ঢাকা    রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
নগদ বার্তা
আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত ঝিনাইদহের কৃষক, দাম ভালো পেলেও উৎপাদন খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তা

আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত ঝিনাইদহের কৃষক, দাম ভালো পেলেও উৎপাদন খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তা

মাঠজুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। কোথাও সারি সারি ফুলকপি ও বাঁধাকপি, আবার কোথাও শোভা পাচ্ছে শিম, মূলা, লাউ ও পুঁইশাক। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং অসময়ে বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঝিনাইদহের কৃষকরা। ইতিমধ্যে বাজারে আগাম সবজি উঠতে শুরু করেছে। এতে ভালো দাম পেয়ে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটলেও সার, কীটনাশক ও জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না তাঁদের। স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মৌসুমের আগেই বাজারে সবজি তুলতে পারলে সাধারণত চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি থাকে। এ কারণে প্রতি বছরই ঝিনাইদহ অঞ্চলে আগাম সবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। সদর উপজেলার হলিধানী গ্রামের কৃষক আকিদুল ইসলাম এবং পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মুরারিদহ মাঠে কর্মরত কৃষক জহির উদ্দিনসহ অনেকে জানান, এবার আগাম সবজির ফলন বেশ ভালো হচ্ছে। বাজারেও ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে। তবে সার, কীটনাশক ও জ্বালানি তেলের দাম আগের তুলনায় বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ অনেক বেড়েছে। তাঁরা বলেন, এবার আগাম সবজির ফলন বেশ ভালো হচ্ছে এবং বাজারে দামও ভালো পাচ্ছি। কিন্তু সার, কীটনাশক আর তেলের দাম আগের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে উৎপাদন খরচ অনেকটাই বেড়ে গেছে। সরকার যদি কৃষি উপকরণের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখে, তবে আমরা আরও বেশি লাভবান হতে পারব। সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মফিজ উদ্দিন এবং সাগান্না ইউনিয়নের ফেরদৌস হায়দার জুয়েলসহ স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার সবজির ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী ন্যায্যমূল্য পাওয়া গেলে বাড়তি উৎপাদন খরচ মিটিয়েও কৃষকরা লাভবান হতে পারবেন। ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার অনেক এলাকার জমি তুলনামূলক উঁচু হওয়ায় তা সবজি চাষের জন্য বেশ উপযোগী। আগাম সবজি আবাদে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের নিয়মিত প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ কামরুজ্জামান জানান, চলতি বছর জেলায় ৫ হাজার ৭৮৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে প্রায় ৬ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে। ঝিনাইদহের মাটি ও উঁচু জমি সবজি চাষের জন্য অনুকূল হওয়ায় এ অঞ্চলে সবজি উৎপাদনের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকদের আগাম সবজি চাষে সার্বিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। বিডি-প্রতিদিন/এমএল

বাউবিতে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম গতিশীল করতে সমন্বয় সভা

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) মাঠপর্যায়ের সব ধরনের সেবার মান বৃদ্ধি, কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়ন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বাউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে তার গাজীপুরস্থ কনফারেন্স কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।  সভায় প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম ও রেজিস্ট্রার টিএম আহমেদ হুসেইনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, বিভাগের পরিচালক, প্রোগ্রাম অফিসার ও আঞ্চলিক কেন্দ্রের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সনদ সংশোধনী প্রক্রিয়া সহজীকরণ, উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রে নিয়মিত সমন্বয় সভার আয়োজন এবং পরীক্ষা চলাকালে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ ছাড়া বাউবির সব স্কুলের একাডেমিক ক্যালেন্ডার যথাসময়ে প্রকাশ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হালনাগাদ বদলি নীতিমালা প্রণয়ন, জনবলের দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং নতুন প্রোগ্রাম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করনে প্রমোশনাল কার্যক্রম ও ব্র্যান্ডিং জোরদারের ওপর তাগিদ দেওয়া হয়। তৃতীয় লিঙ্গ ও নারী শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে ফি আরো কমানোর বিষয়টি বিবেচনায় আনার তাগিদ দেন তারা। একই সাথে পরীক্ষায় অসাধু উপায় প্রতিরোধে প্রযুক্তির সর্বাত্মক ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে কর্মকর্তারা মতামত তুলে ধরেন। স্টুডেন্ট সাপোর্ট সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আবু তালেবের সঞ্চালনায় সমন্বয় সভায় অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন অভিযোগ ও পরামর্শ মনোযোগসহকারে শুনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, স্বল্প জনবল ও সীমিত অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে সমস্যাগুলো সমাধানের পথে আমরা এগিয়ে যাব। বাউবি শুধু সার্টিফিকেট প্রদানের কারখানা নয় উল্লেখ করে উপাচার্য দৃঢ়তার সাথে বলেন, বাউবি ডিগ্রি অর্জনের একটি প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি দ্রুত ই-অ্যাটেনডেন্স প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। একই সাথে তিনি আসন্ন বাউবির ষষ্ঠ সমাবর্তন ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।  এদিকে, সকালে বাউবির মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সেমিনার আজ শেষ হয়। সমাপনি অনুষ্ঠানে অংশ নেন চারজন গবেষকসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অনেকে। প্রধান অতিথি বাউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান তার বক্তব্যে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বস্তুনিষ্ঠ ও গবেষণাভিত্তিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। এ ব্যাপারে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।   বিডি প্রতিদিন/এএম  

বাউবিতে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম গতিশীল করতে সমন্বয় সভা

কৃষকরা দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ, কৃষি পুরস্কার চালুর উদ্যোগ: রাষ্ট্রপতি

কৃষকরা দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ: রাষ্ট্রপতিকৃষকদের দেশের ‘আসল ও শ্রেষ্ঠ মানুষ’ হিসেবে উল্লেখ করে কৃষিক্ষেত্রে তাঁদের অবদান ও নতুন উদ্ভাবনের স্বীকৃতি দিতে বিশেষ পুরস্কার চালুর উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান কুল ময়েজের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এ সময় রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। তাঁর প্রেস সচিবের বরাত দিয়ে বাসস এ তথ্য জানিয়েছে।কৃষকদের জন্য চালু হবে ‘রাষ্ট্রপতি কৃষি পুরস্কার’সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষকদের নতুন উদ্ভাবন এবং কৃষিক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে ‘রাষ্ট্রপতি কৃষি পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।তিনি বলেন, কৃষকদের শ্রম, নতুন উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে দেশের কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কৃষকদের এসব অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।জাতীয় পর্যায়ে কেন্দ্রীয় কৃষক সংগঠনের আহ্বানকৃষকদের সামগ্রিক উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণে দল-মত-পথের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় পর্যায়ে একটি কেন্দ্রীয় কৃষক সংগঠন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি।তিনি কৃষকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরতে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের তাগিদসাক্ষাতে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্য যাতে সহজে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে পারে এবং কৃষক ন্যায্য দাম পান, সে জন্য কার্যকর বিপণনব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।এ জন্য কৃষকদের আরও সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।৩ হাজার কোটি টাকার স্কিমের কথাকৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষকদের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, এ খাতে নতুন একটি স্কিম চালু করা হয়েছে এবং এতে ইতোমধ্যে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া সহজ শর্তে কম সুদে কৃষিঋণের ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সুফল দ্রুত পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।কৃষিপণ্য রপ্তানিতে গুরুত্বদেশে উৎপাদিত ফলমূল ও অন্যান্য কৃষিজাত পণ্যের বিদেশে চাহিদার কথা উল্লেখ করে এগুলো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি।তিনি কৃষিপ্রক্রিয়াজাত শিল্প-কারখানা ও আধুনিক হিমাগার স্থাপনের পাশাপাশি খামারে সৌর প্যানেল ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এনজিও থেকে নেওয়া কৃষিঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।কৃষক সমিতির বিভিন্ন দাবিসাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ কৃষক সমিতির প্রতিনিধিরা কৃষকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন।দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, বিনা সুদে ঋণ সুবিধা, কৃষক দিবস পালন, জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের পুরস্কৃত করা, শস্যবীমা চালু এবং জেলা ও উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে কৃষকদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।এ ছাড়া বজ্রপাত ও সাপের কামড় থেকে কৃষকদের সুরক্ষা এবং কৃষি উপকরণের সহজলভ্যতার বিষয়েও দাবি জানানো হয়।ঈশ্বরদীতে কৃষি মেলার উদ্যোগসাক্ষাৎকালে কৃষক সমিতির সভাপতি জানান, ঈশ্বরদীতে কৃষিক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৭০ বছরের বেশি বয়সী কৃষকদের সংবর্ধনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে আধুনিক কৃষিপণ্য প্রদর্শন ও বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে একটি মেলার আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও রাষ্ট্রপতিকে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানানো হলে তিনি সেখানে উপস্থিত থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেন।কৃষকদের অবদানের স্বীকৃতিতে গুরুত্বসাক্ষাতে কৃষকদের উৎপাদন, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিখাতের অগ্রগতির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষিপণ্যের বাজারব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি তাঁদের অবদানের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি।

কৃষকরা দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ, কৃষি পুরস্কার চালুর উদ্যোগ: রাষ্ট্রপতি
Radio Logo
নগদ বার্তা Live
Live Audio Stream