জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ভয়াবহ বজ্রপাতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। এছাড়া বজ্রাঘাতে পাঁচটি গরুও মারা গেছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে হঠাৎ কালো মেঘে আকাশ ছেয়ে গেলে শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। এর কিছুক্ষণ পর পরই কয়েক দফা বজ্রপাত হয়। এ সময় উপজেলার পৃথক স্থানে মাঠে কাজ করা কৃষক ও গবাদিপশুর ওপর বজ্রপাত আঘাত হানে।
বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তি উপজেলার এক কৃষক বলে জানা গেছে। তিনি ঝড়ের সময় মাঠে কাজ করছিলেন। বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আহত চারজনকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
অন্যদিকে উপজেলার আরেকটি এলাকায় বজ্রাঘাতে পাঁচটি গরু মারা যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একসঙ্গে পাঁচটি গরু হারিয়ে অনেকেই বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, আকস্মিক বজ্রপাতে হতাহতের এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া পরিবর্তনের এ সময়ে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠ, গাছের নিচে এবং জলাশয়ের পাশে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ভয়াবহ বজ্রপাতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। এছাড়া বজ্রাঘাতে পাঁচটি গরুও মারা গেছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে হঠাৎ কালো মেঘে আকাশ ছেয়ে গেলে শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। এর কিছুক্ষণ পর পরই কয়েক দফা বজ্রপাত হয়। এ সময় উপজেলার পৃথক স্থানে মাঠে কাজ করা কৃষক ও গবাদিপশুর ওপর বজ্রপাত আঘাত হানে।
বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তি উপজেলার এক কৃষক বলে জানা গেছে। তিনি ঝড়ের সময় মাঠে কাজ করছিলেন। বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আহত চারজনকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
অন্যদিকে উপজেলার আরেকটি এলাকায় বজ্রাঘাতে পাঁচটি গরু মারা যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একসঙ্গে পাঁচটি গরু হারিয়ে অনেকেই বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, আকস্মিক বজ্রপাতে হতাহতের এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া পরিবর্তনের এ সময়ে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠ, গাছের নিচে এবং জলাশয়ের পাশে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন