ঢাকা    শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
নগদ বার্তা

অর্থনীতি

দুই শতকের ঐতিহ্য বহন করছে মেলান্দহ গরুর হাট, জমজমাট বেচাকেনায় সচল গ্রামীণ অর্থনীতি

দুই শতকের ঐতিহ্য বহন করছে মেলান্দহ গরুর হাট, জমজমাট বেচাকেনায় সচল গ্রামীণ অর্থনীতি
দুই শতকের ঐতিহ্য বহন করছে মেলান্দহ গরুর হাট

জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মেলান্দহ গরুর হাট শত বছরের পুরোনো গ্রামীণ বাণিজ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। স্থানীয়ভাবে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো বাজার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠা এ হাট আজও উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ গবাদিপশুর বাজার হিসেবে পরিচিত।

ঐতিহাসিকভাবে কৃষিনির্ভর জনপদ হিসেবে পরিচিত মেলান্দহ অঞ্চলে একসময় কৃষকরা বলদ, গাভী ও দেশি গরু কেনাবেচার জন্য এই হাটে আসতেন। সময়ের পরিবর্তনে আধুনিক খামারভিত্তিক পশু বেচাকেনার বড় কেন্দ্রে রূপ নিয়েছে এ হাট।

প্রতি হাটবারে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে জমজমাট বেচাকেনা। শেরপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ী, খামারি ও ক্রেতারা ভিড় করেন এখানে।

বিশেষ করে ঈদুল আজহা সামনে এলে হাটে বাড়ে প্রাণচাঞ্চল্য। লাখ লাখ টাকার গরু বেচাকেনা হয়। বড় আকৃতির কোরবানির পশু দেখতে প্রতিদিন হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে।

স্থানীয় প্রবীণদের মতে, মেলান্দহ গরুর হাট শুধু ব্যবসার কেন্দ্র নয়, এটি সামাজিক যোগাযোগ, লোকজ সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক ঐতিহ্যেরও অংশ।

ব্যবসায়ীদের দাবি, এই হাটকে ঘিরে পরিবহন, পশুখাদ্য, শ্রমিক, ছোট দোকানদারসহ বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এই হাট।

স্থানীয়দের দাবি

হাটে আধুনিক অবকাঠামো, পশু চিকিৎসা সেবা, নিরাপত্তা ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করা হলে এটি জাতীয় পর্যায়ের বৃহৎ পশুর হাটে পরিণত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

নগদ বার্তা

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


দুই শতকের ঐতিহ্য বহন করছে মেলান্দহ গরুর হাট, জমজমাট বেচাকেনায় সচল গ্রামীণ অর্থনীতি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image


জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মেলান্দহ গরুর হাট শত বছরের পুরোনো গ্রামীণ বাণিজ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। স্থানীয়ভাবে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো বাজার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠা এ হাট আজও উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ গবাদিপশুর বাজার হিসেবে পরিচিত।

ঐতিহাসিকভাবে কৃষিনির্ভর জনপদ হিসেবে পরিচিত মেলান্দহ অঞ্চলে একসময় কৃষকরা বলদ, গাভী ও দেশি গরু কেনাবেচার জন্য এই হাটে আসতেন। সময়ের পরিবর্তনে আধুনিক খামারভিত্তিক পশু বেচাকেনার বড় কেন্দ্রে রূপ নিয়েছে এ হাট।

প্রতি হাটবারে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে জমজমাট বেচাকেনা। শেরপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ী, খামারি ও ক্রেতারা ভিড় করেন এখানে।

বিশেষ করে ঈদুল আজহা সামনে এলে হাটে বাড়ে প্রাণচাঞ্চল্য। লাখ লাখ টাকার গরু বেচাকেনা হয়। বড় আকৃতির কোরবানির পশু দেখতে প্রতিদিন হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে।

স্থানীয় প্রবীণদের মতে, মেলান্দহ গরুর হাট শুধু ব্যবসার কেন্দ্র নয়, এটি সামাজিক যোগাযোগ, লোকজ সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক ঐতিহ্যেরও অংশ।

ব্যবসায়ীদের দাবি, এই হাটকে ঘিরে পরিবহন, পশুখাদ্য, শ্রমিক, ছোট দোকানদারসহ বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এই হাট।

স্থানীয়দের দাবি

হাটে আধুনিক অবকাঠামো, পশু চিকিৎসা সেবা, নিরাপত্তা ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করা হলে এটি জাতীয় পর্যায়ের বৃহৎ পশুর হাটে পরিণত হতে পারে।


নগদ বার্তা

সম্পাদক :মোহাম্মদ মঞ্জুরুল কবির (মঞ্জু) ll প্রকাশক: জাহিন ফয়সাল (শুভ)

২০২৬ © নগদ বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত