নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য বিভিন্ন ক্রীড়া আসর থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে পাকিস্তান। এর ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় নারী ফুটবল প্রতিযোগিতা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও অংশ নিচ্ছে না দেশটি।
আগামী ২৫ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত ভারতের গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আয়োজক দেশ ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দলগুলো অংশ নিলেও পাকিস্তান এই আসরে থাকছে না।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে নিজেদের সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ। ফলে এবারের প্রতিযোগিতা ছয়টি দল নিয়ে আয়োজন করা হবে। ইতোমধ্যে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ড্রয়ে অংশ নেওয়া দলগুলোকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি গ্রুপে রয়েছে তিনটি করে দল।
এই আসরে স্বাগতিক ভারতের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপ। পাকিস্তানের অনুপস্থিতি টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতামূলক দিক কিছুটা প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে পাকিস্তানের নারী ফুটবল দলের জন্য এটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হলো তাদের।
উল্লেখ্য, এর আগেও ভারতে অনুষ্ঠিত কয়েকটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টে অংশ নেয়নি পাকিস্তান। গত নভেম্বরে তামিলনাড়ুতে আয়োজিত জুনিয়র হকি বিশ্বকাপ এবং রাজগীরে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছিল তারা।
নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে ভারত এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ পাঁচবার শিরোপা জিতেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য বিভিন্ন ক্রীড়া আসর থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে পাকিস্তান। এর ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় নারী ফুটবল প্রতিযোগিতা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও অংশ নিচ্ছে না দেশটি।
আগামী ২৫ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত ভারতের গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আয়োজক দেশ ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দলগুলো অংশ নিলেও পাকিস্তান এই আসরে থাকছে না।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে নিজেদের সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ। ফলে এবারের প্রতিযোগিতা ছয়টি দল নিয়ে আয়োজন করা হবে। ইতোমধ্যে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ড্রয়ে অংশ নেওয়া দলগুলোকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি গ্রুপে রয়েছে তিনটি করে দল।
এই আসরে স্বাগতিক ভারতের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপ। পাকিস্তানের অনুপস্থিতি টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতামূলক দিক কিছুটা প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে পাকিস্তানের নারী ফুটবল দলের জন্য এটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হলো তাদের।
উল্লেখ্য, এর আগেও ভারতে অনুষ্ঠিত কয়েকটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টে অংশ নেয়নি পাকিস্তান। গত নভেম্বরে তামিলনাড়ুতে আয়োজিত জুনিয়র হকি বিশ্বকাপ এবং রাজগীরে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছিল তারা।
নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে ভারত এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ পাঁচবার শিরোপা জিতেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন