কুমিল্লার বরুড়ায় অনলাইন গেম পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় গুরুতর আহত এক যুবক চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত রাকিব হোসেন (২৪) বরুড়া পৌরসভার দেওড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে। সোমবার (৪ মে) রাতে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১ মে রাতে কয়েকজনের সঙ্গে মোবাইলে পাবজি খেলছিলেন রাকিব। খেলার একপর্যায়ে ফারহান নামে এক যুবকের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে ফারহানের নেতৃত্বে একদল কিশোর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাকিবের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। এ সময় রাকিবকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে টানা চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
রাকিবের স্বজনরা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে ঘরে ঢুকে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এলাকার কয়েকজন তরুণ জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বরুড়ার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। ছোটখাটো বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা বাড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মূল অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এলাকায় কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়ায় অনলাইন গেম পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় গুরুতর আহত এক যুবক চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত রাকিব হোসেন (২৪) বরুড়া পৌরসভার দেওড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে। সোমবার (৪ মে) রাতে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১ মে রাতে কয়েকজনের সঙ্গে মোবাইলে পাবজি খেলছিলেন রাকিব। খেলার একপর্যায়ে ফারহান নামে এক যুবকের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে ফারহানের নেতৃত্বে একদল কিশোর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাকিবের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। এ সময় রাকিবকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে টানা চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
রাকিবের স্বজনরা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে ঘরে ঢুকে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এলাকার কয়েকজন তরুণ জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বরুড়ার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। ছোটখাটো বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা বাড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মূল অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এলাকায় কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন