একসময় পিছিয়ে পড়ে শঙ্কায় পড়েছিল আর্সেনাল। তবে শেষ পর্যন্ত দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে লিডস ইউনাইটেডকে ২-১ গোলে হারিয়েছে মিকেল আরতেতার দল। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে জয়সূচক গোল করে গানারদের জয়ের নায়ক ব্রুনো গিমারাইস।
শনিবার এমিরেটস স্টেডিয়ামে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ৫৫ মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে আর্সেনাল। তবে সাত মিনিটের ব্যবধানে সমতা ফেরানোর পর ৭০তম মিনিটে গিমারাইসের গোলে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।
আন্তর্জাতিক বিরতির আগে ব্রাইটনের কাছে ৩-০ গোলে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল আর্সেনাল। কিন্তু ম্যাচের প্রথমার্ধে ছন্দ খুঁজে পেতে বেশ বেগ পেতে হয় তাদের। অন্যদিকে গোছানো রক্ষণ ও কার্যকর আক্রমণে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে লিডস।
বিরতির পর ৫৫তম মিনিটে এগিয়ে যায় লিডস। গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসনের ব্যাক-পাস থেকে বল পেয়ে আড়াআড়ি শটে আর্সেনালের জালে বল পাঠান জেমস জাস্টিন। ২০০৩ সালের মে মাসের পর এমিরেটস স্টেডিয়ামে লিগ ম্যাচে আর্সেনালের বিপক্ষে জয়ের দেখা না পাওয়া লিডসের সমর্থকদের মধ্যে তখন উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।
গোল হজমের পর আক্রমণে গতি বাড়ায় আর্সেনাল। ৬২তম মিনিটে বেন হোয়াইটের পাস থেকে কাছাকাছি দূরত্বে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে দলকে সমতায় ফেরান রিকার্দো কালাফিওরি।
এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন কোচ আরতেতা। বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ব্রুনো গিমারাইস। মাঠে নামার মাত্র আট মিনিট পরই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার।
৭০তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে পাঠিয়ে আর্সেনালের জয় নিশ্চিত করেন গিমারাইস। তার গোলেই স্বস্তি ফিরে আসে এমিরেটসের গ্যালারিতে। পিছিয়ে পড়েও গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেয় গানাররা।
এই জয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ছয় ম্যাচে আর্সেনালের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১৫। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি, যারা এক ম্যাচ কম খেলেছে।
বিডি প্রতিদিন/এম.এস
মতামত