মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এসব হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি।
খবরে বলা হয়েছে, বন্দর আব্বাস ও চাবাহারসহ দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলার ফলে অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
হামলার জবাবে ইরান ও তাদের মিত্ররা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে। কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ২০টির বেশি ড্রোন এবং চারটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। এছাড়া ইরাকের ইরবিলে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট ও একটি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।
নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স সাময়িকভাবে দুবাই, রিয়াদ, বৈরুত ও তেল আবিবগামী ফ্লাইট স্থগিত বা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান আলোচনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তেহরানকে সংযত আচরণ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার কোনো সুযোগ নেই। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে, তাহলে ইরানেরও পূর্ববর্তী সমঝোতা অনুসরণ করার বাধ্যবাধকতা থাকবে না।
এদিকে ইরানের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের পথ সীমিত করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের পাশাপাশি রাশিয়া ও নাইজেরিয়ার কয়েকজন ব্যক্তি এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এসব হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি।
খবরে বলা হয়েছে, বন্দর আব্বাস ও চাবাহারসহ দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলার ফলে অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
হামলার জবাবে ইরান ও তাদের মিত্ররা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে। কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ২০টির বেশি ড্রোন এবং চারটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। এছাড়া ইরাকের ইরবিলে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট ও একটি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।
নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স সাময়িকভাবে দুবাই, রিয়াদ, বৈরুত ও তেল আবিবগামী ফ্লাইট স্থগিত বা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান আলোচনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তেহরানকে সংযত আচরণ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার কোনো সুযোগ নেই। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে, তাহলে ইরানেরও পূর্ববর্তী সমঝোতা অনুসরণ করার বাধ্যবাধকতা থাকবে না।
এদিকে ইরানের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের পথ সীমিত করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের পাশাপাশি রাশিয়া ও নাইজেরিয়ার কয়েকজন ব্যক্তি এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন