ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা
৩২ ড্রাম মুরগির বিষ্ঠা বহন করায় দুই ব্যক্তিকে জরিমানা

৩২ ড্রাম মুরগির বিষ্ঠা বহন করায় দুই ব্যক্তিকে জরিমানা

যশোরের কেশবপুরে মাছের খাবার হিসেবে ৩২টি ড্রামে করে মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যাওয়ার সময় দুই ব্যক্তিকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের ভেরচী গ্রামে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাঁদের ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেন ওই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে ভেরচী গ্রামের সড়ক দিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তির মৎস্য ঘেরে মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহারের জন্য দুটি আলমসাধুতে করে ৩২ ড্রাম মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই ব্যক্তি। খবর পেয়ে জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস তাঁদের আটক করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ) আইন ২০২০ অনুযায়ী খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কোমলপুর গ্রামের মাহাবুর রহমানকে (৩৮) ২ হাজার টাকা ও একই উপজেলার ঘুটুদিয়া গ্রামের জাহিদুর ইসলামকে (৩৮) ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেন। মাছের খাদ্য বা পুকুরের সার হিসেবে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার দেশে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ। মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতির কথা বিবেচনা করে মাছের খাদ্য বা ঘেরে সরাসরি মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার আইনত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এটি ব্যবহার করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা ও আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে। অতীতে কিছু ক্ষেত্রে পুকুরে প্রাকৃতিকভাবে ফাইটোপ্লাংটন বা অ্যালগি (শৈবাল) তৈরির জন্য জৈব সার হিসেবে মুরগির বিষ্ঠা বা পোল্ট্রি ওয়েস্ট ব্যবহার করা হতো। কিন্তু কাঁচা বা অপরিশোধিত মুরগির বিষ্ঠায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী ও বিষাক্ত উপাদান থাকে, যা মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ঋতু পরিবর্তনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাবেন যে ৫ খাবার

শীতের শুরুতে তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই সর্দি, কাশি ও নাক দিয়ে পানি পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে খাবারের দিকে একটু বেশি নজর দেওয়া প্রয়োজন। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু পুষ্টিকর খাবার যোগ করলে শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে সহায়তা করা যায়। কোনো একটি খাবারই রোগ প্রতিরোধের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। তবে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ কিছু খাবার শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। লেবুজাতীয় ফল কমলা, জাম্বুরা ও লেবুর মতো লেবুজাতীয় ফলে ভিটামিন সি থাকে। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। প্রতিদিনের খাবারে এসব ফল রাখা যেতে পারে। সকালের নাস্তায় কমলা বা জাম্বুরা এবং খাবারের সঙ্গে লেবু খাওয়া সহজ উপায়। রসুনে অ্যালিসিনসহ বিভিন্ন সক্রিয় যৌগ রয়েছে। এসব উপাদানের জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে সহায়তা করতে পারে। রান্নায় রসুন ব্যবহার করার পাশাপাশি সালাদ, সস বা বিভিন্ন খাবারেও এটি যোগ করা যায়। আদায় প্রদাহবিরোধী ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। গলা ব্যথা বা বমি বমি ভাবের মতো কিছু সমস্যায় আদা উপকারী হতে পারে। শীতের সময়ে চা, স্যুপ বা রান্নায় আদা ব্যবহার করা যেতে পারে। দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক বা উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। আর অন্ত্রের সুস্থতার সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থারও সম্পর্ক রয়েছে। নাশতা হিসেবে দইয়ের সঙ্গে তাজা ফল বা সামান্য মধু যোগ করা যেতে পারে। পালং শাকে ভিটামিন সি, বিটা-ক্যারোটিনসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে। সালাদ, স্যুপ বা রান্নায় পালং শাক রাখা যেতে পারে। হালকা আঁচে রান্না করলে এর বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শরীরের জন্য সহজলভ্য হতে পারে। তাই শীতকালে শুধু নির্দিষ্ট কোনো একটি খাবারের ওপর নির্ভর না করে বৈচিত্র্যময় ও সুষম খাদ্যতালিকা অনুসরণ করাই ভালো। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভ্যাসও সুস্থ থাকতে গুরুত্বপূর্ণ। বিডি-প্রতিদিন/এআইএস

ঋতু পরিবর্তনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাবেন যে ৫ খাবার
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream