ঢাকা    রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা
নানা আয়োজনে নজর কাড়ছে ইসলামি বইমেলা

নানা আয়োজনে নজর কাড়ছে ইসলামি বইমেলা

ধর্মীয় পাঠকদের অন্যতম আকর্ষণের জায়গা আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা। দেশি-বিদেশি প্রকাশনীগুলো যখন নান্দনিক সাজে স্টল সাজিয়ে বসে, নতুন বইয়ের ঘ্রাণে যখন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ও পূর্ব চত্বর ম-ম করে, তখন দূর-দূরান্ত থেকে এখানে ছুটে আসেন ধর্মপ্রাণ লেখক-পাঠক। স্টল ঘুরে উল্টেপাল্টে বই দেখা, লেখা নিয়ে মতবিনিময়, বই কিনে অটোগ্রাফ সংগ্রহ—এ যেন মাসব্যাপী বইকেন্দ্রিক ঈদের আমেজ। এ দেশে ইসলামি বইমেলার চল শুরু স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকেই। বাহাত্তরের পর দেশবরেণ্য আলেমদের তত্ত্বাবধানে বায়তুল মোকাররমে শুরু হয় ওয়াজ মাহফিল ও সিরাতের আয়োজন। সেসব আয়োজনকে ঘিরে বই বিপণন কেন্দ্রগুলোও সাজিয়ে বসত বইয়ের পসরা, যা ধীরে ধীরে মেলার রূপ নেয়। নব্বইয়ের দশকে ইসলামি বইমেলা হতো জাঁকজমকভাবে। সে সময় জাতীয় মসজিদের চত্বরে বছরে তিনটি মেলা বসত। দেশের অভিজাত এবং আন্তর্জাতিক প্রকাশনীগুলো বইয়ের পসরা সাজিয়ে বসত মেলার প্রাঙ্গণে—কখনো দক্ষিণ তো কখনো উত্তর গেটের সামনে। পবিত্র মাহে রমজান, সিরাতের মাস রবিউল আউয়াল ও ফেব্রুয়ারিতে হতো সেই মেলাগুলো। পরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রভাবে তা অনেকটাই স্তিমিত হয়ে যায়। তবে কয়েক বছর ধরে আবারও প্রাণ ফিরে পায় ধর্মীয় এই আয়োজন। নবোদ্যমে, নতুন আঙ্গিকে, বৈচিত্র্যময় নানা আয়োজনে আবারও শুরু হয় আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা। এবারের মেলা কিছুটা বিলম্বে শুরু হলেও জাঁকজমকে রয়েছে নান্দনিকতা। আয়োজকদের তথ্যানুযায়ী, মেলায় স্টল রয়েছে ১৪৪টি, যেখানে দেশি-বিদেশি মোট ১০০টির বেশি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বই পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তান, ভারত, মিসর ও লেবাননের কয়েকটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলার চত্বর প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। আর ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। গত ১২ সেপ্টেম্বর ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসেন কায়কোবাদের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই মেলা, শেষ হবে চলতি মাসের ১১ অক্টোবর। তবে অন্যান্য বারের মতো মেলার সময় বাড়তে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলাকে প্রাণবন্ত রাখতে গতবারের মতো এবারও রয়েছে লিটলম্যাগ, লেখক, শিশু ও মহিলা কর্নার। আরও রয়েছে ঘোষণা মঞ্চ, তথ্য ও মিডিয়া কর্নার। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও সক্রিয় মেলার পুরোটা সময়জুড়ে। লিটলম্যাগ ও লেখক কর্নার সব সময় প্রাণবন্ত। বৃহস্পতি ও শুক্রবারে এখানে যোগ হয় নতুন আমেজ। চলে একের পর এক ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন, লেখক-পাঠকদের প্রাণখোলা আড্ডা। আর দক্ষিণ চত্বরের সিঁড়িঘেঁষা মসজিদের কোণ এবং পূর্ব চত্বরের শেষ প্রান্তের ঘোষণা মঞ্চে প্রতিনিয়ত চলে নানা আয়োজন। কখনো কুইজ প্রতিযোগিতা, বইয়ের মোড়ক উন্মোচন তো কখনো বড় পরিসরে লেখক-পাঠকদের মতবিনিময়। পূর্ব চত্বরের নিচের অংশে স্টলগুলোর ফাঁকে ফাঁকে রয়েছে আরও দুটি কর্নার—রকমারি ও মুসান্নিফ গ্রুপ। এসব কর্নারেও চলে মোড়ক উন্মোচন। জমে গল্পের উৎসব, বই ও সাহিত্য আড্ডা। এখানে সন্ধ্যা নামতেই শিল্পীরা মন খুলে ধরেন কাওয়ালি সুর। চলতি বছরের ইসলামি বইমেলা গতবারের তুলনায় অনেকটা ভিন্ন আঙ্গিকে সজ্জিত। জুলাই কর্নার, শাপলা কর্নারসহ নতুন হিসেবে যোগ হয়েছে সীরাহ এক্সিবিশন—যা মেলার সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি আকর্ষণ করছে নতুন দর্শক ও ধর্মীয় পাঠকদের। কী আছে নতুন যোগ হওয়া এই কর্নারগুলোতে? বায়তুল মোকাররম থেকে পূর্ব গেট দিয়ে বের হয়ে মেলায় প্রবেশ করলে প্রথমেই চোখে পড়ে দুটি ব্যতিক্রমী কর্নার। কর্নার দুটোর দেয়াল সজ্জিত হয়েছে কওমি মাদ্রাসার শহীদদের ছবিতে। প্রতিটি ছবি যেন এক-একটি স্মৃতির উপাখ্যান। মনে করিয়ে দেয় ২০১৩ সালের ৫ মে ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কথা। শাপলা কর্নারে প্রবেশ করলে শুরুতেই দৃষ্টি কেড়ে নেয় গোল ফ্রেমে সাঁটানো এক ঐতিহাসিক ছবি—৫ মে শাপলা চত্বরে আগত লাখো মানুষের সম্মেলন সেখানে। ওপরের ডান দিকে ছবিতে ছবিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে শাপলা আন্দোলনের রাহবার আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরীসহ নেতৃবৃন্দের। বাঁ দিকে রয়েছে গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী শাপলাকেন্দ্রিক নানা কার্যক্রমের ছবি। শাপলা কর্নারের ডান পাশের অস্থায়ী দেয়াল ও বাইরের অংশে ব্যানারে সাঁটানো কিছু রক্তাক্ত ছবি। সেদিকে তাকাতে ভীষণ কষ্ট হয় মনে। দীর্ঘ এক যুগ পরও সে রাতের ভয়াল স্মৃতি মনের ভেতর শিহরণ তোলে আজও। শাপলা কর্নারের সামনের স্টলটিই জুলাই কর্নার। এই কর্নারটিও সেজেছে শহীদ ও গাজিদের ছবিতে। প্রতিটি ছবিই যেন নীরবে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের বীরত্বের গল্প বলে। আন্দোলনরত সেই ছবিগুলোর দিকে তাকালে কান্নার মিশেলে মনে পড়ে এক আনন্দঘন মুহূর্ত—৩৬ জুলাই। সেদিন শত শহীদের ব্যথা বুকে নিয়েও হেসেছিল সবাই। মেলার এই কর্নার দুটো পুরোনো সেই স্মৃতির মন্থন। মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ—ওয়াফা হিফজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল কর্তৃক আয়োজিত ‘সীরাহ এক্সিবিশন’। পূর্ব চত্বরের শেষাংশে এর অবস্থান। প্রায় ১৩টির মতো প্রতীকী দৃশ্যে সাজানো নবী যুগের এক উজ্জ্বল প্রদর্শনী। এর প্রধান লক্ষ্য—নতুন প্রজন্মের কাছে নবীজি (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষাকে আকর্ষণীয় এবং প্রাণবন্ত করে উপস্থাপন করা। মেলায় ঘুরতে আসা অভিভাবকদের দাবি—বইয়ের পাশাপাশি এমন প্রতীকী চিহ্নে নবী যুগের প্রদর্শনী আরও বড় পরিসরে বারবার হওয়া চাই।

নারী-পুরুষ একে অপরকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিলেই কি বিয়ে সম্পন্ন হয়?

মানবজীবনে পবিত্রতা রক্ষা, মানসিক প্রশান্তি অর্জন এবং একটি সুশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো বৈবাহিক বন্ধন। ইসলাম ধর্ম মানব স্বভাবের চাহিদাকে সম্মান জানিয়ে বিয়ে করার প্রতি যেমন জোর তাগিদ দিয়েছে, তেমনি এর সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম, শর্ত ও শিষ্টাচারও নির্ধারণ করে দিয়েছে। পক্ষান্তরে, বিবাহবহির্ভূত যেকোনো অনৈতিক সম্পর্ক বা গোপন অবস্থাকে ইসলাম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং কবিরা গুনাহ হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইজাব-কবুল ও সাক্ষীর গ্রহণযোগ্যতা ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিয়ে সহিহ হওয়ার জন্য ইজাব-কবুল (প্রস্তাব ও গ্রহণ) এবং ন্যূনতম দুজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক। বিখ্যাত ফকিহ আলাউদ্দিন কাজানি (রহ.) বলেন, ‘বিয়ের মূল ভিত্তি হলো ইজাব ও কবুল।’ ইবনু নুজাইম (রহ.) উল্লেখ করেন যে, শুধু মুখে মুখে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে স্বীকারোক্তি দেওয়ার মাধ্যমে নতুন কোনো বৈবাহিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় না। সাক্ষীদের সামনে কেউ যদি বলে, ‘সে আমার স্ত্রী এবং আমি তার স্বামী, আর নারীও যদি অনুরূপ বলে, তবুও ইজাব-কবুলের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ছাড়া তাদের মধ্যে বিবাহ সংঘটিত হবে না।’ কারণ, স্বীকারোক্তি হলো আগের বিষয় প্রকাশ করা, যার মাধ্যমে নতুন কোনো সম্পর্ক সৃষ্টি হয় না। বিয়ের গুরুত্ব ও ফজিলত ইসলাম যুবসমাজকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে এবং নৈতিক চরিত্র পবিত্র রাখতে বিয়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। দৃষ্টি সংযত ও লজ্জাস্থান হেফাজতের মাধ্যম নবী করিম (সা.) যুবকদের উদ্দেশে ইরশাদ করেছেন— يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ، مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمُ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوجْ، فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ، وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ ‘হে যুব সম্প্রদায়! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে নেয়, কেননা তা চক্ষুকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থান রক্ষা করে।’ (বুখারি ৫০৬৬) দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণতা বিয়ের অপরিসীম মর্যাদা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন— إِذَا تَزَوَجَ الْعَبْدُ فَقَدْ اسْتَكْمَلَ نِصْفَ الدِّينِ، فَلْيَتَّقِ اللَّهَ فِي النِّصْفِ الْبَاقِي ‘যখন বান্দা বিয়ে করে, তখন সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূরণ করে। অতএব, বাকি অর্ধেকাংশে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে।’ (বায়হাকি ৫৪৮৬, তাবরানি ৯৭২) বিয়ের সঠিক পদ্ধতি, অভিভাবক ও ঘোষণা ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিয়ে কেবল একটি চুক্তি নয়, বরং এটি একটি পবিত্র ইবাদত। তাই এটি সম্পন্ন করার কিছু সুনির্দিষ্ট মূলনীতি রয়েছে। তাহলো— অভিভাবকের উপস্থিতি ও ঘোষণা বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের অভিমত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসুল (সা.) বলেছেন— لَا نِكَاحَ إِلَّا بِوَلِيٍّ ‘অভিভাবক ছাড়া বিয়ে সংঘটিত হয় না।’ (তিরমিজি ১১০১) আরও পড়ুনআরও পড়ুনজুয়া— ইহকাল ও পরকালের ধ্বংসের ফাঁদ এছাড়াও সমাজ ও পরিবারকে জানিয়ে প্রকাশ্যভাবে বিয়ে সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে— ‘বিয়ে করবে ঘোষণা দিয়ে।’ (মুসনাদে আহমাদ ৪/৫) কারণ, গোপন বা ষড়যন্ত্রমূলক বিয়ে সমাজ কখনোই ভালোভাবে গ্রহণ করে না এবং এতে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হয়। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের পরিণতি ও ইসলামি নিষেধাজ্ঞা বিয়ের মতো পবিত্র সম্পর্কের বিপরীতে নারী-পুরুষের অবৈধ মেলামেশা বা গোপন সম্পর্ক ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আল্লাহ তাআলা জিনা বা অবৈধ সম্পর্কের নিকটবর্তী হতে নিষেধ করে ইরশাদ করেছেন— وَ لَا تَقۡرَبُوا الزِّنٰۤی اِنَّهٗ كَانَ فَاحِشَۃً ؕ وَ سَآءَ سَبِیۡلًا ‘তোমরা জিনার কাছেও যেও না। নিশ্চয় তা অশ্লীলতা এবং অত্যন্ত নিকৃষ্ট পথ।’ (সুরা বনি ইসরাইল: আয়াত ৩২) অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জিনা অবৈধ সম্পর্কের দিকে ধাবিত করার মাধ্যমগুলো সম্পর্কে সতর্ক করে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— زِنَا الْعَيْنَيْنِ النَّظَرُ، وَزِنَا الْأُذُنَيْنِ الِاستِمَاعُ، وَزِنَا اللِّسَانِ الْكَلَامُ، وَزِنَا الْيَدِ الْبَطْشُ، وَزِنَا الرِّجْلِ الْخُطَا، وَالْقَلْبُ يَهْوَى وَيَتَمَنَّى، وَيُصَدِّقُ ذَلِكَ الْفَرْجُ أو يُكَذِّبُهُ ‘দুই চোখের জিনা হলো (কামনার সঙ্গে) তাকানো, দুই কানের জিনা হলো (অবৈধ কথা) শোনা, জিহ্বার জিনা হলো কথা বলা, হাতের জিনা হলো স্পর্শ করা, পায়ের জিনা হলো সেদিকে হেঁটে যাওয়া। আর অন্তর কামনা করে ও আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে, আর লজ্জাস্থান সেটিকে বাস্তবায়িত করে অথবা করে না।’ (বুখারি ৬২৪৩) তৃতীয় শক্তি হিসেবে শয়তানের উপস্থিতি গায়েরে মাহরাম নারী-পুরুষের নির্জন অবস্থান সম্পর্কে রাসুল (সা.) হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন— لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلَّا كَانَ ثَالِثَهُمَا الشَّيْطَانُ ‘কোনো পুরুষ যখন কোনো নারীর সঙ্গে নির্জনে একত্রিত হয়, তখন তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান।’ (তিরমিজি ২১৬৫) বিয়ে হলো মানবজীবনকে পবিত্র ও সুরক্ষিত রাখার এক ঐশ্বরিক বিধান। শরিয়তের সঠিক নিয়ম মেনে ইজাব-কবুল ও ঘোষণার মাধ্যমে বৈধ পন্থায় জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব। অপরদিকে, সব ধরনের বিবাহবহির্ভূত অনৈতিক সম্পর্ক, অবৈধ দৃষ্টিপাত কিংবা নির্জনবাস থেকে দূরে থেকে নিজেদের চরিত্র হেফাজত করা অপরিহার্য, যাতে ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

নারী-পুরুষ একে অপরকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিলেই কি বিয়ে সম্পন্ন হয়?
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream