ঢাকা    শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
নগদ বার্তা

মার্ডার

শ্বাসরোধে হত্যা শেষে বিচ্ছিন্ন করা হয় মাথা; আদালতে যাচ্ছে চার্জশিট

রামিসা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য, ধর্ষণের প্রমাণ মিলল ফরেনসিকে

রামিসা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য, ধর্ষণের প্রমাণ মিলল ফরেনসিকে

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ তথ্য। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

রোববার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট বিশ্লেষণ শেষে জানা যায়, ঘটনার দিন রামিসাকে জোরপূর্বক নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববারই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

এর আগে শনিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে। তদন্তে সংগৃহীত আলামত, ডিএনএ নমুনা ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করেই অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করা হয়েছে।

পল্লবী থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অহিদুজ্জামান জানান, মামলার সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আদালতে অভিযোগপত্র জমা হওয়ার পর দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করছেন তিনি।

ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এদিকে নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান বলেন, “আমি শুধু আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই। এমন শাস্তি হোক, যাতে আর কোনো পরিবারকে এ ধরনের বিভীষিকার মুখোমুখি হতে না হয়।”

ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সরকারও দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রামিসা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এই নৃশংস ঘটনা জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

নগদ বার্তা

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


রামিসা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য, ধর্ষণের প্রমাণ মিলল ফরেনসিকে

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ তথ্য। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।


রোববার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট বিশ্লেষণ শেষে জানা যায়, ঘটনার দিন রামিসাকে জোরপূর্বক নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।


এ ঘটনায় গ্রেপ্তার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববারই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।


এর আগে শনিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে। তদন্তে সংগৃহীত আলামত, ডিএনএ নমুনা ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করেই অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করা হয়েছে।


পল্লবী থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অহিদুজ্জামান জানান, মামলার সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আদালতে অভিযোগপত্র জমা হওয়ার পর দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করছেন তিনি।


ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।


এদিকে নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান বলেন, “আমি শুধু আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই। এমন শাস্তি হোক, যাতে আর কোনো পরিবারকে এ ধরনের বিভীষিকার মুখোমুখি হতে না হয়।”


ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সরকারও দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রামিসা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


অন্যদিকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এই নৃশংস ঘটনা জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।


নগদ বার্তা

সম্পাদক :মোহাম্মদ মঞ্জুরুল কবির (মঞ্জু) ll প্রকাশক: জাহিন ফয়সাল (শুভ)

২০২৬ © নগদ বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত