ঢাকা    রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা
কিশোরীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জার্মানিতে রোবট জব্দ, আটক ২

কিশোরীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জার্মানিতে রোবট জব্দ, আটক ২

জার্মানিতে এক কিশোরীকে যৌন হয়রানিতে রোবট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় লাল ও সোনালি রঙের একটি রোবট জব্দ করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর ও ১৯ বছর বয়সী এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। দেশটির কোলন শহরে এ ঘটনা ঘটেছে। শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ফাস্ট ফুডের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়, রোবটটি ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরীর শরীরে হাত রাখে এবং তাঁর শরীরের সঙ্গে ধাক্কা দিয়ে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ নড়াচড়া করে। এ সময় কিশোরী চিৎকার করে সরে যান। নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া রাজ্য পুলিশ জানিয়েছে, আটক দুজন ওই সময় ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করছিলেন এবং এ নিয়ে মন্তব্য করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা ওই রোবটটি পরিচালিত করছিল বলেও অভিযোগে উঠে এসেছে। পুলিশের ফেসবুক পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতের কিছু আগে এই ঘটনা ঘটে। কিশোরীটি তার বন্ধুদের সঙ্গে ছিল। তার পেছন দিক থেকে এগিয়ে আসে ১২০ সেন্টিমিটার (৩ দশমিক ৯ ফুট) লম্বা রোবটটি। এরপর তার কোমড়ের নিচের অংশে হাত রাখে। খবর পেয়ে জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। এর কিছুক্ষণ পর কাছের একটি সড়কের এক ব্লক দূরে ওই কিশোর ও ১৯ বছর বয়সী ব্যক্তিকে পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, কিশোরটি রোবটটি একটি গাড়ির পেছনে রেখেছিল। সেখান থেকেই সেটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রকাশ করা একটি ছবিতে রোবটটিকে কালো গোঁফ, সোনালি রঙের চেইন ও সাদা গেঞ্জি পরা অবস্থায় দেখা যায়। রোবটটির পাশাপাশি অভিযুক্ত দুজনের দুটি মুঠোফোনও জব্দ করেছে পুলিশ। ঘটনার সময় কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে রোবটটির নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পরে ফেসবুকে দেওয়া আরেকটি পোস্টে পুলিশ এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা কিছু মন্তব্যের বিষয়ে সতর্ক করে। পুলিশ জানায়, কিছু মন্তব্য ‘সীমা লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে এবং সবচেয়ে খারাপ ক্ষেত্রে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।’

জার্মানি থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইটে ‘হাইজ্যাক অ্যালার্ট’, জয়পুরে জরুরি অবতরণ

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে ভারতগামী একটি ফ্লাইটে আকস্মিক ‘হাইজ্যাক অ্যালার্ট’-এর (উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের সংকেত) পর আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৯ উড়োজাহাজের ফ্লাইটটি দিল্লিতে অবতরণের কথা থাকলেও নিরাপত্তা শঙ্কায় সেটিকে রাজস্থানের জয়পুরে জরুরি অবতরণ করানো হয়। পরে দীর্ঘ তল্লাশি ও সুরক্ষা পরীক্ষা শেষে আজ বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ফ্লাইটটি দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে পৌঁছায়। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, উড়োজাহাজটিতে ২৯৩ জন যাত্রী এবং ১৩ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। বিমান চলাচলের আন্তর্জাতিক কোড ৭৫০০ (যা মূলত বিমান ছিনতাই বা অবৈধ নিয়ন্ত্রণের সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়) ট্রান্সপন্ডারের মাধ্যমে পাঠানো হলে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা পায়। এর পরপরই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রটোকলে উড়োজাহাজটিকে জয়পুর বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে নেওয়া হয় এবং সেখানে সম্পূর্ণ আলাদা একটি (আইসোলেশন) বে-তে রাখা হয়। জয়পুর বিমানবন্দরে নামার পর প্রায় ২ ঘণ্টা যাত্রীদের বিমানের ভেতরেই অপেক্ষা করতে হয়। পরবর্তীতে ভারতের বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড, সিআইএসএফ, স্থানীয় পুলিশ ও অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস) এসে সম্পূর্ণ বিমান ও যাত্রীদের পাসপোর্ট এবং মালামাল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে স্ক্যান করে। উড়োজাহাজের যাত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিক গুরজিৎ সিং খালসা জানান, প্রথমে তাদের নিরাপত্তা পরীক্ষার কথা বলা হয়। তিনি বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আমাদের নামানো হয়। ওই সময় বিমানবন্দরে আমরা অনেক নিরাপত্তা সদস্য দেখতে পাই। তাঁরা নাম ধরে ধরে কিছু যাত্রীর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে। ২৫ বছর বয়সী মেডিকেল শিক্ষার্থী জেনিস তাঁর সঙ্গীর সঙ্গে ছুটি কাটাতে দিল্লি যাচ্ছিলেন। তিনি জানান, বিমানটি যখন নিচে নামছিল, তখন ক্রুরা যাত্রীদের যাত্রাপথ পরিবর্তনের (ডাইভারশন) বিষয়টি জানান। জেনিস দ্য হিন্দুকে বলেন, ‘নিচে নামার সময় ক্রুরা জানান, নিরাপত্তার কারণে উড়োজাহাজটিকে জয়পুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অবতরণের পর বাইরে বেরিয়ে আমরা ফায়ার সার্ভিসের অনেক কর্মীকে দেখতে পাই। তাদের দেখে ভেবেছিলাম, হয়তো ইঞ্জিনে কোনো গোলযোগ হয়েছে। এরপর অন্য ধরনের ইউনিফর্ম পরা লোকজনকে দেখে মনে হলো, আসলে হয়তো কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি ছিল।’ জেনিস জানান, পরে তাঁর সঙ্গীর মা তাঁদের বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টার খবর সংক্রান্ত একটি ক্লিপ পাঠান। বিষয়টি তাদের উদ্বিগ্ন করে তোলে। তিনি বলেন, ‘তিনি খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। পরে আমরা তাঁকে জানাই, আমরা নিরাপদে আছি।’ কারিগরি ত্রুটি নাকি ভুল প্রাথমিক তদন্ত ও রাজস্থান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বৈমানিকের ভুল বা কারিগরি কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ওই ট্রান্সপন্ডার কোডটি গিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশটির ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ) এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। এয়ার ইন্ডিয়া যাত্রীদের এই সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।

জার্মানি থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইটে ‘হাইজ্যাক অ্যালার্ট’, জয়পুরে জরুরি অবতরণ

জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার

নাটোর রেলস্টেশন থেকে জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের চুরি হওয়া ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়েছে। শহরের কাপুড়িয়া পট্টি নূর ক্লথ স্টোরের পাশ থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে সদর থানায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক। পুলিশ সুপার জানান, ল্যাপটপ হারানোর পরের দিন ৮ তারিখ সকালে নাটোর শহরের কাপুড়িয়া পট্টির বাসিন্দা অমল কুমার সাহা তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনে করে সান্তাহার হয়ে নওগাঁ যাওয়ার সময় সিটের নিচে একটি ব্যাগ পান। ব্যাগটি নিয়ে তিনি নওগাঁ চলে যান। পরে ব্যাগ খুলে ল্যাপটপ দেখে তিনি তার ছেলে অন্তরের সঙ্গে কথা বলেন। সংবাদমাধ্যমে জার্মান তরুণ পর্যটকের ল্যাপটপ হারানোর ঘটনা জেনে বাবা অমল সাহা ছেলেকে বিষয়টি জানান। পরে অন্তর রোববার রাতে পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল কাপুড়িয়া পট্টির নূর ক্লথ স্টোরের পাশ থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ল্যাপটপটি উদ্ধারের ঘটনা ক্রিল ল্যান্ডার কিরিলকে জানানো হয়েছে। এতে তিনি পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলে জানান পুলিশ সুপার। তবে দেশজুড়ে এত আলোচিত একটি বিষয় হওয়ার পরও ল্যাপটপটি পাওয়ার চার দিন পর কেন অমল সাহা পুলিশকে ফেরত দিলেন, তার কোনো সদুত্তর তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করতে এসে জার্মান তরুণ ক্রিল ল্যান্ডার কিরিল বগুড়া থেকে একটি লোকাল ট্রেনে করে সান্তাহার স্টেশনে আসেন। পরে সান্তাহার থেকে বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে তিনি নাটোর রেলস্টেশনে এসে ভুল করে নেমে পড়েন। নাটোর থেকে তিনি অন্য একটি ট্রেনে করে বাংলাদেশের দর্শনা সীমান্ত হয়ে ভারতে যাওয়ার কথা ছিল। এজন্য তিনি নাটোর রেলস্টেশনে প্ল্যাটফর্মের ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করছিলেন। সেখানে হলুদ ভেস্ট পরা এক যুবক নিজেকে রেলকর্মী পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন। পরে ক্রিল ল্যান্ডার ওই যুবকের কাছে নিজের ব্যাগ রেখে টিকিট কাটতে যান। ফিরে এসে তিনি দেখেন, ব্যাগসহ ওই যুবক উধাও হয়ে গেছেন। এ বিষয়ে তিনি রাতেই নাটোর থানায় অভিযোগ করেন। এ সময় পুলিশ ও সংবাদকর্মীরা তার প্রতি আন্তরিকতা প্রদর্শন করায় তিনি খুশি হন। পরে তার অবস্থানের সুবিধার জন্য প্রথমে রাজশাহী ও পরে তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। এদিকে, ল্যাপটপ ও ক্যামেরার ব্যাগ নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়া যুবককে ধরিয়ে দিতে সহায়তাকারী ও তথ্যদাতাদের পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৫)।  এসআরবি-৫ সিপিসি-২ সূত্র জানায়, সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে অভিযুক্তের চেহারা শনাক্ত হওয়ার পর শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে নাটোর ও আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশনসহ জনবহুল এলাকায় ওই যুবকের ছবি সংবলিত পুরস্কার ঘোষণার পোস্টার লাগিয়েছে এসআরবি। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে তাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার

ল্যাপটপ ও ক্যামেরা চুরি যাওয়া জার্মান তরুণকে ম্যাকবুক উপহার

রেলস্টেশন থেকে ল্যাপটপ ও ক্যামেরা চুরি যাওয়া সেই জার্মান নাগরিক কিরিল ল্যান্ডার উইবারকে ম্যাকবুক উপহার দিয়েছেন আঞ্জুমান ডিজাইনার্স লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার মুক্তি মাহমুদ। এদিকে তিনদিন পার হলেও সন্ধান মেলেনি জার্মান তরুণের ল্যাপটপ ও ক্যামেরার। গুরুত্বপূর্ণ এসব সরঞ্জাম উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ, এসআরবি ও অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। নাটোর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম জানান, ঘটনাটি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অনুসন্ধান চালাচ্ছেন। সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ পর্যালোচনা করে তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। এর পেছনে কারা জড়িত এবং সেগুলো কোথায় রয়েছে এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালানোর চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করতে এসে জার্মান নাগরিক কিরিল ল্যান্ডার উইবার বগুড়া থেকে একটি লোকাল ট্রেনে সান্তাহারে আসেন। পরে সান্তাহার থেকে বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে তিনি নাটোর রেলস্টেশনে এসে নামেন। এরপর নাটোর থেকে তিনি অন্য একটি ট্রেনে করে বাংলাদেশের দর্শনা বর্ডার হয়ে ভারতে যাবেন। এজন্য তিনি নাটোর রেলস্টেশনে প্লাটফর্মের ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করছিলেন। এক সময় সেই চোর যুবকটি তার ল্যাপটপ ও ক্যামেরার ব্যাগ নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বুধবার রাতে নাটোর সদর থানা পুলিশের কাছে তিনি অভিযোগ করেছেন। রেলওয়ে পুলিশের সান্তাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল উদ্দিন বলেন, ‘নাটোর ও সান্তাহার প্লাটফর্মের সিসিটিভি ফুটেজে ভেস্ট পরিহিত লোকটিকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তিনি রেলওয়ের কেউ নন। প্রাথমিক ধারণা- তিনি কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতা কর্মী হতে পারেন।’ ওসি বলেন, ‘প্রথম দিন ল্যাপটপটির অবস্থান জানতে পারলেও এখন আর তা জানা যাচ্ছে না। হারিয়ে যাওয়া ব্যাগটি উদ্ধারে তদন্ত অব্যাহত আছে।’

ল্যাপটপ ও ক্যামেরা চুরি যাওয়া জার্মান তরুণকে ম্যাকবুক উপহার
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream