ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা
ফ্রান্সজুড়ে ফের বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, যোগ দিলেন থুনবার্গ

ফ্রান্সজুড়ে ফের বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, যোগ দিলেন থুনবার্গ

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে মঙ্গলবার ফ্রান্সে নতুন করে বিক্ষোভ হয়েছে। এতে সমর্থন দেয় বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়ন ও কট্টর ডানপন্থি দল ‘ফ্রান্স আনবাওড’। বিক্ষোভকারীরা রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে মিছিল করেন। কয়েকটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও আটকের ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেহাল দশার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ করে আসছে। মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এএফপি প্রকাশিত ছবিতে প্যারিস, রোনের লিঁয়, ফিনিস্তের ব্রেস্ত, লোয়ার আতলান্তিকের নাঁত, বুশ দ্যু রোঁর মার্সেই এবং সেন-সাঁ-দনি শহরে মিছিল, টিয়ারগ্যাস, ভাঙচুর ও আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও সুইডিশ জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। প্যারিসের উপশহর সাঁ-দনিতে তিনি এএফপিকে বলেন, ‘তরুণদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ও তাদের মতামতের গুরুত্বই দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের ভবিষ্যৎ আমাদের কাছে থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’ প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর উত্তরসূরি বেছে নিতে দেশটিতে কয়েক মাস পর নির্বাচন হওয়ার কথা। আর বিদ্যালয়গুলোতে চলতি সপ্তাহের শেষে ‘হাফ-টার্ম’ ছুটি শুরু হবে। কর্তৃপক্ষ আশা করেছিল, এর আগে বিক্ষোভ হয়তো কিছুটা কমে যাবে। কিন্তু মঙ্গলবার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে আবর্জনার স্তূপ ও অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে প্রবেশ পথ আটকে দেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। শীর্ষস্থানীয় ছাত্র সংগঠন ‘ইউনিয়ন এতুদিয়ন্ত’ জানিয়েছে, বিক্ষোভের অংশ হিসেবে ৭০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৯০ শতাংশই বন্ধ আছে। শিক্ষার্থীরা ‘হাফ-টার্ম’ ছুটির পর নতুন করে আন্দোলনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইয়ের ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী সাইমন ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরকে বলে, তারা ছুটির পর আন্দোলন শুরু করতে প্রস্তুত। গত বৃহস্পতিবারও ফ্রান্সজুড়ে রাস্তায় নেমেছিল ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। ওই বিক্ষোভ থেকে প্রায় ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা থেকে ৫১ ফ্লাইট বাতিল–স্থগিত, যেতে পারেননি ৫ হাজার ৪১৮ যাত্রী

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল কার্যক্রম বন্ধ করার কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ৫১টি ফ্লাইটে সরাসরি প্রভাব পড়েছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল ও কিছু স্থগিত হয়েছে। এসব ফ্লাইটের ৫ হাজার ৪১৮ জন যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যাদের ঢাকা থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার কথা ছিল। আজ সোমবার বিকেলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে। গত শনিবার রাত থেকে আজ সোমবার বিকেল পর্যন্ত এসব ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত হয়েছে। বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, ৫১টি ফ্লাইটের মধ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে সরাসরি চলাচলকারী ফ্লাইট ১২টি। বাকি ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট। সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চারটি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দুটি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের তিনটি এবং রিয়াদ এয়ারের তিনটি ফ্লাইট রয়েছে। অন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ১৬টি, সালাম এয়ারের তিনটি, ইজিপ্টএয়ারের একটি, এমিরেটসের নয়টি, কাতার এয়ারওয়েজের পাঁচটি এবং ফ্লাইদুবাইয়ের পাঁচটি ফ্লাইট রয়েছে। বেবিচকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রমের ওপর বিধিনিষেধের প্রভাব এখন শুধু সরাসরি ফ্লাইটে সীমাবদ্ধ নেই; বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসের ট্রানজিট ফ্লাইটও এর আওতায় এসেছে। এতে যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফ্লাইট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪–এর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াদগামী সব ফ্লাইট হয় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, নয়তো বাতিল করা হয়েছে। গত শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বড় ধরনের হামলা হওয়ার পর এ সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট স্থগিতের তথ্য দিয়ে রয়টার্স বলেছে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সেখানে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছে। ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থাও যাচাই করতে বলা হয়েছে। বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা পথে তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এসব ফ্লাইটের নম্বর বিএস ৩৮১ ও বিএস ৩৮২। ফ্লাইটের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হলে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সৌদি আরবের যাত্রীদের আপাতত বিমানবন্দরে না যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ইউএস-বাংলা। ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা, পুনরায় টিকিট বুকিং ও অন্যান্য তথ্য জানতে বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিক্রয়কেন্দ্র বা ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। আজ বেলা ২টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে সৌদি আরবের দাম্মাম যাওয়ার কথা ছিল আবুল হোসেনের। সেই ফ্লাইট ধরতে নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে সকাল ১০টার দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন তিনি। এসে জানতে পারেন তাঁর ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ছয় বছর ধরে সৌদি আরবে কাজ করেন বলে জানালের আবুল হোসেন। রিয়াদে এখন টাইলস মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন। তিন মাসের ছুটিতে দেশে এসেছেন। তাই ছুটি অনুযায়ী তিন মাস আগেই ফেরার টিকিট কেটে রেখেছিলেন। এখন ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় নিজের কর্মস্থলে ফেরা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন আবুল হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছুটি শেষ হয়েছে। এখন যাইতে না পারলে চাকরি বাঁচানো যাবে না। সব কিছু অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে।’ আবুল হোসেনের মতোই ফ্লাইট বাতিল হয়েছে মো. মোসলেম তালুকদারের। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে তাঁর রিয়াদগামী ফ্লাইট ছিল। সেই ফ্লাইট ধরতে সকাল ১০টা থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের তথ্য জানতে পারেন। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মোসলেম তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুপুর ১২টায় ফ্লাইট ছিল, যেতে পারিনি, বিমান বন্ধ, ফ্লাইট ক্যান্সেল (বাতিল) হয়েছে। এখন দেখছি, অন্য কোনো ফ্লাইটে যেতে পারি কি-না। নইলে বাড়ি ফিরে যেতে হবে।’ রিয়াদের একটি দোকানে তাঁর কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল বলে জানান তিনি। আজ বেলা একটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য আসা ১৫ জনেরও বেশি যাত্রীর সঙ্গে কথা হয় প্রথম আলোর। তাদের বেশিরভাগই জানতেন না ফ্লাইট বাতিল হওয়ার বিষয়টি। আবার কেউ কেউ অপেক্ষা করছেন বিকল্প কোনো ফ্লাইটে গন্তব্যে যেতে।

ঢাকা থেকে ৫১ ফ্লাইট বাতিল–স্থগিত, যেতে পারেননি ৫ হাজার ৪১৮ যাত্রী

আদালত ভবনে দুই নারীর মারামারি, মামলা করলেন বিচারক

পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের বারান্দায় দুই নারীর মারামারি ও কয়েকজনের ধস্তাধস্তির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেছেন আদালত। সোমবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর থানার আমলী আদালতের বিচারক মো. সোহেল রানা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলাটি ক্রিমিনাল মিস কেস নম্বর ০১/২০২৬ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(গ) ধারায় আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, একটি ইউটিউব চ্যানেলে ‘পটুয়াখালীতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে দুই পক্ষের মারামারি’ শিরোনামে ভিডিও প্রচার করা হয়। এতে আদালত ভবনের বারান্দায় দুই নারীর মারামারি এবং কয়েকজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির দৃশ্য দেখা যায়। ঘটনাস্থলে একটি শিশুকেও দেখা গেছে। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও আদালত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চলাচলের নিরাপদ স্থান আদালত ভবন ও চত্বর। সেখানে প্রকাশ্যে মারামারি আইনশৃঙ্খলার পরিপন্থী। এতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ও আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হতে পারে। ঘটনাস্থলে শিশুর উপস্থিতিও উদ্বেগজনক। তবে ভিডিও দেখে মারামারিতে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, ‘দুই পক্ষ’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে, তাঁরা কোনো বিচারাধীন মামলার পক্ষ কি না, ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে এবং কেউ আহত হয়েছেন কি না– এসব বিষয় স্পষ্ট নয় বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি দণ্ডবিধির ১৫৯ ও ১৬০ ধারায় বর্ণিত মারামারি কিংবা পরিস্থিতি অনুযায়ী ৩২৩, ৩২৪, ৫০৬ ধারাসহ অন্যান্য অপরাধের আওতায় পড়তে পারে বলে উল্লেখ করেছেন। তবে যথাযথ তদন্ত ছাড়া এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয় বলেও আদেশে বলা হয়েছে। সদর থানার ওসিকে নিজে অথবা তাঁর অধীন উপযুক্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তদন্তে ঘটনার তারিখ, সময়, সূত্রপাত ও প্রকৃত ঘটনাক্রম নির্ধারণ, জড়িত ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা শনাক্ত এবং তাঁরা কোনো বিচারাধীন মামলার পক্ষ কি না, তা যাচাই করতে বলা হয়েছে। কেউ আহত হলে তাঁর চিকিৎসা সনদ সংগ্রহেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্ট ভিডিও জব্দ ও সংরক্ষণ, প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবানবন্দি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা শিশুটির পরিচয় এবং সে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছিল কি না, তাও তদন্ত করতে বলা হয়েছে। নারীদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিবেচনায় প্রয়োজনে নারী পুলিশ সদস্যের সহায়তা নিতে বলা হয়েছে। আদেশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে। আদালত চত্বরে নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদেশের অনুলিপি পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার, সদর থানার ওসি ও কোর্ট ইন্সপেক্টরের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পটুয়াখালী জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন বলেন, গত ৪ অক্টোবর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে লিগ্যাল এইডের একটি মামলা নিষ্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের নারীদেরসহ কয়েকজন মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিচারাঙ্গনে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ কারণে আমলী আদালতের বিচারক স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেছেন।

আদালত ভবনে দুই নারীর মারামারি, মামলা করলেন বিচারক
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream