জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের লালডোবা, ইলশামারী, পূর্ব নলছিয়া, নলছিয়া বাজার, মহিষবাথান বাজারসহ কয়েকটি গ্রামে গত ৩ দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। টানা লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার বাসিন্দা ও বাজারে ব্যবসায়ীরা।
বিদ্যুৎ না থাকায় সন্ধ্যা নামলেই ঘরে ঘরে জ্বলছে কুপি বাতি আর মোমবাতি। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে ৯০ দশকের মতো দোয়াত-কলম ও কেরোসিনের কুপি ব্যবহার শুরু করেছেন। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। মোবাইল ফোন চার্জ দিতে যেতে হচ্ছে পাশের বাজারে।
টানা বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে রাখা মাছ, মাংস, দুধ, ও কাঁচাবাজার পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ বাদশা জানায়, “বাড়িতে ঈদের পর কেনা ৫ কেজি গরুর মাংস আর মাছ পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। আর গরমে দোকানের আইসক্রিম, দই,সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। টানা তিন দিন বিদ্যুৎ না থাকায় আমার মত ব্যাবসায়ীদের বড় ধরণের ক্ষতি মুখে পড়তে হচ্ছে আমরা এই সমস্যার সমাধান চাচ্ছি।
বিদ্যুৎ না থাকায় সেচ পাম্প বন্ধ থাকায় বোরো ধানের জমিতে পানি দিতে পারছেন না কৃষকরা। এতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাথে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, ঝড়ে ৩৩ কেভি লাইনের খুঁটি ভেঙে যায় ও বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক মেইন তার ছিঁড়ে যাওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে। মেরামতের কাজ চলছে, দ্রুতই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
লালডোবা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান মোকু বলেন, “৩ দিন ধরে অন্ধকারে আছি। বাচ্চারা পড়তে পারছে না, ফ্রিজের সব জিনিস ফেলে দিতে হয়েছে। তাই সন্ধ্যা পর বিদ্যুৎ না থাকায় আমরা দোয়াত, মোমবাতি জ্বালাচ্ছি। আমরা দ্রুত বিদ্যুৎ চাই।”
এছাড়াও এলাকাবাসী দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের লালডোবা, ইলশামারী, পূর্ব নলছিয়া, নলছিয়া বাজার, মহিষবাথান বাজারসহ কয়েকটি গ্রামে গত ৩ দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। টানা লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার বাসিন্দা ও বাজারে ব্যবসায়ীরা।
বিদ্যুৎ না থাকায় সন্ধ্যা নামলেই ঘরে ঘরে জ্বলছে কুপি বাতি আর মোমবাতি। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে ৯০ দশকের মতো দোয়াত-কলম ও কেরোসিনের কুপি ব্যবহার শুরু করেছেন। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। মোবাইল ফোন চার্জ দিতে যেতে হচ্ছে পাশের বাজারে।
টানা বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে রাখা মাছ, মাংস, দুধ, ও কাঁচাবাজার পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ বাদশা জানায়, “বাড়িতে ঈদের পর কেনা ৫ কেজি গরুর মাংস আর মাছ পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। আর গরমে দোকানের আইসক্রিম, দই,সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। টানা তিন দিন বিদ্যুৎ না থাকায় আমার মত ব্যাবসায়ীদের বড় ধরণের ক্ষতি মুখে পড়তে হচ্ছে আমরা এই সমস্যার সমাধান চাচ্ছি।
বিদ্যুৎ না থাকায় সেচ পাম্প বন্ধ থাকায় বোরো ধানের জমিতে পানি দিতে পারছেন না কৃষকরা। এতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাথে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, ঝড়ে ৩৩ কেভি লাইনের খুঁটি ভেঙে যায় ও বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক মেইন তার ছিঁড়ে যাওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে। মেরামতের কাজ চলছে, দ্রুতই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
লালডোবা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান মোকু বলেন, “৩ দিন ধরে অন্ধকারে আছি। বাচ্চারা পড়তে পারছে না, ফ্রিজের সব জিনিস ফেলে দিতে হয়েছে। তাই সন্ধ্যা পর বিদ্যুৎ না থাকায় আমরা দোয়াত, মোমবাতি জ্বালাচ্ছি। আমরা দ্রুত বিদ্যুৎ চাই।”
এছাড়াও এলাকাবাসী দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন