ঢাকা    রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা
আইফোনের আশায় হরমুজে জেলেদের ঢল

আইফোনের আশায় হরমুজে জেলেদের ঢল

ইরানের উপকূলে ডুবে গেছে পণ্যবাহী জাহাজ ‘জিএফএস প্রাইড’। জাহাজটিতে থাকা আইফোন, ফরাসি সুগন্ধি ও অন্যান্য পণ্য সংগ্রহ করতে ছোট ছোট মাছ ধরার নৌকা ও উদ্ধারকারী নৌযান নিয়ে সাগরে নেমেছেন শত শত জেলে। গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাহাজটি ডুবে যাওয়ার পর হরমুজ প্রণালিসংলগ্ন এলাকায় এ দৃশ্য দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, আমরা হরমুজ প্রণালির দিকে যাচ্ছি। শুনেছি, একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ ডুবে গেছে। তাই আইফোন ও সুগন্ধি সংগ্রহ করতে যাচ্ছি। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, পানিতে আংশিক ডুবে থাকা কনটেইনারের মধ্য দিয়ে নৌকা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলেরা। তারা পানির ভেতর থেকে বাক্স টেনে তোলার চেষ্টা করছেন। একটি ভিডিওতে ছোট একটি নৌকাকে আস্ত একটি কনটেইনার টেনে নেওয়ার চেষ্টা করতেও দেখা যায়। যেভাবে ডুবল জাহাজটি সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজ জিএফএস প্রাইডে আগুন লাগার পর সেটি ডুবে যায় বলে জানিয়েছে দেশটি। জাহাজটিতে থাকা ২১ জন নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ আহত হননি। তবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর দাবি, জাহাজটি ‘অনুমোদনহীন ও বিপজ্জনক’ পথে চলছিল। একপর্যায়ে সেটি সমুদ্রের মাইনে আঘাত করলে আগুন ধরে যায়। ডুবে যাওয়ার সময় জাহাজটিতে আড়াই হাজারের বেশি কনটেইনার ছিল। হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বেড়ে যাওয়ার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল। যুদ্ধ শুরুর পর আইআরজিসির হামলার তীব্রতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে তুলনামূলকভাবে অল্পসংখ্যক জাহাজ ডুবেছে। যুদ্ধ শুরুর পর জিএফএস প্রাইড ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডুবে যাওয়া দ্বিতীয় জাহাজ। আর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটি তৃতীয় ডুবন্ত জাহাজ। এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর হামলায় ডুবে যায় অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার পতাকাবাহী জাহাজ ‘কেপ দাও’। আইআরজিসির নৌবাহিনী ওই এলাকা থেকে জাহাজগুলোকে দূরে থাকার সতর্কতা দিয়েছে। পাশাপাশি পানিতে ভেসে থাকা কনটেইনারের আশপাশে চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় জেলেদেরও সতর্ক থাকতে বলেছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream