জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় একটি এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে এক নিয়মিত পরীক্ষার্থীর ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ঘুঘুমারী এমএকেএইচএস কেন্দ্র (কোড-২৪৭)-এ, বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার দিন। অভিযোগ অনুযায়ী, মানবিক বিভাগের নিয়মিত পরীক্ষার্থী তহুরা জান্নাত ফাইজার হাতে ভুলবশত অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছু সময় পর বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবহিত করেন।
পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে দিলেও তার উত্তরপত্রের ওএমআর শিট অপরিবর্তিত রাখা হয়। এতে সেট কোড ও অন্যান্য তথ্য অনিয়মিত সিলেবাস অনুযায়ী থেকে যাওয়ায় ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।
ফাইজার বাবা মো. আসলাম ইকবাল বলেন, তার মেয়ে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও এমন ভুলের শিকার হয়েছে। প্রশ্ন সংশোধন করা হলেও ওএমআর ঠিক না করায় ফলাফল বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পরীক্ষার সার্বিক দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ওপর বর্তায়। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও সমাধান চান স্থানীয়রা, যাতে একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে না পড়ে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় একটি এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে এক নিয়মিত পরীক্ষার্থীর ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ঘুঘুমারী এমএকেএইচএস কেন্দ্র (কোড-২৪৭)-এ, বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার দিন। অভিযোগ অনুযায়ী, মানবিক বিভাগের নিয়মিত পরীক্ষার্থী তহুরা জান্নাত ফাইজার হাতে ভুলবশত অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছু সময় পর বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবহিত করেন।
পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে দিলেও তার উত্তরপত্রের ওএমআর শিট অপরিবর্তিত রাখা হয়। এতে সেট কোড ও অন্যান্য তথ্য অনিয়মিত সিলেবাস অনুযায়ী থেকে যাওয়ায় ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।
ফাইজার বাবা মো. আসলাম ইকবাল বলেন, তার মেয়ে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও এমন ভুলের শিকার হয়েছে। প্রশ্ন সংশোধন করা হলেও ওএমআর ঠিক না করায় ফলাফল বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পরীক্ষার সার্বিক দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ওপর বর্তায়। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও সমাধান চান স্থানীয়রা, যাতে একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে না পড়ে।

আপনার মতামত লিখুন