ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে রফিকুল ইসলাম মাদানীর পোস্ট
মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যানজট এবং দুর্ঘটনা কমাতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী। একই সঙ্গে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব মতামত তুলে ধরেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। তার বক্তব্যে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি অটোরিকশাচালকদের জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের দাবিরফিকুল ইসলাম মাদানী বলেন, বিশ্বরোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল বন্ধে প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। তার মতে, অতিরিক্ত অটোরিকশার কারণে বিভিন্ন সড়কে যানজট বেড়ে যাচ্ছে এবং স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।তিনি উল্লেখ করেন, শুধু শহরের প্রধান সড়ক নয়, বিভিন্ন এলাকার বাজার ও ব্যস্ত সড়কেও অতিরিক্ত অটোরিকশার কারণে মানুষের চলাচলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।প্রশিক্ষণ ও ট্রাফিক আইন মানার ওপর গুরুত্বপোস্টে রফিকুল ইসলাম মাদানী অটোরিকশাচালকদের প্রশিক্ষণ এবং সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, অনেক চালকের পর্যাপ্ত ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নেই এবং তারা সবসময় সড়কের নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করেন না।এতে যানজটের পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি এবং মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ার মতো সমস্যাও বাড়ছে বলে তিনি মনে করেন।চালকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের পরামর্শতবে অটোরিকশা বন্ধের উদ্যোগ নিতে গিয়ে চালকদের হঠাৎ করে বেকার করে দেওয়া সমাধান নয় বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। তার মতে, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অটোরিকশাচালকদের জীবিকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।এ জন্য সরকারকে পরিকল্পিতভাবে বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ এবং সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার মতো উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আহ্বানরফিকুল ইসলাম মাদানীর মতে, যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা কমানো এবং সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে অটোরিকশা ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।তিনি মনে করেন, জনস্বার্থ বিবেচনায় বিশ্বরোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি চালকদের জন্য বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা করা হলে সমস্যাটির একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান সম্ভব।