ঝালকাঠি জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাজল রেখা (৩৫) নামের এক নারী হাজতির মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে বন্দী ছিলেন। কাজল রেখা ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের ইসলামাবাদ এলাকার আরিফ হোসেনের স্ত্রী। কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাজল রেখাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ২০টি ইয়াবা বড়ি ও ১০৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় করা মাদক মামলায় গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি ঝালকাঠি জেলা কারাগারে বন্দী ছিলেন। ঝালকাঠি জেলা কারাগারের সুপার মো. বিকাশ রায়হান আজকের পত্রিকাকে বলেন, গতকাল সোমবার রাতে কারাগারে কাজল রেখা অসুস্থ বোধ করলে তাঁকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
পটুয়াখালীর দশমিনায় মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনেই তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরায় তিন জেলেকে আটক করেছে প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করেছেন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে তেঁতুলিয়া নদীর চরহাদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এ সময় মাছ ধরার জাল ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আবদুর রহিম হাওলাদারের ছেলে হাবিব হাওলাদার (৫৪), মৃত কাঞ্চন আলীর ছেলে মাহবুব খাঁ (৫২) ও আহমেদ হাওলাদারের ছেলে খোকন হাওলাদার। উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। পরে তাঁদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধার আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মৎস্য সংরক্ষণ আইনে প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক, উপজেলা মৎস্য উপসহকারী আমিনুল ইসলাম ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলী হোসেনসহ নৌ পুলিশের সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার সময় তিন জেলেকে আটক করা হয়। তাঁদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। মা ইলিশ সংরক্ষণে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।