ঢাকা    সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা

সাফে আমরা এত গোল হজম করব না, তপুর আশ্বাস


| প্রিন্ট সংস্করণ

সাফে আমরা এত গোল হজম করব না, তপুর আশ্বাস
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ডিফেন্ডার তপু বর্মণপ্রথম আলো

এক ম্যাচেই ৯ গোল! ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে এমন দুঃস্বপ্নের পর বাংলাদেশের রক্ষণভাগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। আসিয়ান কাপে তিন ম্যাচে ১৩ গোল হজম করেছে বাংলাদেশ। সেই হতাশা এখনো ভুলতে পারেননি তপু বর্মণ। তবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি দেখতে চান না এই ডিফেন্ডার। তাঁর বিশ্বাস, দলগতভাবে রক্ষণ সামলাতে পারলে এমন গোলের বন্যা আর বইবে না বাংলাদেশের জালে।

আগামী ৫ নভেম্বর ঢাকায় শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। ঘরের মাঠের এই প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে আজ জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুশীলন শুরু করেছে বাংলাদেশ দল। অনুশীলনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন তপু। সেখানে আসিয়ান কাপের ব্যর্থতার কথা যেমন উঠে এসেছে, তেমনি উঠে এসেছে ২৩ বছর পর সাফের শিরোপা জয়ের স্বপ্নের কথাও।

আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের দুর্দশা নিয়ে তপু বলেছেন, ‘প্রথম ম্যাচে ৩ গোল খেয়েছি, শেষ ম্যাচে ৯ গোল খেয়েছি। এটা খুবই হতাশার। শেষ কবে আমরা ৯ গোল হজম করেছি, জানি না। তবে গোল হজমের ক্ষেত্রে শুধু গোলকিপার বা ডিফেন্ডারদের দোষ দেখলে হবে না। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দলগতভাবে রক্ষণ সামলানো। তবে এটা বলতে পারি, সাফে আমরা এত গোল হজম করব না।’

রক্ষণভাগের নেতৃত্বে থেকে সতীর্থদেরও সাহায্য করতে চান এই সেন্টারব্যাক। তপু বলেছেন, ‘আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব। পেছন থেকে কীভাবে খেলতে হবে, কীভাবে রক্ষণভাগকে শক্ত করা যায়, সে বিষয়ে আমার ভূমিকা থাকবে। আমি সতীর্থদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করব।’

এবারের সাফ বাংলাদেশের জন্য অন্য রকম এক উপলক্ষও। আট বছর পর দেশের মাটিতে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশ। তপুর কথা, ‘সাফ আমাদের জন্য অনেক বিশেষ। আট বছর পর আবার নিজেদের মাঠে খেলছি। আমাদের লড়াই করতে হবে এবং কাঙ্ক্ষিত সাফল্য, অর্থাৎ ২৩ বছর পর শিরোপা জিততে হবে। সে জন্য আমাদের সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।’

শিরোপা জয়ের অভিযানে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ ভুটান। ৫ নভেম্বরের সেই ম্যাচে অবশ্য হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলীকে পাবে না বাংলাদেশ। বিশেষ করে হামজার অনুপস্থিতি ভাবাচ্ছে সতীর্থদের। তবে একজনের অভাব যেন পুরো দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব না ফেলে, সেদিকেও নজর তপুর। হামজাকে নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘হামজা আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন। প্রথম ম্যাচে সে না থাকলে অবশ্যই তাকে মিস করব। তবে আমরা যদি দলগতভাবে খেলতে পারি, তাহলে তার অনুপস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব। প্রথম ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভালো শুরু করতে পারলে পরের পথ সহজ হবে।’

৫ থেকে ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের সঙ্গে ‘এ’ গ্রুপে আছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। ‘বি’ গ্রুপে খেলবে ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল উঠবে সেমিফাইনালে। ১৪ নভেম্বর হবে দুটি সেমিফাইনাল, ফাইনাল ১৭ নভেম্বর।

বিষয় : তপু বর্মন সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ফুটবল দল

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

নগদ বার্তা

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬


সাফে আমরা এত গোল হজম করব না, তপুর আশ্বাস

প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

এক ম্যাচেই ৯ গোল! ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে এমন দুঃস্বপ্নের পর বাংলাদেশের রক্ষণভাগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। আসিয়ান কাপে তিন ম্যাচে ১৩ গোল হজম করেছে বাংলাদেশ। সেই হতাশা এখনো ভুলতে পারেননি তপু বর্মণ। তবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি দেখতে চান না এই ডিফেন্ডার। তাঁর বিশ্বাস, দলগতভাবে রক্ষণ সামলাতে পারলে এমন গোলের বন্যা আর বইবে না বাংলাদেশের জালে।

আগামী ৫ নভেম্বর ঢাকায় শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। ঘরের মাঠের এই প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে আজ জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুশীলন শুরু করেছে বাংলাদেশ দল। অনুশীলনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন তপু। সেখানে আসিয়ান কাপের ব্যর্থতার কথা যেমন উঠে এসেছে, তেমনি উঠে এসেছে ২৩ বছর পর সাফের শিরোপা জয়ের স্বপ্নের কথাও।

আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের দুর্দশা নিয়ে তপু বলেছেন, ‘প্রথম ম্যাচে ৩ গোল খেয়েছি, শেষ ম্যাচে ৯ গোল খেয়েছি। এটা খুবই হতাশার। শেষ কবে আমরা ৯ গোল হজম করেছি, জানি না। তবে গোল হজমের ক্ষেত্রে শুধু গোলকিপার বা ডিফেন্ডারদের দোষ দেখলে হবে না। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দলগতভাবে রক্ষণ সামলানো। তবে এটা বলতে পারি, সাফে আমরা এত গোল হজম করব না।’

রক্ষণভাগের নেতৃত্বে থেকে সতীর্থদেরও সাহায্য করতে চান এই সেন্টারব্যাক। তপু বলেছেন, ‘আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব। পেছন থেকে কীভাবে খেলতে হবে, কীভাবে রক্ষণভাগকে শক্ত করা যায়, সে বিষয়ে আমার ভূমিকা থাকবে। আমি সতীর্থদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করব।’

এবারের সাফ বাংলাদেশের জন্য অন্য রকম এক উপলক্ষও। আট বছর পর দেশের মাটিতে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশ। তপুর কথা, ‘সাফ আমাদের জন্য অনেক বিশেষ। আট বছর পর আবার নিজেদের মাঠে খেলছি। আমাদের লড়াই করতে হবে এবং কাঙ্ক্ষিত সাফল্য, অর্থাৎ ২৩ বছর পর শিরোপা জিততে হবে। সে জন্য আমাদের সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।’

শিরোপা জয়ের অভিযানে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ ভুটান। ৫ নভেম্বরের সেই ম্যাচে অবশ্য হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলীকে পাবে না বাংলাদেশ। বিশেষ করে হামজার অনুপস্থিতি ভাবাচ্ছে সতীর্থদের। তবে একজনের অভাব যেন পুরো দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব না ফেলে, সেদিকেও নজর তপুর। হামজাকে নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘হামজা আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন। প্রথম ম্যাচে সে না থাকলে অবশ্যই তাকে মিস করব। তবে আমরা যদি দলগতভাবে খেলতে পারি, তাহলে তার অনুপস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব। প্রথম ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভালো শুরু করতে পারলে পরের পথ সহজ হবে।’

৫ থেকে ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের সঙ্গে ‘এ’ গ্রুপে আছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। ‘বি’ গ্রুপে খেলবে ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল উঠবে সেমিফাইনালে। ১৪ নভেম্বর হবে দুটি সেমিফাইনাল, ফাইনাল ১৭ নভেম্বর।


নগদ বার্তা

সম্পাদক: মোহাম্মদ মঞ্জুরুল কবির (মঞ্জু)
সহ-সম্পাদক: মেহজাবীন মাহবুব পাভেল
প্রকাশক: জাহিন ফয়সাল (শুভ) 

২০২৬ © নগদ বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাফে আমরা এত গোল হজম করব না, তপুর আশ্বাস
0:00 0:00
1.0x
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream