ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা

ইমরানের পাশে কিরণ, সাবা


| প্রিন্ট সংস্করণ

ইমরানের পাশে কিরণ, সাবা
ইমরানের পাশে কিরণ, সাবা। কোলাজ

ভারত ছাড়ার নির্দেশ পেয়েছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। ২৮ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে ভারত ছাড়তে বলেছে দেশটির ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও)। যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টধারী ও ভারতের ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া (ওসিআই) কার্ডের অধিকারী এই অভিনেতার বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপের খবর প্রকাশ্যে আসার পর তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন নির্মাতা কিরণ রাও ও অভিনেত্রী সাবা আজাদ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ইমরানকে নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় কিরণ লিখেছেন, ‘বাহ, এবার মুম্বাই পুলিশও?’ এরপর ইমরানের জীবনের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সম্পর্ক তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘৪৩ বছর বয়স। এর মধ্যে ৪০ বছরই ভারতে। এখানে পড়াশোনা করেছে, কাজ করেছে, সফল হয়েছে, ব্যর্থ হয়েছে, ভালোবেসেছে ও লড়াই করেছে।’ ইমরান খান অভিনেতা আমির খানের ভাগনে। আর কিরণ রাও আমির খানের সাবেক স্ত্রী। সেই সূত্রে দীর্ঘদিন ধরেই ইমরানকে চেনেন কিরণ।

ইমরানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন অভিনেত্রী সাবা আজাদও। বলিউড তারকা হৃতিক রোশনের সঙ্গে সম্পর্কে থাকা এই অভিনেত্রী খবরটি দেখে লিখেছেন, ‘কী! এটা পুরোপুরি বাজে কথা।’

কেন ভারত ছাড়ার নির্দেশবিতর্কের সূত্রপাত ১০ অক্টোবর। সেদিন মুম্বাইয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত একটি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন ইমরান খান। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আয়োজিত ওই বিক্ষোভে ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রম—স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর—নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, নির্বাচন কমিশনের এই কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগের জবাব দিতে হবে।

ওই কর্মসূচিতে ইমরানের সঙ্গে তাঁর প্রেমিকা লেখাও ওয়াশিংটনও অংশ নিয়েছিলেন। পরে দুজনকেই আটক করে মুম্বাই পুলিশ। আটক হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের গাড়ির ভেতর থেকে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করেন ইমরান। ছবির ক্যাপশনে রসিকতা করে লেখেন, ‘দেখা যাচ্ছে, আমাকে গাড়িতে ঘোরাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

বিজেপি নেতার অভিযোগের পর পদক্ষেপহিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ অক্টোবর ইমরানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করে এফআরআরও। নোটিশে ২০২৫ সালের অভিবাসন ও বিদেশি নাগরিকবিষয়ক আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা কিরিট সোমাইয়া অভিযোগ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট ও ওসিআই কার্ড থাকা সত্ত্বেও ইমরান ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগের পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।মুম্বাই পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এফআরআরওর পক্ষ থেকেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ইমরানকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতিএফআরআরওর নির্দেশের বিরুদ্ধে বোম্বে হাইকোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইমরান। তাঁর আইনজীবী জুলফিকার মেমন জানিয়েছেন, নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আবেদন করা হবে। শুক্রবার অথবা সোমবারের মধ্যে আবেদনটি জমা পড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইমরানের আইনজীবী দলের যুক্তি, ওসিআই কার্ডধারীদের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নিষিদ্ধ—এমন কোনো নির্দিষ্ট বিধান আইনে নেই। তাঁদের মতে, ভারত ছাড়ার নির্দেশটি অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ।

বিদেশি পাসপোর্ট নিয়ে যা বলেছিলেন ইমরানভারতের নাগরিকত্ব ও বিদেশি পাসপোর্ট নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। এই ঘটনা সামনে আসতেই আলোচনায় এসেছে ১৫ বছর আগের একটি সাক্ষাৎকার, যেখানে ইমরান জানিয়েছিলেন, তিনি ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

২০১১ সালে ‘মেরে ব্রাদার কি দুলহান’ সিনেমার প্রচারের সময় নিজের নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বলেছিলেন ইমরান। ক্যাটরিনা কাইফ ও আলী জাফর অভিনীত ওই সিনেমার প্রচারে তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট থাকলেও তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে আগ্রহী। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করছি। এ–সংক্রান্ত সরকারি প্রক্রিয়া চলছে। আশা করছি, শিগগিরই পাসপোর্ট পেয়ে যাব। সামনে বড় কিছু কাজ রয়েছে।’

ইমরানের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের ম্যাডিসনে। তাঁর বাবা অনিল পাল ও মা নুহা খানের বিচ্ছেদের পর মায়ের সঙ্গে মুম্বাইয়ে বেড়ে ওঠেন তিনি। মায়ের পদবি গ্রহণ করে পরিচিত হন ইমরান খান নামে। ‘জানে তু...ইয়া জানে না’, ‘আই হেট লাভ স্টোরিজ’ ও ‘দিল্লি বেলি’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে হিন্দি চলচ্চিত্রে পরিচিতি পান তিনি। তবে ভারতীয় সিনেমায় কাজ করলেও সে সময় তিনি ওয়ার্কিং ভিসায় দেশটিতে অবস্থান করছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতে স্থায়ীভাবে বসবাসের ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন ইমরান। সে সময় তাঁর স্ত্রী ছিলেন ভারতীয় নাগরিক অবন্তিকা মালিক। ইমরান বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি, নিজের দেশের সেবা করা আমার দায়িত্ব। আমি এখানকার নাগরিক নই বলে ভোট দিতে পারি না। তবে ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নিই। কারণ, নিজেকে এই দেশেরই একজন মনে করি।’

এর আগে মহারাষ্ট্রে বৈধভাবে মদ্যপানের বয়সসীমা নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা করার উদ্যোগ নিয়েও আলোচনায় এসেছিলেন ইমরান। তবে বিদেশি নাগরিক হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়ায় জটিলতার মুখে পড়েছিলেন তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমস ও ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে

বিষয় : আন্দোলন বিতর্ক বলিউড তারকা

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

নগদ বার্তা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


ইমরানের পাশে কিরণ, সাবা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভারত ছাড়ার নির্দেশ পেয়েছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। ২৮ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে ভারত ছাড়তে বলেছে দেশটির ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও)। যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টধারী ও ভারতের ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া (ওসিআই) কার্ডের অধিকারী এই অভিনেতার বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপের খবর প্রকাশ্যে আসার পর তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন নির্মাতা কিরণ রাও ও অভিনেত্রী সাবা আজাদ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ইমরানকে নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় কিরণ লিখেছেন, ‘বাহ, এবার মুম্বাই পুলিশও?’ এরপর ইমরানের জীবনের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সম্পর্ক তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘৪৩ বছর বয়স। এর মধ্যে ৪০ বছরই ভারতে। এখানে পড়াশোনা করেছে, কাজ করেছে, সফল হয়েছে, ব্যর্থ হয়েছে, ভালোবেসেছে ও লড়াই করেছে।’ ইমরান খান অভিনেতা আমির খানের ভাগনে। আর কিরণ রাও আমির খানের সাবেক স্ত্রী। সেই সূত্রে দীর্ঘদিন ধরেই ইমরানকে চেনেন কিরণ।

ইমরানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন অভিনেত্রী সাবা আজাদও। বলিউড তারকা হৃতিক রোশনের সঙ্গে সম্পর্কে থাকা এই অভিনেত্রী খবরটি দেখে লিখেছেন, ‘কী! এটা পুরোপুরি বাজে কথা।’

কেন ভারত ছাড়ার নির্দেশবিতর্কের সূত্রপাত ১০ অক্টোবর। সেদিন মুম্বাইয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত একটি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন ইমরান খান। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আয়োজিত ওই বিক্ষোভে ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রম—স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর—নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, নির্বাচন কমিশনের এই কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগের জবাব দিতে হবে।

ওই কর্মসূচিতে ইমরানের সঙ্গে তাঁর প্রেমিকা লেখাও ওয়াশিংটনও অংশ নিয়েছিলেন। পরে দুজনকেই আটক করে মুম্বাই পুলিশ। আটক হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের গাড়ির ভেতর থেকে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করেন ইমরান। ছবির ক্যাপশনে রসিকতা করে লেখেন, ‘দেখা যাচ্ছে, আমাকে গাড়িতে ঘোরাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

বিজেপি নেতার অভিযোগের পর পদক্ষেপহিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ অক্টোবর ইমরানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করে এফআরআরও। নোটিশে ২০২৫ সালের অভিবাসন ও বিদেশি নাগরিকবিষয়ক আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা কিরিট সোমাইয়া অভিযোগ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট ও ওসিআই কার্ড থাকা সত্ত্বেও ইমরান ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগের পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।মুম্বাই পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এফআরআরওর পক্ষ থেকেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ইমরানকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতিএফআরআরওর নির্দেশের বিরুদ্ধে বোম্বে হাইকোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইমরান। তাঁর আইনজীবী জুলফিকার মেমন জানিয়েছেন, নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আবেদন করা হবে। শুক্রবার অথবা সোমবারের মধ্যে আবেদনটি জমা পড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইমরানের আইনজীবী দলের যুক্তি, ওসিআই কার্ডধারীদের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নিষিদ্ধ—এমন কোনো নির্দিষ্ট বিধান আইনে নেই। তাঁদের মতে, ভারত ছাড়ার নির্দেশটি অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ।

বিদেশি পাসপোর্ট নিয়ে যা বলেছিলেন ইমরানভারতের নাগরিকত্ব ও বিদেশি পাসপোর্ট নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। এই ঘটনা সামনে আসতেই আলোচনায় এসেছে ১৫ বছর আগের একটি সাক্ষাৎকার, যেখানে ইমরান জানিয়েছিলেন, তিনি ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

২০১১ সালে ‘মেরে ব্রাদার কি দুলহান’ সিনেমার প্রচারের সময় নিজের নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বলেছিলেন ইমরান। ক্যাটরিনা কাইফ ও আলী জাফর অভিনীত ওই সিনেমার প্রচারে তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট থাকলেও তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে আগ্রহী। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করছি। এ–সংক্রান্ত সরকারি প্রক্রিয়া চলছে। আশা করছি, শিগগিরই পাসপোর্ট পেয়ে যাব। সামনে বড় কিছু কাজ রয়েছে।’

ইমরানের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের ম্যাডিসনে। তাঁর বাবা অনিল পাল ও মা নুহা খানের বিচ্ছেদের পর মায়ের সঙ্গে মুম্বাইয়ে বেড়ে ওঠেন তিনি। মায়ের পদবি গ্রহণ করে পরিচিত হন ইমরান খান নামে। ‘জানে তু...ইয়া জানে না’, ‘আই হেট লাভ স্টোরিজ’ ও ‘দিল্লি বেলি’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে হিন্দি চলচ্চিত্রে পরিচিতি পান তিনি। তবে ভারতীয় সিনেমায় কাজ করলেও সে সময় তিনি ওয়ার্কিং ভিসায় দেশটিতে অবস্থান করছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতে স্থায়ীভাবে বসবাসের ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন ইমরান। সে সময় তাঁর স্ত্রী ছিলেন ভারতীয় নাগরিক অবন্তিকা মালিক। ইমরান বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি, নিজের দেশের সেবা করা আমার দায়িত্ব। আমি এখানকার নাগরিক নই বলে ভোট দিতে পারি না। তবে ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নিই। কারণ, নিজেকে এই দেশেরই একজন মনে করি।’

এর আগে মহারাষ্ট্রে বৈধভাবে মদ্যপানের বয়সসীমা নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা করার উদ্যোগ নিয়েও আলোচনায় এসেছিলেন ইমরান। তবে বিদেশি নাগরিক হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়ায় জটিলতার মুখে পড়েছিলেন তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমস ও ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে


নগদ বার্তা

সম্পাদক: মোহাম্মদ মঞ্জুরুল কবির (মঞ্জু)
সহ-সম্পাদক: মেহজাবীন মাহবুব পাভেল
প্রকাশক: জাহিন ফয়সাল (শুভ) 

২০২৬ © নগদ বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ইমরানের পাশে কিরণ, সাবা
0:00 0:00
1.0x
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream