পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও তিনি তা বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেননি এবং ওই কর্মকাণ্ড থেকে পাওয়া অর্থ গ্রহণ করতেন।
ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট পুলিশের নজরে আসে। সেখানে বিভিন্ন আপত্তিকর কনটেন্টের পাশাপাশি সেগুলো অর্থের বিনিময়ে সরবরাহের বিজ্ঞাপন পাওয়া যায় বলে দাবি পুলিশের।
তদন্তসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে গ্রাহকদের এসব কনটেন্ট সরবরাহ করা হতো। এ জন্য বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহার করে অর্থ লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়া নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে দীর্ঘমেয়াদি বা ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার প্রচারণাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চালানো হতো বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সুমাইয়ার অবস্থান শনাক্ত করার পর গত ১১ আগস্ট রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।
অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি প্রতিষ্ঠান থেকে খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমাইয়ার সঙ্গে আরও কয়েকজনের যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্টদের ধারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আরও ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন।
পুলিশের ভাষ্য, সুমাইয়ার বাবা আবু সাঈদ তাঁর মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি এ বিষয়ে বাধা না দিয়ে ওই কর্মকাণ্ড থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্তাধীন। এ ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পাশাপাশি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া কনটেন্ট ও অর্থ লেনদেনের বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও তিনি তা বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেননি এবং ওই কর্মকাণ্ড থেকে পাওয়া অর্থ গ্রহণ করতেন।
ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট পুলিশের নজরে আসে। সেখানে বিভিন্ন আপত্তিকর কনটেন্টের পাশাপাশি সেগুলো অর্থের বিনিময়ে সরবরাহের বিজ্ঞাপন পাওয়া যায় বলে দাবি পুলিশের।
তদন্তসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে গ্রাহকদের এসব কনটেন্ট সরবরাহ করা হতো। এ জন্য বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহার করে অর্থ লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়া নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে দীর্ঘমেয়াদি বা ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার প্রচারণাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চালানো হতো বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সুমাইয়ার অবস্থান শনাক্ত করার পর গত ১১ আগস্ট রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।
অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি প্রতিষ্ঠান থেকে খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমাইয়ার সঙ্গে আরও কয়েকজনের যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্টদের ধারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আরও ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন।
পুলিশের ভাষ্য, সুমাইয়ার বাবা আবু সাঈদ তাঁর মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি এ বিষয়ে বাধা না দিয়ে ওই কর্মকাণ্ড থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্তাধীন। এ ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পাশাপাশি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া কনটেন্ট ও অর্থ লেনদেনের বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ

আপনার মতামত লিখুন