ঢাকা    শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
নগদ বার্তা

আন্তর্জাতিক

শুক্রবার প্যারিসে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে Keir Starmer

শুক্রবার প্যারিসে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে Keir Starmer

 হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ও পুনরায় চালু করার বিষয়ে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, বৈশ্বিক অর্থনীতি সচল রাখা এবং সাধারণ মানুষের ওপর যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব কমাতে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ খোলা রাখা অপরিহার্য।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron-এর সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্টারমার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা, পারস্পরিক সমঝোতা গড়ে তোলা এবং হরমুজ প্রণালী সচল রাখা—এই তিনটি বিষয়ের ওপর আন্তর্জাতিক ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু কূটনৈতিক উদ্যোগই নয়, বরং অর্থনৈতিক সহায়তা, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এবং প্রয়োজনে সমন্বিত সামরিক পরিকল্পনার মাধ্যমেও এ সংকট মোকাবিলা করতে হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এদিকে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে স্টারমার ও ম্যাক্রোঁর নেতৃত্বে প্রায় ৪০টি দেশের অংশগ্রহণে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে একটি বহুপাক্ষিক উদ্যোগ গড়ে তোলা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা বয়ে আনবে।

আপনার মতামত লিখুন

নগদ বার্তা

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


শুক্রবার প্যারিসে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে Keir Starmer

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

 হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ও পুনরায় চালু করার বিষয়ে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, বৈশ্বিক অর্থনীতি সচল রাখা এবং সাধারণ মানুষের ওপর যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব কমাতে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ খোলা রাখা অপরিহার্য।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron-এর সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্টারমার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা, পারস্পরিক সমঝোতা গড়ে তোলা এবং হরমুজ প্রণালী সচল রাখা—এই তিনটি বিষয়ের ওপর আন্তর্জাতিক ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু কূটনৈতিক উদ্যোগই নয়, বরং অর্থনৈতিক সহায়তা, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এবং প্রয়োজনে সমন্বিত সামরিক পরিকল্পনার মাধ্যমেও এ সংকট মোকাবিলা করতে হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এদিকে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে স্টারমার ও ম্যাক্রোঁর নেতৃত্বে প্রায় ৪০টি দেশের অংশগ্রহণে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে একটি বহুপাক্ষিক উদ্যোগ গড়ে তোলা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা বয়ে আনবে।


নগদ বার্তা

সম্পাদক :মোহাম্মদ মঞ্জুরুল কবির (মঞ্জু) ll প্রকাশক: জাহিন ফয়সাল (শুভ)

২০২৬ © নগদ বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত