ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ঈদের আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সবার জীবনে বয়ে আসুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি ইউনিয়নবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বর্তমানে তৃণমূলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামের এই তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এলাকাবাসীর মতে, একজন সৎ, সাহসী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।রাজনৈতিক অঙ্গনে রাকিবুল ইসলাম বকুলের উত্থান একদিনে হয়নি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। নানা প্রতিকূলতা, দমন-পীড়ন ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে হামলা ও মামলার মুখোমুখি হলেও তিনি পিছিয়ে যাননি। বরং দলীয় আদর্শ ও তৃণমূল মানুষের পাশে থেকে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছেন।এলাকাবাসীর মতে, রাকিবুল ইসলাম বকুল শুধু রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক মানুষও। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ, যুবসমাজকে সংগঠিত করা এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার কারণেই তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।বালিজুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজার, মাঠঘাট থেকে সামাজিক আড্ডা—সবখানেই এখন উচ্চারিত হচ্ছে একটি নাম, মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। অনেকেই মনে করছেন, দলীয় সমর্থন ও জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি শক্ত অবস্থানে থাকবেন।স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান যিনি তৃণমূলের ভাষা বোঝেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমে ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে পারবেন। সেই জায়গা থেকেই রাকিবুল ইসলাম বকুলকে এগিয়ে রাখছেন তারা।ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে রাকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া। আমি সবসময় বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। সকলকে পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।”ইউনিয়নজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই নাম—মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতৃত্ব আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কতটা চমক দেখাতে পারেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।