ঢাকা    সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা

মার্ডার

অজ্ঞাতনামা পুরুষ ব্যক্তির মৃতদেহ সনাক্ত করলো পিবিআই

অজ্ঞাতনামা পুরুষ ব্যক্তির মৃতদেহ সনাক্ত করলো পিবিআই

অজ্ঞাতনামা পুরুষ ব্যক্তির মৃতদেহ সনাক্ত করলো পিবিআই ,  ০২/০৬/২০২৬ তারিখ দুপুর  অনুমান ১২:৩০ ঘটিকার সময় মেলান্দহ থানাধীন হাজরা বাড়ী পৌরসভাস্থ দাতভাঙ্গা ব্রীজ সংলগ্ন মাটির রাস্তার উপর অজ্ঞাতনামা পুরুষ ব্যক্তির মৃতদেহ পরে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন মেলান্দহ থানায় সংবাদ প্রদান করেন। মেলান্দহ থানা পুলিশ অজ্ঞাতনামা পুরুষ ব্যক্তির মৃতদেহ সনাক্ত করার জন্য  পিবিআই জামালপুর  জেলাকে অবহিত করলে, পিবিআই জামালপুর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব,পংকজ দত্ত পিপিএম-সেবা, মহোদয়ের নির্দেশক্রমে পুলিশ পরিদর্শক মোশারফ হোসেন এর নেতৃত্বে এসআই(নিঃ)স্বপন মিয়া, এসআই(নিঃ)ফয়জুর রহমান, পিএসআই সাগর বিশ্বাস, এএসআই(নিঃ)শহিদুল, এবং ড্রাই কং/উমর ফারুক এর সমন্বয়ে একটি ক্রাইমসিন টিম তাৎক্ষণিকভাবে মেলান্দহ থানাধীন হাজরা বাড়ী পৌরসভাস্থ দাতভাঙ্গা ব্রীজ সংলগ্ন মাটির রাস্তায় ঘটনাস্থলে   উপস্থিত হন। ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে প্রয়োজনীয় সকল আইনানুগ কার্যক্রম সম্পন্ন করে মৃত দেহের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেন এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় উক্ত ফিঙ্গারপ্রিন্ট জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ডাটাবেইজে যাচাই-বাছাই করে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর কার্যক্রমের মাধ্যমে অজ্ঞাতনামা মৃত ব্যক্তির সঠিক পরিচয় সফল ভাবে শনাক্ত করেন। শনাক্তকৃত  মৃত ব্যক্তির নাম মোঃ শাহ জামাল (৪৭), পিতা-মোঃহারেজ আলী, মাতা-মোছাঃছালেহা বেগম ,সাং-চরপলিশা, থানা-মেলান্দহ, জেলা-জামালপুর,মর্মে নিশ্চিত হওয়া যায়। বর্তমানে মৃতদেহের আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ পূর্বক পরবর্তী কার্যক্রম মেলান্দহ থানা কর্তৃক চলমান রয়েছে।

রামিসা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য, ধর্ষণের প্রমাণ মিলল ফরেনসিকে

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ তথ্য। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।রোববার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট বিশ্লেষণ শেষে জানা যায়, ঘটনার দিন রামিসাকে জোরপূর্বক নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।এ ঘটনায় গ্রেপ্তার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববারই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।এর আগে শনিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে। তদন্তে সংগৃহীত আলামত, ডিএনএ নমুনা ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করেই অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করা হয়েছে।পল্লবী থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অহিদুজ্জামান জানান, মামলার সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আদালতে অভিযোগপত্র জমা হওয়ার পর দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করছেন তিনি।ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।এদিকে নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান বলেন, “আমি শুধু আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই। এমন শাস্তি হোক, যাতে আর কোনো পরিবারকে এ ধরনের বিভীষিকার মুখোমুখি হতে না হয়।”ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সরকারও দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রামিসা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।অন্যদিকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এই নৃশংস ঘটনা জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

রামিসা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য, ধর্ষণের প্রমাণ মিলল ফরেনসিকে

রুনা লায়লাকে ঘিরে মৃত্যু গুজব

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে একটি সম্মাননা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যু গুজবের মুখে পড়েছেন দেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা।‘মিনার-ই-দিল্লি’ পুরস্কার আয়োজনে অংশ নেওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় হঠাৎ অনলাইনে তার মৃত্যুর ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই গুজবটি ছড়িয়ে পড়লে দেশ-বিদেশে তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।পরিস্থিতি পরিষ্কার করতে নিজেই মুখ খুলেছেন এই কিংবদন্তি শিল্পী। ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় রুনা লায়লা জানান, তার মৃত্যু নিয়ে যে খবর ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।ভক্তদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ভালো আছেন। একই সঙ্গে যাচাই ছাড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।রুনা লায়লা বলেন, এমন গুজব শুধু তাকে নয়, তার পরিবারকেও অযথা মানসিক কষ্টে ফেলে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে সত্যতা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় আবারও প্রমাণ হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য কত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তা কতটা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।

রুনা লায়লাকে ঘিরে মৃত্যু গুজব

পাবজি বিরোধে বরুড়ায় প্রাণ গেল যুবকের

কুমিল্লার বরুড়ায় অনলাইন গেম পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় গুরুতর আহত এক যুবক চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নিহত রাকিব হোসেন (২৪) বরুড়া পৌরসভার দেওড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে। সোমবার (৪ মে) রাতে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১ মে রাতে কয়েকজনের সঙ্গে মোবাইলে পাবজি খেলছিলেন রাকিব। খেলার একপর্যায়ে ফারহান নামে এক যুবকের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে ফারহানের নেতৃত্বে একদল কিশোর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাকিবের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। এ সময় রাকিবকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করা হয়।পরিবারের সদস্যরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে টানা চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।রাকিবের স্বজনরা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে ঘরে ঢুকে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।এলাকার কয়েকজন তরুণ জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বরুড়ার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। ছোটখাটো বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা বাড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি বলেন, মূল অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এলাকায় কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পাবজি বিরোধে বরুড়ায় প্রাণ গেল যুবকের

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত মেধাবী শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন

 মেধাবী শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন। উচ্চ শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন যুক্তরাষ্টে। সেখানে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা’তে পিএসডি করছিলেন তিনি। মা-বাবার বুকভরা আশা ছিল ছেলে উচ্চ শিক্ষার সার্টিফিকেট নিয়ে ফিরবেন দেশের মাটিতে। লিমন মা-বাবার কাছে ফিরেছেন ঠিকই, তবে নিথর দেহে, কফিনবন্দি হয়ে মৃত্যুর সার্টিফিকেট নিয়ে ।  জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামের জহুরুল হক ও লুৎফুন নেছা লতার দুই ছেলের মধ্যে লিমন বড়। উচ্চ শিক্ষার জন্য ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্টে যান তিনি। ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা’তে পিএসডি করাকালীন স্থানীয় শহরের একটি ভাড়াটে বাসা থেকে গত ১৬ এপ্রিল নিখোঁজ হন তিনি। এর ৮দিন পর অর্থ্যাৎ ২৬ এপ্রিল ওই শহরের একটি ব্রিজের নীচ থেকে লিমনের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। লিমনের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জে হলেও থাকতেন জন্ম থেকে শুরু করে লেখাপড়ার জীবন কাটে ঢাকার কেরানীগঞ্জে মা-বাবার সাথে।  সোমবার বিকাল সোয়া ৩ টায়  গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামে লিমনের মরদেহ পৌঁছে। শেষবারের মতো তাকে দেখতে  মুহূর্তের মধ্যে বাড়ীর আঙ্গিনায়  ।হাজারো মানুষ ভীড় জমে। এতে গ্রাম জুড়ে সৃষ্টি হয় শোকের আবহ। নিহতের চাচা সুজন মিয়া বলেন ভাতিজা লিমন অত্যন্ত মেধাবী ছিল। স্বপ্ন ছিল সে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আমাদের মুখ উজ্জল করবে।  স্থানীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা তৈয়ব আলী বলেন জহুরুল হক এর দুটি ছেলের মধ্যে বড় ছেলে জামিল আহমেদ লিমন ছিল ধর্মভিরু। এলাকার মানুষের প্রতি ছিল অগাধ ভালোবাসা।  এমন নৃশংস মৃত্যু আমরা এলাকাবাসী কেউ মেনে নিতে পারেনি।  তার এ মৃত্যুতে পুরো এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমেছে।   মা লুৎফুন্নেছা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, যে বিমানবন্দর থেকে উচ্চ শিক্ষার জন্য  ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম সে বিমানবন্দর থেকেই কফিনবন্দি  আদরের সন্তান  লিমনের লাশ গ্রহণ করতে হলো আমাদের।  বাবা জহুরুল হক আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, আমার দুই ছেলের মধ্যে লিমন বড়। ছোট বেলা থেকেই অনেক মেধাবী ছিল লিমন। অনেক স্বপ্ন নিয়ে জামিল আহমেদ লিমন কে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছিলাম উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে। সে  স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিনত হলো আমার। বাবা হয়ে বহন করতে হলো ছেলের লাশ। এর থেকে বড় দুঃখ আর কি আছে। নিহত লিমনের মর্মান্তিক এই মৃত্যৃ যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেননা মা-বাবা, স্বজন ও এলাকাবাসী। যুক্তরাষ্ট সরকারের কাছে লিমনের নৃশংস হত্যাকারীকে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন পরিবার ও নিহতের স্বজনরা।জানাজা নামাজে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, ইউএনও সুমন চৌধুরী, এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফর রহমান সহ প্রায় হাজারো মুসল্লিয়ানবৃন্দ। মাগরিবের নামাজের পর লালডোবা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা দাদির পাশে শায়িত করা হয় তাকে।

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত মেধাবী শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream