পারস্য উপসাগর এলাকায় নজরদারির সময় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত ৯ এপ্রিল, যা নিশ্চিত করেছে মার্কিন নৌবাহিনীর নিরাপত্তা সংস্থা।
বিধ্বস্ত ড্রোনটি ছিল MQ-4C Triton মডেলের, যা দীর্ঘ সময় আকাশে থেকে উচ্চমাত্রার নজরদারি চালাতে সক্ষম। উন্নত প্রযুক্তির কারণে এটি সামরিক মহলে ‘ডানাযুক্ত স্যাটেলাইট’ নামেও পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান Northrop Grumman এই ড্রোনটি নির্মাণ করেছে। প্রতিটি ইউনিটের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৪ কোটি মার্কিন ডলার।
মার্কিন নৌবাহিনীর তথ্যমতে, ড্রোনটি ইতালির সিসিলি দ্বীপে অবস্থিত সিগোনেল্লা নৌঘাঁটি থেকে পরিচালিত হচ্ছিল। হরমুজ প্রণালিতে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে প্রায় তিন ঘণ্টার একটি মিশনে পাঠানো হয়েছিল এটিকে।
মিশন শেষে ঘাঁটিতে ফেরার পথে ড্রোনটি হঠাৎ জরুরি সংকেত পাঠাতে শুরু করে। এরপর সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকা অবস্থায় ড্রোনটি হঠাৎ কয়েক হাজার ফুট নিচে নেমে যায় এবং এরপর আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনাকে মার্কিন নৌবাহিনী “ক্লাস-এ দুর্ঘটনা” হিসেবে উল্লেখ করেছে, যা সাধারণত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা সম্পূর্ণ ধ্বংসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
তবে ড্রোনটি শত্রুপক্ষের আঘাতে ভূপাতিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখযোগ্যভাবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাত্র দুই দিনের মাথায় এই ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
পারস্য উপসাগর এলাকায় নজরদারির সময় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত ৯ এপ্রিল, যা নিশ্চিত করেছে মার্কিন নৌবাহিনীর নিরাপত্তা সংস্থা।
বিধ্বস্ত ড্রোনটি ছিল MQ-4C Triton মডেলের, যা দীর্ঘ সময় আকাশে থেকে উচ্চমাত্রার নজরদারি চালাতে সক্ষম। উন্নত প্রযুক্তির কারণে এটি সামরিক মহলে ‘ডানাযুক্ত স্যাটেলাইট’ নামেও পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান Northrop Grumman এই ড্রোনটি নির্মাণ করেছে। প্রতিটি ইউনিটের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৪ কোটি মার্কিন ডলার।
মার্কিন নৌবাহিনীর তথ্যমতে, ড্রোনটি ইতালির সিসিলি দ্বীপে অবস্থিত সিগোনেল্লা নৌঘাঁটি থেকে পরিচালিত হচ্ছিল। হরমুজ প্রণালিতে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে প্রায় তিন ঘণ্টার একটি মিশনে পাঠানো হয়েছিল এটিকে।
মিশন শেষে ঘাঁটিতে ফেরার পথে ড্রোনটি হঠাৎ জরুরি সংকেত পাঠাতে শুরু করে। এরপর সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকা অবস্থায় ড্রোনটি হঠাৎ কয়েক হাজার ফুট নিচে নেমে যায় এবং এরপর আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনাকে মার্কিন নৌবাহিনী “ক্লাস-এ দুর্ঘটনা” হিসেবে উল্লেখ করেছে, যা সাধারণত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা সম্পূর্ণ ধ্বংসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
তবে ড্রোনটি শত্রুপক্ষের আঘাতে ভূপাতিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখযোগ্যভাবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাত্র দুই দিনের মাথায় এই ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন