ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা
ডিমের চেয়ে বেশি প্রোটিন পেতে সকালে খেতে পারেন যেসব খাবার

ডিমের চেয়ে বেশি প্রোটিন পেতে সকালে খেতে পারেন যেসব খাবার

প্রোটিনের জন্য শুধু ডিমই নয়শরীরের বৃদ্ধি, পেশি গঠন ও দৈনন্দিন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে প্রোটিনের প্রয়োজন। সহজলভ্য ও তুলনামূলক সাশ্রয়ী প্রোটিনের উৎস হিসেবে ডিমের জনপ্রিয়তা অনেক। একটি সেদ্ধ ডিমে সাধারণত প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। তবে ডিম খেতে পারেন না কিংবা পছন্দ করেন না—এমন মানুষের জন্যও রয়েছে বেশ কিছু ভালো বিকল্প।সকালের নাশতায় এসব খাবারের কয়েকটি যোগ করলে দিনের শুরুতেই প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সহায়তা করতে পারে।ছোলাছোলা প্রোটিনের একটি সহজলভ্য উৎস। ২৫০ গ্রাম ছোলায় প্রায় ১৪ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যেতে পারে। সেদ্ধ ছোলা সালাদ হিসেবে, স্যুপের সঙ্গে কিংবা অন্যান্য সবজির সঙ্গে খাওয়া যায়।মসুর ডালআমাদের প্রতিদিনের খাবারের পরিচিত উপাদান মসুর ডালও প্রোটিনের ভালো উৎস। এক কাপ মসুর ডালে প্রায় ১৬ গ্রাম প্রোটিন থাকতে পারে। সকালের নাশতায় ডাল খাওয়ার অভ্যাস অনেকের কাছে প্রচলিত না হলেও অন্যান্য খাবারের সঙ্গে এটি খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।শুঁটকি মাছশুঁটকি মাছেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রোটিন। এক কাপ শুঁটকি মাছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যেতে পারে। তবে শুঁটকি কেনার ক্ষেত্রে মান ও নিরাপদ প্রক্রিয়াজাতকরণের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।চিংড়িচিংড়ি প্রোটিনসমৃদ্ধ আরেকটি খাবার। এক কাপ রান্না করা চিংড়িতে প্রায় ২৪ গ্রাম প্রোটিন থাকতে পারে। তবে এতে কোলেস্টেরলও তুলনামূলক বেশি থাকায় পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা ভালো।মিষ্টিকুমড়ার বীজমিষ্টিকুমড়ার বীজ না ফেলে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়। এক কাপ বীজে প্রায় ১২ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি এতে জিংক, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও সেলেনিয়ামের মতো বিভিন্ন খনিজ উপাদানও রয়েছে।সকালের ওটস, দই কিংবা সালাদের সঙ্গে অল্প পরিমাণ মিষ্টিকুমড়ার বীজ যোগ করা যেতে পারে।পনিরদুধ থেকে তৈরি পনিরও প্রোটিনের ভালো উৎস। এক কাপ পনিরে প্রায় ২৪ গ্রাম প্রোটিন থাকতে পারে। সকালের নাশতায় সবজির সঙ্গে পনির, রুটি বা স্যান্ডউইচের সঙ্গে এটি খাওয়া যায়।কাজুবাদামের মাখনকাজুবাদামের মাখনে প্রোটিনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ফ্যাটও থাকে। এটি রুটি বা টোস্টের সঙ্গে খাওয়া যায়। তবে বাদামের মাখনে ক্যালরির পরিমাণ বেশি হওয়ায় পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে খাওয়াই ভালো।সয়া নাগেটউদ্ভিজ্জ প্রোটিনের ভালো উৎস হিসেবে সয়া নাগেট বেশ পরিচিত। ১০০ গ্রাম সয়া নাগেটে প্রায় ৩৬ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন থাকতে পারে। যারা প্রাণিজ খাবার কম খান, তাঁদের খাদ্যতালিকায় এটি ভালো একটি বিকল্প হতে পারে।মুরগির বুকের মাংসমুরগির বুকের মাংস উচ্চমাত্রার প্রোটিনের জন্য পরিচিত। এক কাপ রান্না করা হাড়ছাড়া মুরগির বুকের মাংসে প্রায় ৩০ গ্রাম বা তার বেশি প্রোটিন পাওয়া যেতে পারে।তবে স্বাস্থ্যকর রাখতে অতিরিক্ত তেল ও চর্বি ব্যবহার না করে রান্না করা ভালো।টুনা ও স্যামনমাছ প্রোটিনের অন্যতম ভালো উৎস। বিশেষ করে টুনা ও স্যামন মাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রোটিন পাওয়া যায়। এসব মাছের মধ্যে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদানও খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য আনতে পারে।শিমের বিচিশিমের বিচিতেও রয়েছে ভালো পরিমাণ উদ্ভিজ্জ প্রোটিন। এক কাপ রান্না করা শিমের বিচিতে প্রায় ১৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যেতে পারে। ভাত বা অন্য খাবারের সঙ্গে এটি সহজেই খাদ্যতালিকায় যোগ করা যায়।চিয়া সিডচিয়া সিডে প্রোটিনের পাশাপাশি খাদ্যআঁশ ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এক কাপ চিয়া সিডে প্রায় ৪০ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিনের উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে বাস্তবে সাধারণত এত বেশি পরিমাণ চিয়া সিড একসঙ্গে খাওয়ার প্রয়োজন নেই। অল্প পরিমাণ চিয়া সিড দই, ওটস বা স্মুদির সঙ্গে যোগ করা যেতে পারে।গরুর মাংসগরুর মাংসও প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস। এক কাপ গরুর মাংসে প্রায় ৬০ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন থাকতে পারে। এতে আয়রন ও জিংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজও রয়েছে।তবে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস নিয়মিত বেশি পরিমাণে না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।শুধু একটি খাবারের ওপর নির্ভর নয়প্রতিদিনের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে শুধু ডিমের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই। ডাল, ছোলা, সয়া, মাছ, মুরগি, পনির, বিভিন্ন বীজ ও বাদামজাতীয় খাবার থেকেও প্রোটিন পাওয়া যায়।তবে কোন খাবার কতটা পরিমাণে খাওয়া উচিত, তা ব্যক্তির বয়স, শারীরিক গঠন, দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ও স্বাস্থ্যগত অবস্থার ওপর নির্ভর করে। তাই সুষম খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন উৎস থেকে পরিমিত প্রোটিন রাখাই সবচেয়ে ভালো উপায়।

প্রাক্তনকে ভুলতে কত সময় লাগে? গবেষণায় মিলল চমকপ্রদ তথ্য

প্রাক্তনকে ভুলতে কত সময় লাগে?প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর অনেকের মনেই একটি প্রশ্ন ঘুরতে থাকে—প্রাক্তন মানুষটিকে পুরোপুরি ভুলে যেতে কতটা সময় লাগে? কয়েক মাস, কয়েক বছর, নাকি তার চেয়েও বেশি?এই প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর নেই। তবে নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রাক্তন সঙ্গীর প্রতি তৈরি হওয়া আবেগগত বন্ধন ধীরে ধীরে কমে আসে এবং এই প্রক্রিয়াটি মানুষের ধারণার চেয়ে অনেক দীর্ঘ হতে পারে।আবেগ অর্ধেক কমতেই লাগে ৪ বছরের বেশিযুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা-শ্যাম্পেইনের মনোবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক জিয়া ওয়াই. চং ও আর. ক্রিস ফ্রেলি এ বিষয়ে গবেষণা করেন। গবেষণাটি ২০২৫ সালে Social Psychological and Personality Science সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়।গবেষণায় ৩২৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশ নেন। তাঁদের প্রত্যেকের অন্তত দুই বছর স্থায়ী একটি প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা পরবর্তী সময়ে ভেঙে যায়। অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স ছিল ৩০-এর কোঠায় এবং তাঁদের আগের সম্পর্ক গড়ে প্রায় ৪ দশমিক ৬ বছর স্থায়ী হয়েছিল।গবেষকেরা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের প্রাক্তন সঙ্গীর প্রতি আবেগগত টান পরিমাপ করেন। একই ধরনের প্রশ্ন একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়েও করা হয়। এর মাধ্যমে প্রাক্তনের প্রতি মানসিক সংযুক্তি একজন অপরিচিত ব্যক্তির তুলনায় কতটা বেশি, তা বোঝার চেষ্টা করা হয়।গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে অধিকাংশ মানুষের প্রাক্তন সঙ্গীর প্রতি আবেগগত বন্ধন ধীরে ধীরে কমে আসে। তবে এই পরিবর্তন খুব দ্রুত ঘটে না।গবেষকদের পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রাক্তনের প্রতি আবেগগত বন্ধন ৫০ শতাংশ কমতে গড়ে প্রায় ৪ দশমিক ১৮ বছর সময় লাগে। একই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে চলতে থাকলে আবেগগত বন্ধন প্রায় শূন্যের কাছাকাছি যেতে প্রায় আট বছর সময় লাগতে পারে।আট বছর মানেই সবাই প্রাক্তনকে ভুলে যাবেন?এখানেই বিষয়টি একটু পরিষ্কার করা জরুরি। গবেষণার ফলাফলের অর্থ এই নয় যে, বিচ্ছেদের ঠিক আট বছর পর প্রত্যেক মানুষ তার প্রাক্তনকে সম্পূর্ণভাবে ভুলে যাবেন।গবেষণায় মূলত আবেগগত সংযুক্তি কমে যাওয়ার সময় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অর্থাৎ আট বছরকে কোনো নির্দিষ্ট বা সবার জন্য প্রযোজ্য সময়সীমা হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।কারও ক্ষেত্রে এই আবেগ অনেক দ্রুত কমে যেতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে বিচ্ছেদের বহু বছর পরও প্রাক্তনের প্রতি কিছুটা আবেগ বা টান থেকে যেতে পারে।যোগাযোগ রাখলে আবেগ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেগবেষণায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। বিচ্ছেদের পরও যদি প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় থাকে, তাহলে আবেগগত বন্ধন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।এ ছাড়া যেসব মানুষের মধ্যে উদ্বেগপ্রবণতার মাত্রা বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রাক্তনের প্রতি আবেগ তুলনামূলক দীর্ঘ সময় ধরে থাকার প্রবণতা পাওয়া গেছে।অন্যদিকে, প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে সন্তান থাকলে শুরুতে আবেগগত বন্ধন তুলনামূলক বেশি থাকলেও সময়ের সঙ্গে সেই বন্ধন সন্তানহীন সাবেক দম্পতিদের তুলনায় দ্রুত কমার প্রবণতা দেখা গেছে।নতুন সম্পর্কে গেলেই কি পুরোনো আবেগ দ্রুত কমে?গবেষণার আরেকটি উল্লেখযোগ্য ফল হলো—নতুন সম্পর্কে জড়ানো কিংবা নারী-পুরুষের পার্থক্য প্রাক্তন সঙ্গীর প্রতি আবেগগত বন্ধন কত দ্রুত কমবে, সেটিকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করেনি।অর্থাৎ, নতুন সম্পর্কে গেলেই আগের সম্পর্কের আবেগ দ্রুত মুছে যাবে—এমন কোনো নিশ্চিত নিয়ম গবেষণায় পাওয়া যায়নি।‘ভুলে যাওয়া’ আসলে কী?প্রাক্তনকে ভুলে যাওয়া মানেই তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি স্মৃতি মুছে যাওয়া নয়। অনেক বছর পরও কারও কথা মনে পড়তে পারে, পুরোনো কোনো জায়গা বা গান স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে পারে। তবে সময়ের সঙ্গে সেই স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আবেগের তীব্রতা কমে আসতে পারে।গবেষণাটিও মূলত এই আবেগগত সংযুক্তি কমে যাওয়ার প্রক্রিয়াটিকেই গুরুত্ব দিয়েছে।সবার জন্য সময়টা এক নয়বিচ্ছেদের পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। সম্পর্ক কতদিনের ছিল, বিচ্ছেদের পরিস্থিতি কেমন ছিল, প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ আছে কি না—এসব বিষয় ব্যক্তিভেদে অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করতে পারে।তাই গবেষণার আট বছরের হিসাবকে নিজের জীবনের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। কারও ক্ষেত্রে কয়েক মাসেই আবেগ অনেকটা কমে আসতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া কয়েক বছর ধরে চলতে পারে।সবশেষে বলা যায়, প্রাক্তনকে ভুলে যাওয়ার কোনো নির্দিষ্ট ঘড়ি নেই। সময়ের সঙ্গে আবেগের তীব্রতা সাধারণত কমে আসে, তবে প্রত্যেক মানুষের মানসিক অভিজ্ঞতা আলাদা। তাই বিচ্ছেদের পর নিজেকে সময় দেওয়া এবং নিজের স্বাভাবিক জীবনে ধীরে ধীরে ফিরে আসাটাই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাক্তনকে ভুলতে কত সময় লাগে? গবেষণায় মিলল চমকপ্রদ তথ্য

হিমালয়ান পিংক সল্ট কি সাধারণ লবণের চেয়ে বেশি উপকারী?

হিমালয়ান পিংক সল্ট কি সাধারণ লবণের চেয়ে বেশি উপকারী?হিমালয়ান পিংক সল্ট বা গোলাপি লবনকে অনেকেই সাধারণ সাদা লবণের তুলনায় বেশি স্বাস্থ্যকর বলে মনে করেন। গোলাপি রং, প্রাকৃতিক উৎস এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদানের উপস্থিতির কারণে এই লবণ নিয়ে মানুষের আগ্রহও বেশি।তবে প্রশ্ন হলো, স্বাস্থ্যগত দিক থেকে সত্যিই কি হিমালয়ান পিংক সল্ট সাধারণ লবণের চেয়ে বেশি উপকারী?বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, পিংক সল্টের বিশেষ স্বাস্থ্য উপকারিতা সাধারণ লবণের তুলনায় বেশি—এমন দাবি করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই।পিংক সল্ট কী?হিমালয়ান পিংক সল্ট মূলত পাকিস্তানের পাঞ্জাব অঞ্চলের সল্ট রেঞ্জ ও খেওড়া লবণখনি থেকে সংগ্রহ করা হয়। এটি সাধারণত তুলনামূলক কম প্রক্রিয়াজাত করা হয়।সাধারণ লবণের মতো পিংক সল্টের প্রধান উপাদানও সোডিয়াম ক্লোরাইড। এর পাশাপাশি সামান্য পরিমাণে বিভিন্ন খনিজ ও অন্যান্য উপাদান থাকে। বিশেষ করে অল্প পরিমাণ আয়রনের উপস্থিতির কারণে এর রং গোলাপি দেখা যায়।৮৪ ধরনের খনিজ থাকার দাবি কতটা গুরুত্বপূর্ণ?পিংক সল্ট নিয়ে প্রচলিত একটি দাবি হলো, এতে প্রায় ৮৪ ধরনের খনিজ ও অন্যান্য উপাদান রয়েছে। তবে কোনো খাবারে অনেক ধরনের খনিজের উপস্থিতি থাকলেই সেটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী হয়ে যায় না।পিংক সল্টে থাকা এসব অতিরিক্ত খনিজের পরিমাণ সাধারণত খুবই কম। ফলে এসব খনিজ থেকে উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য উপকার পাওয়া যায়—এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।ঘুম ভালো করতে কি পিংক সল্ট কার্যকর?রাতে পিংক সল্ট খেলে ঘুম ভালো হয়—এমন কথাও প্রচলিত আছে। কিছু গবেষণায় খুব কম সোডিয়ামযুক্ত খাবারের সঙ্গে ঘুমের সমস্যার সম্পর্ক পাওয়া গেছে।তবে এসব গবেষণা বিশেষভাবে হিমালয়ান পিংক সল্ট নিয়ে করা হয়নি। তাই ঘুমের ক্ষেত্রে সোডিয়ামের কোনো ভূমিকা থাকলেও সেটিকে পিংক সল্টের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সাধারণ লবণেও সোডিয়াম থাকে।শরীরের পিএইচ নিয়ন্ত্রণে কি সাহায্য করে?পিংক সল্ট শরীরের পিএইচের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে—এমন দাবিও রয়েছে। কিন্তু লবণে থাকা অতিরিক্ত খনিজের পরিমাণ এত কম যে তা শরীরের পিএইচে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটানোর মতো নয়।শরীরের পিএইচ নিয়ন্ত্রণে ফুসফুস ও কিডনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই পিংক সল্ট খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের পিএইচ নিয়ন্ত্রণ করার বিশেষ প্রয়োজন নেই।রক্তে শর্করা ও বার্ধক্য নিয়ন্ত্রণের দাবিপিংক সল্ট নিয়ে আরও কিছু স্বাস্থ্য উপকারের দাবি প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, বার্ধক্যের লক্ষণ কমানো, যৌন আকাঙ্ক্ষা বাড়ানো এবং শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা কমানোর কথাও বলা হয়।তবে এসব দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত গবেষণাভিত্তিক বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। ফলে এসব উপকার নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায় বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।পিংক সল্ট নাকি সাধারণ লবণ?পিংক সল্ট ও সাধারণ লবণের স্বাস্থ্যগত প্রভাব সরাসরি তুলনা করে পর্যাপ্ত গবেষণা এখনো নেই। তবে দুটির প্রধান উপাদানই সোডিয়াম ক্লোরাইড।পিংক সল্টে কিছু অতিরিক্ত খনিজ থাকলেও সেগুলোর পরিমাণ খুবই কম। ফলে শুধু এসব খনিজের উপস্থিতির কারণে পিংক সল্টকে সাধারণ লবণের তুলনায় বেশি স্বাস্থ্যকর বলা যায় না।লবণ খাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়লবণ পিংক সল্ট হোক বা সাধারণ লবণ—দুটিতেই সোডিয়াম রয়েছে। তাই কোন ধরনের লবণ ব্যবহার করা হচ্ছে তার পাশাপাশি মোট কতটা লবণ খাওয়া হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।শুধু স্বাস্থ্য উপকারের আশায় সাধারণ লবণের পরিবর্তে পিংক সল্ট ব্যবহার করাকে প্রয়োজনীয় মনে করার মতো পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।সারকথা: পিংক সল্ট দেখতে আলাদা এবং এতে সামান্য কিছু অতিরিক্ত খনিজ রয়েছে। কিন্তু প্রচলিত নানা স্বাস্থ্য দাবির বিপরীতে এর বিশেষ উপকারিতা এখনো শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণে প্রতিষ্ঠিত নয়।

 হিমালয়ান পিংক সল্ট কি সাধারণ লবণের চেয়ে বেশি উপকারী?

ইলিশ খেলে মন ভালো রাখার হরমোন বাড়ে, তবে সতর্ক থাকতে হবে যাঁদের

ইলিশ খেলে মন ভালো রাখার হরমোন বাড়ে, তবে সতর্ক থাকতে হবে যাঁদেরইলিশ শুধু স্বাদের জন্যই জনপ্রিয় নয়, পুষ্টিগুণের কারণেও এটি বাঙালির খাদ্যতালিকায় বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। এই মাছে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, ভিটামিন ও বিভিন্ন ধরনের খনিজ উপাদান।তবে ইলিশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সবার জন্য একই পরামর্শ প্রযোজ্য নয়। বিশেষ কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে পরিমাণ ও রান্নার ধরন নিয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।ইলিশে রয়েছে ওমেগা-৩ ও প্রোটিনইলিশে থাকা ডিএইচএ (DHA) ও ইপিএ (EPA) ধরনের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো হৃদ্‌স্বাস্থ্যসহ শরীরের বিভিন্ন স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে।এ ছাড়া ইলিশে ভালো পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম ইলিশে প্রায় ২০ থেকে ২৫ গ্রাম প্রোটিন থাকতে পারে। পেশি, কোষ ও শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য প্রোটিন প্রয়োজন।হাড় ও রোগ প্রতিরোধে পুষ্টি উপাদানইলিশে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ রয়েছে। এসব উপাদান হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।এ ছাড়া মাছটিতে ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, জিংক ও সেলেনিয়াম রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসহ বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে ভূমিকা রাখে।মন ভালো রাখতেও ভূমিকা রাখতে পারেইলিশে আরজিনিনসহ কিছু পুষ্টি উপাদান রয়েছে। প্রতিবেদনে পুষ্টিবিদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইলিশ খাওয়ার সঙ্গে মেজাজ ভালো রাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু হরমোনের নিঃসরণের সম্পর্ক থাকতে পারে।তবে খাবার হিসেবে ইলিশ একাই মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা সমাধান করে—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।কীভাবে ইলিশ রান্না করলে ভালো?ইলিশের পুষ্টিগুণের পাশাপাশি রান্নার পদ্ধতির দিকেও নজর দেওয়া দরকার। অতিরিক্ত তেলে ভাজলে মাছের ক্যালরির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম বেক করা ইলিশে প্রায় ২৫০ ক্যালরি থাকতে পারে। অতিরিক্ত তেলে ভাজলে ক্যালরির পরিমাণ ৩৫০-এর বেশি হতে পারে।তাই বেশি তেলে ডুবিয়ে ভাজার পরিবর্তে ভাপে, বেক করে, গ্রিল করে অথবা অল্প তেলে রান্না করে খাওয়া তুলনামূলকভাবে ভালো পদ্ধতি হতে পারে।যাঁদের ইলিশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজনসামুদ্রিক খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ইলিশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।কিডনির সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদেরও ইলিশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। মাছটিতে ফসফরাস ও সোডিয়াম থাকায় এ ধরনের রোগীদের ব্যক্তিগত খাদ্যচাহিদা অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত।গর্ভবতী নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে সতর্কতামাছের উৎস ও পরিবেশের ওপর নির্ভর করে এতে পারদ বা অন্যান্য দূষক পদার্থের উপস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। তাই গর্ভবতী নারী, স্তন্যদানকারী মা ও শিশুদের মাছ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে উৎস, পরিমাণ ও খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।ইলিশের ডিম কারা এড়িয়ে চলবেন?ইলিশের ডিম অনেকের কাছে প্রিয় খাবার হলেও এতে চর্বি ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপ বা উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ইলিশের ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা ভালো।পরিমিত ইলিশ হতে পারে পুষ্টিকর খাবারইলিশে প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। তাই পরিমিত পরিমাণে এবং স্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে রান্না করে খেলে এটি সুষম খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে।তবে অ্যালার্জি, কিডনি সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ বা উচ্চ কোলেস্টেরলের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকলে নিজের শারীরিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইলিশ খাওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত। প্রয়োজনে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

ইলিশ খেলে মন ভালো রাখার হরমোন বাড়ে, তবে সতর্ক থাকতে হবে যাঁদের

শিশুর কানে সংক্রমণ হলে কী করবেন, যেসব লক্ষণে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি

SEO Title: শিশুর কানে সংক্রমণ হলে কী করবেন, যেসব লক্ষণে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরিSubtitle: Article Category: লাইফস্টাইলশিশুদের মধ্যে কানে সংক্রমণ বা কান পাকা একটি পরিচিত স্বাস্থ্যসমস্যা। বিশেষ করে ৬ মাস থেকে ২ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এ সমস্যা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। সময়মতো লক্ষণ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও যত্ন নেওয়া গেলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।তবে ছোট শিশু নিজের কানে ব্যথা বা অস্বস্তির কথা বলতে পারে না। তাই তাদের আচরণ ও শারীরিক কিছু পরিবর্তনের দিকে অভিভাবকদের নজর রাখা জরুরি।যেসব লক্ষণে বুঝবেন কানে সংক্রমণ হতে পারেশিশুর কানে সংক্রমণ হলে কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যেমন—বারবার কানে হাত দেওয়া বা কান টানাঅস্বাভাবিক খিটখিটে মেজাজস্বাভাবিকের তুলনায় বেশি কান্নাশুয়ে থাকলে অস্বস্তি বা কান্না বেড়ে যাওয়াজ্বরঘুমের সমস্যাখাবারের প্রতি অনীহাকান থেকে তরল বা পুঁজ বের হওয়াবিশেষ করে কথা বলতে না পারা শিশুর ক্ষেত্রে বারবার কান ধরা বা টানা কানের অস্বস্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।শিশুদের কানে সংক্রমণ বেশি হওয়ার কারণশিশুদের কানের গঠনও এ ধরনের সংক্রমণের অন্যতম কারণ। কান ও গলার মধ্যে সংযোগকারী ইউস্টাচিয়ান টিউব শিশুদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক ছোট ও সরু হওয়ায় নাক বা গলার সংক্রমণ সহজেই কানে ছড়িয়ে পড়তে পারে।সর্দি-কাশি বা ভাইরাসজনিত সংক্রমণের পরও শিশুর কানে সংক্রমণ দেখা দিতে পারে।কিছু অভ্যাস ও পরিবেশগত কারণেও ঝুঁকি বাড়তে পারে। যেমন—শুয়ে থাকা অবস্থায় শিশুকে বোতলে দুধ খাওয়ানোসিগারেটের ধোঁয়ার সংস্পর্শে থাকাডে-কেয়ারে থাকাপরিবারের অন্য সদস্যদের কানে সংক্রমণের ইতিহাস থাকাকানে সংক্রমণ হলে কী করবেনশিশুর কানে সংক্রমণের সন্দেহ হলে প্রথমে তার ব্যথা ও অস্বস্তি কমানোর দিকে নজর দিতে হবে। প্রয়োজন হলে শিশুর বয়স ও ওজন অনুযায়ী ব্যথানাশক ব্যবহারের বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।কানের বাইরে থেকে হালকা গরম সেঁক দিলে সাময়িকভাবে আরাম পেতে পারে। জ্বর থাকলে শিশুকে পর্যাপ্ত তরল ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।খাওয়ানোর সময় শিশুকে যতটা সম্ভব সোজা করে রাখা ভালো। বিশেষ করে শুয়ে থাকা অবস্থায় বোতলে দুধ খাওয়ানো এড়িয়ে চলা উচিত।শিশুর কানে কটন বাড বা তেল দেবেন নাকানে সংক্রমণের সন্দেহ হলে অনেক অভিভাবক কটন বাড, তুলা বা অন্য কোনো বস্তু দিয়ে শিশুর কান পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন। এটি করা উচিত নয়।চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শিশুর কানে তেল, ড্রপ বা অন্য কোনো তরলও দেওয়া ঠিক নয়। এতে কানের ভেতরের অংশে ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে এবং সংক্রমণের সমস্যা আরও বাড়তে পারে।কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেনকিছু লক্ষণ দেখা দিলে বাড়িতে অপেক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। যেমন—তীব্র জ্বর হলে৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উপসর্গের উন্নতি না হলেকান থেকে পুঁজ বা রক্তমিশ্রিত তরল বের হলেশিশু অস্বাভাবিকভাবে ঝিমিয়ে পড়লেখেতে না চাইলেকানের চারপাশ ফুলে বা লাল হয়ে গেলেশুনতে সমস্যা দেখা দিলেভারসাম্য রাখতে সমস্যা হলেবিশেষ করে ৩ মাসের কম বয়সী শিশুর জ্বর হলে দ্রুত শিশুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।বারবার সংক্রমণ হলে সতর্কতা জরুরিসময়মতো চিকিৎসা পেলে শিশুদের কানের সংক্রমণ সাধারণত বড় ধরনের জটিলতা ছাড়াই ভালো হয়ে যায়। তবে বারবার কানে সংক্রমণ হলে শিশুর শ্রবণশক্তি ও ভাষা বিকাশে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।তাই শিশুর কানে সংক্রমণ বারবার হলে বা উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ছোট শিশুর ক্ষেত্রে নিজের মতো করে ওষুধ বা কানের ড্রপ ব্যবহার না করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াই নিরাপদ।চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য: ডা. মানিক মজুমদার, শিশু ও নবজাতকবিশেষজ্ঞ।

শিশুর কানে সংক্রমণ হলে কী করবেন, যেসব লক্ষণে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream