ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা

ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও আন্দোলনের ডাক, থমথমে দিল্লি


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ

ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও আন্দোলনের ডাক, থমথমে দিল্লি
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লির বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ

শনিবারের উত্তেজনা ও ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। রোববার সকাল থেকেই যন্তর মন্তর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। বসানো হয়েছে ব্যারিকেড। মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য।

শনিবারের অভিযানের পরও আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ) আজ সকাল ১০টা থেকে আবারও যন্তর মন্তর অভিমুখে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে।

শনিবার বিমানবন্দর থেকে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়েছিল। আজ সকালে তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর মুক্তি দেওয়া হয়।

এ ছাড়া গতকাল রাতে আটক প্রায় পাঁচ হাজার আন্দোলনকারীকে ছেড়ে দেয় দিল্লি পুলিশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং কেরলের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে, দিল্লিজুড়ে গণ-আটক, যাতায়াতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের অভিযোগ তুলে রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন। রোববার আবেদনটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লির বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ। নতুন করে আন্দোলন শুরুর ঘোষণায় যন্তর মন্তর এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

বিষয় : ভারত বিক্ষোভ দিল্লি ককরোচ জনতা পার্টি যন্তর মন্তর

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

নগদ বার্তা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও আন্দোলনের ডাক, থমথমে দিল্লি

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

শনিবারের উত্তেজনা ও ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। রোববার সকাল থেকেই যন্তর মন্তর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। বসানো হয়েছে ব্যারিকেড। মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য।

শনিবারের অভিযানের পরও আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ) আজ সকাল ১০টা থেকে আবারও যন্তর মন্তর অভিমুখে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে।

শনিবার বিমানবন্দর থেকে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়েছিল। আজ সকালে তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর মুক্তি দেওয়া হয়।

এ ছাড়া গতকাল রাতে আটক প্রায় পাঁচ হাজার আন্দোলনকারীকে ছেড়ে দেয় দিল্লি পুলিশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং কেরলের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে, দিল্লিজুড়ে গণ-আটক, যাতায়াতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের অভিযোগ তুলে রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন। রোববার আবেদনটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লির বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ। নতুন করে আন্দোলন শুরুর ঘোষণায় যন্তর মন্তর এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।


নগদ বার্তা

সম্পাদক: মোহাম্মদ মঞ্জুরুল কবির (মঞ্জু)
সহ-সম্পাদক: মেহজাবীন মাহবুব পাভেল
প্রকাশক: জাহিন ফয়সাল (শুভ) 

২০২৬ © নগদ বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও আন্দোলনের ডাক, থমথমে দিল্লি
0:00 0:00
1.0x
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream