শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিন দিন সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর (মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার) বন্ধ থাকবে। তবে আগামী ১৭ অক্টোবর শনিবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।
টাঙ্গাইলের মধুপুরে এক নারীকে ধর্ষণের দায়ে দুই জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়াও তিন লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিনি বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বিচারক ড. আব্দুল মজিদ এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিল। সাজাপ্রাপ্তরা হলো- মধুপুর উপজেলার ব্রাহ্মনবাড়ী এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে আরিফ ও আয়নালের ছেলে রুবেল। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) খন্দকার রোকুনুজ্জামান বলেন, ২০২৪ সালে ৪ সেপ্টেম্বর উপজেলার ব্রাহ্মণবাড়ী এলাকার একটি পুকুর পাড়ের পাশে কাচারী ঘরের বারান্দার খুঁটির সঙ্গে স্বামীকে রশি দিয়ে বেঁধে ওই নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে তারা। পরে ওই ভুক্তভোগী মধুপুর থানায় দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই মামলায় সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক দুই জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ। এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান, মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন আইনজীবী গাজী নজরুল ইসলামের জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। জামিন আবেদনে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম সম্পূর্ণ নির্দোষ। এজাহারে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে তার কোনও ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করার জন্য তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে থানায় ডেকে নেওয়ার পর গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও আত্মহত্যার প্ররোচনার কোনও প্রমাণ পুলিশ উপস্থাপন করতে পারেনি। আবেদনে আরও বলা হয়, বাদীপক্ষ ও আসামিপক্ষ পূর্ব থেকেই আত্মীয়। বর্তমানে বাদীর উপস্থিতিতে এবং পারিবারিক পরামর্শে উভয় পক্ষের মধ্যে আপস-মীমাংসা হয়েছে। গাজী নজরুল ইসলাম ৭৫ বছর বয়সী একজন বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি জটিল হৃদরোগে ভুগছেন। তার স্থায়ী ঠিকানা রয়েছে এবং জামিন পেলে তিনি আত্মগোপন বা এলাকা ত্যাগ করবেন না। এদিকে জামিন আবেদনের সঙ্গে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা একটি আপসনামা আদালতে দাখিল করেন। আপসনামায় বাদী উল্লেখ করেন, মেয়ের মৃত্যুর পর তাৎক্ষণিক সন্দেহ থেকে তিনি গাজী নজরুল ইসলাম, মাকছুদা ইসলাম ও ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। পরে পারিবারিকভাবে আলোচনা ও বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে তিনি মনে করেন, গাজী নজরুল বা মাকছুদার প্ররোচনায় মরিয়ম আত্মহত্যা করেননি। আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে তার কোনও আপত্তি নেই বলেও আপসনামায় উল্লেখ করা হয়। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ শুনানিতে বলেন, আপসনামা দেওয়া হলেও আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলাটি আপসযোগ্য নয়। মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে, মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন, নাকি তাকে হত্যার কোনও ঘটনা রয়েছে, তা তদন্তেই স্পষ্ট হবে। আপসকারী আব্দুল হামিদ মোড়লকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেও আদালতকে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। ওই রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেদিন রাতেই মামলাটির তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ২৩ সেপ্টেম্বর এ মামলায় গ্রেফতার ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে হাজতি আসামি মো. শরিফুল ইসলাম পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল আবদুল আলিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালত থেকে পালিয়ে যান শরিফুল। এর আগে ২০২৫ সালেও আদালত থেকে পালিয়েছিলেন তিনি। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আদালত থেকে পালানোর ঘটনা ঘটল। বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বলেন, ‘কোতোয়ালি থানার মামলায় হাজতি আসামি শরিফুল কৌশলে হাতকড়া খুলে আদালত থেকে পালিয়ে গেছে। মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকায় তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের পুলিশ সদস্য অন্যমনস্ক থাকার সুযোগে আসামি অন্য একটি দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে। এর আগেও একবার সে পালিয়েছিল।’ ডিসি আরও জানান, এ ঘটনায় শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। সিএমএম আদালতের হাজতের ইনচার্জ এসআই মো: মোরশেদ আলম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল আবদুল আলিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার শরিফুলকে আদালতে হাজির করা হলে সাক্ষী না আসায় মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আবদুল আলিম তাকে আদালত থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে অন্য একটি দরজা দিয়ে পালিয়ে যান শরিফুল। এর আগে ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে খিলগাঁও থানার কিশোর জিসান হোসেন হত্যা মামলায় শরিফুলকে হাজির করা হয়েছিল। শুনানি শেষে তাকে এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশ সদস্যকে আঘাত করে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি। ওই ঘটনায় সেদিনই হাজতখানার ইনচার্জ মো. রিপন মোল্লা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মঙ্গলবার তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। শরিফুল দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার হরিপুর গ্রামের মৃত শফিক আহম্মেদের ছেলে।
পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের বারান্দায় দুই নারীর মারামারি ও কয়েকজনের ধস্তাধস্তির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেছেন আদালত। সোমবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর থানার আমলী আদালতের বিচারক মো. সোহেল রানা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলাটি ক্রিমিনাল মিস কেস নম্বর ০১/২০২৬ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(গ) ধারায় আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, একটি ইউটিউব চ্যানেলে ‘পটুয়াখালীতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে দুই পক্ষের মারামারি’ শিরোনামে ভিডিও প্রচার করা হয়। এতে আদালত ভবনের বারান্দায় দুই নারীর মারামারি এবং কয়েকজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির দৃশ্য দেখা যায়। ঘটনাস্থলে একটি শিশুকেও দেখা গেছে। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও আদালত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চলাচলের নিরাপদ স্থান আদালত ভবন ও চত্বর। সেখানে প্রকাশ্যে মারামারি আইনশৃঙ্খলার পরিপন্থী। এতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ও আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হতে পারে। ঘটনাস্থলে শিশুর উপস্থিতিও উদ্বেগজনক। তবে ভিডিও দেখে মারামারিতে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, ‘দুই পক্ষ’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে, তাঁরা কোনো বিচারাধীন মামলার পক্ষ কি না, ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে এবং কেউ আহত হয়েছেন কি না– এসব বিষয় স্পষ্ট নয় বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি দণ্ডবিধির ১৫৯ ও ১৬০ ধারায় বর্ণিত মারামারি কিংবা পরিস্থিতি অনুযায়ী ৩২৩, ৩২৪, ৫০৬ ধারাসহ অন্যান্য অপরাধের আওতায় পড়তে পারে বলে উল্লেখ করেছেন। তবে যথাযথ তদন্ত ছাড়া এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয় বলেও আদেশে বলা হয়েছে। সদর থানার ওসিকে নিজে অথবা তাঁর অধীন উপযুক্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তদন্তে ঘটনার তারিখ, সময়, সূত্রপাত ও প্রকৃত ঘটনাক্রম নির্ধারণ, জড়িত ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা শনাক্ত এবং তাঁরা কোনো বিচারাধীন মামলার পক্ষ কি না, তা যাচাই করতে বলা হয়েছে। কেউ আহত হলে তাঁর চিকিৎসা সনদ সংগ্রহেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্ট ভিডিও জব্দ ও সংরক্ষণ, প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবানবন্দি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা শিশুটির পরিচয় এবং সে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছিল কি না, তাও তদন্ত করতে বলা হয়েছে। নারীদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিবেচনায় প্রয়োজনে নারী পুলিশ সদস্যের সহায়তা নিতে বলা হয়েছে। আদেশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে। আদালত চত্বরে নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদেশের অনুলিপি পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার, সদর থানার ওসি ও কোর্ট ইন্সপেক্টরের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পটুয়াখালী জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন বলেন, গত ৪ অক্টোবর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে লিগ্যাল এইডের একটি মামলা নিষ্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের নারীদেরসহ কয়েকজন মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিচারাঙ্গনে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ কারণে আমলী আদালতের বিচারক স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেছেন।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।