রাজনৈতিক অঙ্গনে আওয়ামী লীগের উপস্থিতি পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন। তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতে দলটি আবারও সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবে এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনেও অংশ নিতে পারে।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে দিল্লির কাছে চিঠি পাঠানো হলেও সেটির ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। এ বিষয়ে তার ভাষ্য, চিঠির জবাব পাওয়ার বিষয়ে তিনি শুরু থেকেই আশাবাদী ছিলেন না।
তৌহিদ হোসেন বলেন, দেশের মানুষের রাজনৈতিক স্মৃতি দীর্ঘস্থায়ী নয়। তাই বর্তমান পরিস্থিতি দেখে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে পুরোপুরি বিদায় হয়ে গেছে বলে মনে করার সুযোগ নেই। সময়ের ব্যবধানে দলটি আবারও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় হতে পারে।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, দায়িত্ব পালনকালে অন্তত তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে সংশ্লিষ্টরা তাকে বুঝিয়েছেন, এমন সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে সাবেক এই কূটনীতিক বলেন, পুরো প্রক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। বরং বিষয়টি দেখভাল করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কার্যালয়।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং তথাকথিত ‘ডিপস্টেট’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তৌহিদ হোসেন বলেন, বিশ্বের প্রায় সব বড় রাজনৈতিক ঘটনার পেছনেই কোনো না কোনোভাবে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর ভূমিকা থাকে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
রাজনৈতিক অঙ্গনে আওয়ামী লীগের উপস্থিতি পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন। তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতে দলটি আবারও সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবে এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনেও অংশ নিতে পারে।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে দিল্লির কাছে চিঠি পাঠানো হলেও সেটির ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। এ বিষয়ে তার ভাষ্য, চিঠির জবাব পাওয়ার বিষয়ে তিনি শুরু থেকেই আশাবাদী ছিলেন না।
তৌহিদ হোসেন বলেন, দেশের মানুষের রাজনৈতিক স্মৃতি দীর্ঘস্থায়ী নয়। তাই বর্তমান পরিস্থিতি দেখে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে পুরোপুরি বিদায় হয়ে গেছে বলে মনে করার সুযোগ নেই। সময়ের ব্যবধানে দলটি আবারও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় হতে পারে।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, দায়িত্ব পালনকালে অন্তত তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে সংশ্লিষ্টরা তাকে বুঝিয়েছেন, এমন সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে সাবেক এই কূটনীতিক বলেন, পুরো প্রক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। বরং বিষয়টি দেখভাল করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কার্যালয়।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং তথাকথিত ‘ডিপস্টেট’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তৌহিদ হোসেন বলেন, বিশ্বের প্রায় সব বড় রাজনৈতিক ঘটনার পেছনেই কোনো না কোনোভাবে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর ভূমিকা থাকে।

আপনার মতামত লিখুন