ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা
গোপনে শিবির, প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করে বারুদ বজ্র কণ্ঠ অর্জন করা যায় না: রাশেদ খাঁন

গোপনে শিবির, প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করে বারুদ বজ্র কণ্ঠ অর্জন করা যায় না: রাশেদ খাঁন

গোপনে শিবির ও প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে বিরোধী রাজনৈতিক নেতার মতো তেজস্বী কণ্ঠ অর্জন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, বিরোধী রাজনীতির বক্তব্যে তেজস্বী ভাব থাকতে হয়। জামায়াত-শিবির ও এনসিপি মিলিয়েও এমন কোনো নেতা নেই, যার বক্তব্য জনতার মধ্যে শিহরণ ও উন্মাদনা সৃষ্টি করতে পারে। তার মতে, জেল-জুলুম ও ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একজন নেতার কণ্ঠে এমন দৃঢ়তা তৈরি হয়। গোপনে শিবির এবং প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে সেই ‘বারুদ বজ্র কণ্ঠ’ অর্জন করা যায় না। একই পোস্টে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের বক্তব্যের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন রাশেদ খাঁন। তিনি লেখেন, বিরোধী রাজনীতিতে নুরের কণ্ঠে যে তেজ ছিল, সরকারে যাওয়ার পর তা অনেকটাই নমনীয় হয়ে পড়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার জামায়াত ও এনসিপির কথিত ভণ্ডামির বিরুদ্ধে আবারও সেই তেজস্বী নুরকে দেখা গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, ভিপি নুরকে ক্ষেপানোর পরিণতি জামায়াত-শিবির ও এনসিপিকে ভোগ করতে হবে। নুরের দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা হিসেবে তাকে কাছ থেকে চেনেন উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘ভিপি নুর মানেই একটা বারুদ।’    

প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের অপসারণ দাবি ডাকসু ভিপির

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের অপসারণসহ ৪ দাবি জানিয়েছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি জানান।  সাদিক কায়েম পোস্টে বলেন, ‘প্রশ্নফাঁসে জড়িত প্রতিটি সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস চিরতরে নির্মূল করা, প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা, প্রশ্নফাঁসে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট চক্রকে দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার, তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যয় বিবেচনায় ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।’ প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল ১১টায় অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (১১তম গ্রেড) পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ২৪২টি পদের বিপরীতে সারা দেশ থেকে তিন লাখেরও বেশি প্রার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মেলায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার প্রতিবাদে রাজধানীর মিরপুরে বাঙলা কলেজের মূল ফটকে, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, শাহবাগ, নীলক্ষেত মোড় ও সাতমসজিদ সড়ক অবরোধ করা হয়েছে।

প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের অপসারণ দাবি ডাকসু ভিপির
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream