশ্বাস ছিল—দুই মেয়েকেই সুস্থ করে বাড়ি নিয়ে ফিরবেন।এপ্রিলের শুরুতে জ্বর, ঠান্ডা ও কাশিতে একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ে খাদিজা ও ফাতেমা। প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা শুরু হলেও অবস্থার অবনতি হলে তাদের নিয়ে ঢাকায় আসেন পরিবার। এরপর শুরু হয় হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছোটাছুটি। কোথাও শয্যা নেই, কোথাও অক্সিজেন সংকট, কোথাও আবার শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র খালি নেই—এভাবেই সময় পেরিয়েছে দুশ্চিন্তা আর অনিশ্চয়তায়।এক পর্যায়ে এক মেয়েকে ভর্তি নিলেও আরেকজনকে নিতে অনীহা দেখান চিকিৎসকেরা। অনেক অনুরোধে দুজনকে ভর্তি করা হলেও কিছু সময় পর একজনকে ছাড়পত্র দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়। তখন পরিবারের সামনে নতুন সংকট—এক শিশু হাসপাতালে, আরেক শিশু বাসায়। দুজনকে একসঙ্গে সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পরিবারকে।পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে যখন বড় মেয়ে আয়েশাও অসুস্থ হয়ে পড়ে। একসময় পরিবারের তিন সন্তান তিন জায়গায় চিকিৎসাধীন ছিল। সন্ধ্যার পর হাসপাতালের ওয়ার্ডে পুরুষ স্বজনদের থাকতে না দেওয়ায় মা ও নানিকেই একা সামলাতে হয়েছে পুরো পরিস্থিতি।শাহানা অভিযোগ করেন, চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি হাসপাতালে আচরণগত দুর্ভোগও পোহাতে হয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে চাইলে অনেক সময় ধমক শুনতে হয়েছে, সমন্বয়হীনতায় ভোগান্তিও বেড়েছে।চিকিৎসার খরচও ছিল পরিবারের জন্য বড় ধাক্কা। ফাতেমার চিকিৎসাতেই ব্যয় হয়েছে এক লাখ টাকার বেশি। পিআইসিইউর দৈনিক ব্যয়, ওষুধ ও পরীক্ষা মিলিয়ে খরচ সামলাতে গিয়ে গহনা বিক্রি করতে হয়েছে পরিবারকে। এরপরও ধার-দেনা করতে হয়েছে চিকিৎসা চালাতে।সব চেষ্টা, সব দৌড়ঝাঁপের পরও ফাতেমাকে আর ফিরিয়ে আনা যায়নি। এক মাসের যুদ্ধ শেষে বাড়ি ফিরেছে পরিবার, কিন্তু কোলে নেই আগের সেই হাসিখুশি শিশু। এখন শাহানার সব ভয় খাদিজাকে ঘিরে। যমজ বোনকে হারিয়ে ফেরা শিশুটিও এখনো পুরোপুরি সুস্থ নয়। তাই এক মেয়েকে হারানো এই মায়ের কাছে প্রতিটি নতুন জ্বর, প্রতিটি কাশি যেন নতুন আতঙ্কের নাম।

এক মায়ের দৌড়, এক শিশুর নিভে যাওয়া

ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নির্মাণাধীন রাস্তার মাঝখানে খুঁটি গেড়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে সাইফুল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া ফকিরপাড়া এলাকায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নির্মাণাধীন রাস্তার মাঝখানে খুঁটি গেড়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে সাইফুল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের জেরে ‘দৈনিক দিনকাল’ পত্রিকার সাংবাদিক আনিসুর রহমান আইয়ুবকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তেঘরিয়া ফকিরপাড়া এলাকায় জনস্বার্থে একটি রাস্তার নির্মাণ কাজ চলছিল। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালী সাইফুল ইসলাম ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে রাস্তার মাঝখানে খুঁটি গেড়ে দেন, যার ফলে রাস্তার কাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে।​এই জনদুর্ভোগের বিষয়টি নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক আনিসুর রহমান আইয়ুব। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত সাইফুল ওই সাংবাদিকের ওপর চড়াও হন। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল সাংবাদিক আইয়ুবকে প্রকাশ্যে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চরম ধৃষ্টতা দেখান।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাইফুল মোবাইল ফোনে জানান আনিসুর রহমান আইয়ুব যে অভিযোগ দিয়েছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আনিসুর রহমান আইয়ুব কে তিনি হুমকি দেননি। ​এ ব্যাপারে মানবাধিকার কর্মী সাকিল আহামেদ  বলেন একজন সংবাদকর্মীকে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে এভাবে হুমকি দেওয়ার ঘটনা একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা । জনস্বার্থে নির্মিত রাস্তার কাজে বাধা দেওয়া এবং সংবাদকর্মীকে হুমকি দেওয়া আইনের পরিপন্থী।

ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নির্মাণাধীন রাস্তার মাঝখানে খুঁটি গেড়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে সাইফুল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে

মাদারগঞ্জে ৩ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন কয়েকটি গ্রাম, নব্বই দশকে ফিরেছে তারা

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের লালডোবা, ইলশামারী, পূর্ব নলছিয়া, নলছিয়া বাজার, মহিষবাথান বাজারসহ কয়েকটি গ্রামে গত ৩ দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। টানা লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার বাসিন্দা ও বাজারে ব্যবসায়ীরা।বিদ্যুৎ না থাকায় সন্ধ্যা নামলেই ঘরে ঘরে জ্বলছে কুপি বাতি আর মোমবাতি। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে ৯০ দশকের মতো দোয়াত-কলম ও কেরোসিনের কুপি ব্যবহার শুরু করেছেন। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। মোবাইল ফোন চার্জ দিতে যেতে হচ্ছে পাশের বাজারে।টানা বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে রাখা মাছ, মাংস, দুধ, ও কাঁচাবাজার পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ বাদশা জানায়, “বাড়িতে ঈদের পর কেনা ৫ কেজি গরুর মাংস আর মাছ পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। আর গরমে দোকানের আইসক্রিম, দই,সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। টানা তিন দিন বিদ্যুৎ না থাকায় আমার মত ব্যাবসায়ীদের বড় ধরণের ক্ষতি মুখে পড়তে হচ্ছে আমরা এই সমস্যার সমাধান চাচ্ছি।বিদ্যুৎ না থাকায় সেচ পাম্প বন্ধ থাকায় বোরো ধানের জমিতে পানি দিতে পারছেন না কৃষকরা। এতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।এ বিষয়ে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাথে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, ঝড়ে ৩৩ কেভি লাইনের খুঁটি ভেঙে যায় ও বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক মেইন তার ছিঁড়ে যাওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে। মেরামতের কাজ চলছে, দ্রুতই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।লালডোবা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান মোকু বলেন, “৩ দিন ধরে অন্ধকারে আছি। বাচ্চারা পড়তে পারছে না, ফ্রিজের সব জিনিস ফেলে দিতে হয়েছে। তাই সন্ধ্যা পর বিদ্যুৎ না থাকায় আমরা দোয়াত, মোমবাতি জ্বালাচ্ছি। আমরা দ্রুত বিদ্যুৎ চাই।” এছাড়াও এলাকাবাসী দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

মাদারগঞ্জে ৩ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন কয়েকটি গ্রাম, নব্বই দশকে ফিরেছে তারা

উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের রূপকার এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল: মাদারগঞ্জ–সারিয়াকান্দিতে ২য় যমুনা সেতুর জোর দাবি

উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি, যোগাযোগ ও জনজীবনে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশাজামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা এবং বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার মধ্যবর্তী যমুনা নদীর ওপর ২য় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে উত্তরবঙ্গ ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষের বহুল প্রত্যাশিত এই সেতু নির্মিত হলে দেশের উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল।বর্তমানে যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে উত্তরবঙ্গমুখী যানবাহনের বিশাল চাপ দেশের অন্যতম বড় যোগাযোগ সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচলের ফলে যমুনা সেতুতে যানজট, ধীরগতি, সময়ক্ষেপণ এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি এখন নিত্যদিনের চিত্র। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকায় যাতায়াতকারী মানুষ ও পণ্য পরিবহন খাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ব্যাপকভাবে।এ অবস্থায় জামালপুরের মাদারগঞ্জ থেকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি পর্যন্ত ২য় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। এই সেতু বাস্তবায়িত হলে বর্তমান যমুনা সেতুর ওপর চাপ অনেকাংশে কমে আসবে, পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও ব্যয়-সাশ্রয়ী হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদারগঞ্জ–সারিয়াকান্দি রুটে ২য় যমুনা সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গ থেকে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত কমে আসতে পারে। এতে পরিবহন ব্যয় কমবে, সময় সাশ্রয় হবে এবং কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য দ্রুত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।এ সেতু শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্ষুদ্র শিল্প এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যবস্থায় আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। কৃষকরা সহজে ও কম খরচে তাদের উৎপাদিত পণ্য রাজধানীসহ দেশের বড় বাজারগুলোতে পৌঁছাতে পারবেন। এতে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।শুধু অর্থনীতি নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানেও এই সেতু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের রাজধানী ও অন্যান্য বড় শহরে যাতায়াত সহজ হবে, রোগীরা দ্রুত উন্নত চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন এবং নতুন শিল্পকারখানা ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে এ অঞ্চলে কর্মসংস্থান বাড়বে, দারিদ্র্য কমবে এবং আঞ্চলিক বৈষম্য হ্রাস পাবে।স্থানীয়দের মতে, মাদারগঞ্জ–সারিয়াকান্দি সেতু শুধু একটি অবকাঠামো প্রকল্প নয়; এটি হবে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণের সেতুবন্ধন। এই সেতু বাস্তবায়িত হলে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগের নতুন করিডোর তৈরি হবে, যা জাতীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।এ বিষয়ে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ইতোমধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে ২য় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।এখন সময়ের দাবি—জামালপুরের মাদারগঞ্জ ও বগুড়ার সারিয়াকান্দির মধ্যবর্তী যমুনা নদীর ওপর ২য় যমুনা সেতু নির্মাণে দ্রুত সমীক্ষা, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন উদ্যোগ গ্রহণ করা। উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন, জাতীয় অর্থনীতির গতি বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই সেতু হতে পারে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের রূপকার এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল: মাদারগঞ্জ–সারিয়াকান্দিতে ২য় যমুনা সেতুর জোর দাবি

হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে ব্যর্থ ইসরাইল—বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরাইলের ঘোষিত লক্ষ্য ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য লক্ষ্য করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার যে উদ্দেশ্য ইসরাইল সামনে রেখেছে, তা এখনো অর্জন থেকে অনেক দূরে।রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবেদ আবু শাহাদেহ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, গত চার দশকের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে সামরিক শক্তি ব্যবহার করে হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র করা ইসরাইলের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তার ভাষায়, ইসরাইল বিভিন্ন কৌশলগত সাফল্যের দাবি করলেও মূল লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে তারা ব্যর্থ।তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুদ্ধক্ষেত্রে কিছু সীমিত সাফল্য পেলেও দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত লক্ষ্য এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে। হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার মতো বড় লক্ষ্য অর্জনের কোনো বাস্তব অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।এদিকে ইসরাইলি সামরিক মহলের বক্তব্য অনুযায়ী, হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি দুর্বল করতে হলে লেবাননের বিস্তৃত অংশে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তবে এমন পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সামর্থ্য ও জনবল—দুটিরই ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি লেবাননের সঙ্গে স্থায়ী সমাধানের জন্য স্পষ্ট রাজনৈতিক পরিকল্পনাও অনুপস্থিত।সামরিক উপায়ে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় ইসরাইল এখন বিকল্প পথ খুঁজছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের ধারণা, লেবাননের ভেতরে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট বা সরকার গঠনের মাধ্যমে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রচেষ্টা চালানো হতে পারে। তবে এ ধরনের উদ্যোগ দেশটিতে নতুন করে সাম্প্রদায়িক সংঘাত বা গৃহযুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইলের কাছে ‘সফলতা’র প্রধান মানদণ্ড হচ্ছে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় সেই লক্ষ্য পূরণের কোনো সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না। পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করবে লেবাননের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক অবস্থার ওপর।

হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে ব্যর্থ ইসরাইল—বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন

ইরান সংকটেও তেলের বাজারে স্বস্তি, বিশেষজ্ঞদের সমালোচনায় ট্রাম্প

 উত্তেজনা ও ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপের পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলেও পরিস্থিতি প্রত্যাশার মতো ভয়াবহ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তেলের মূল্য নিয়ে অতিরিক্ত আশঙ্কা প্রকাশকারী বিশেষজ্ঞদের কড়া সমালোচনাও করেছেন তিনি।যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে এক জনসভায় ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানে হামলার পর তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাবে—এমন আশঙ্কা তার উপদেষ্টারা করেছিলেন। তিনি বলেন, কিছু পরামর্শক সতর্ক করেছিলেন যে দাম ব্যারেলপ্রতি ৩০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে বড় ধরনের মন্দার দিকে ঠেলে দেবে। তবে বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি বলেই মন্তব্য করেন তিনি।ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বিকল্প জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সক্ষম হওয়ায় বাজারে বড় ধরনের ধস নামেনি। তিনি আরও বলেন, মার্কিন শেয়ারবাজার এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং অর্থনীতির গতিও স্বাভাবিক রয়েছে।এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইল-লেবানন পরিস্থিতিতে কিছুটা শান্তি ফেরার আভাস পাওয়ায় বাজারে স্বস্তি ফিরে এসেছে।শুক্রবার এশীয় বাজারে লেনদেনের শুরুতেই আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৮ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই তেলের দামও ৯৪ ডলারের নিচে অবস্থান করে।বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ১০০ ডলারের ওপরে থাকার পর তেলের দাম এখন ধীরে ধীরে নিম্নমুখী হয়ে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। পাশাপাশি পাকিস্তানে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের সম্ভাব্য বৈঠকের খবর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করেছে।তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে সতর্ক প্রবণতা দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই সূচক, হংকংয়ের হ্যাং সেং, দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি এবং তাইওয়ানের সূচক—সবগুলোতেই পতন লক্ষ্য করা গেছে। চীনেও বিনিয়োগকারীরা কিছুটা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।এদিকে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা তৈরি হলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি ও খাদ্য সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ এই রুটটি বিশ্ব তেল ও সার পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ।বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, জ্বালানি ও সার সরবরাহ ব্যাহত হলে কৃষি উৎপাদন কমে যেতে পারে এবং পরিবহন ব্যয় বাড়ার ফলে খাদ্যের দাম বেড়ে যাবে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে।

ইরান সংকটেও তেলের বাজারে স্বস্তি, বিশেষজ্ঞদের সমালোচনায় ট্রাম্প

মাদারগঞ্জে সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় জমিতে সেচ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত জাকির হোসেন (৩৬) উপজেলার ২ নম্বর কড়ইচড়া ইউনিয়নের পূর্ব নলছিয়া গ্রামের বাসিন্দা।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে জাকির তার বাবা হযরত আলীর সঙ্গে জমিতে সেচ দিতে যান। এ সময় হঠাৎ করেই তিনি বিদ্যুতের সংস্পর্শে আসেন। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।নিহতের বাবা হযরত আলী জানান, তিনি জমির অন্য পাশে কাজ করছিলেন। হঠাৎ ছেলের চিৎকার শুনে ছুটে গিয়ে দেখেন, জাকির বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে পড়েছেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ছেলেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন।স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জাকিরকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

মাদারগঞ্জে সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream