জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার জটিয়াপাড়া থেকে মহিষবাথান যাওয়ার প্রধান পাকা সড়কের বেহাল দশা আজ আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৭ বছরের উন্নয়নের ফাঁকা বুলির মুখোশ খুলে দিয়েছে। পাকা রাস্তার নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের বাস্তব প্রমাণ এই সড়কটি।
নামে পাকা রাস্তা হলেও বাস্তবে এটি এখন মরণফাঁদ। পুরো সড়ক জুড়ে বড় বড় গর্ত, পিচ উঠে গিয়ে ইট-সুরকি বের হয়ে আছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি আর কাদায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন হাজারো মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক ও রোগীবাহী ভ্যান চলাচল করে চরম ঝুঁকি নিয়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের আমলে এই রাস্তার নামে বারবার বরাদ্দ দেখানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ঠিকাদার ও দলীয় নেতাদের পকেট ভারী করতেই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে দায়সারা কাজ করা হয়েছে। ১৭ বছরে পাকা রাস্তার নামে যে লুটপাট হয়েছে, জটিয়াপাড়া-মহিষবাথান সড়ক তার জ্বলন্ত উদাহরণ।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন - উন্নয়নের গল্প শোনানো হলেও এই রাস্তার টাকা গেল কোথায়? এই ভোগান্তির দায় কে নেবে?
অবিলম্বে এই লুটপাটের তদন্ত ও রাস্তাটি নতুন করে পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার জটিয়াপাড়া থেকে মহিষবাথান যাওয়ার প্রধান পাকা সড়কের বেহাল দশা আজ আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৭ বছরের উন্নয়নের ফাঁকা বুলির মুখোশ খুলে দিয়েছে। পাকা রাস্তার নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের বাস্তব প্রমাণ এই সড়কটি।
নামে পাকা রাস্তা হলেও বাস্তবে এটি এখন মরণফাঁদ। পুরো সড়ক জুড়ে বড় বড় গর্ত, পিচ উঠে গিয়ে ইট-সুরকি বের হয়ে আছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি আর কাদায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন হাজারো মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক ও রোগীবাহী ভ্যান চলাচল করে চরম ঝুঁকি নিয়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের আমলে এই রাস্তার নামে বারবার বরাদ্দ দেখানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ঠিকাদার ও দলীয় নেতাদের পকেট ভারী করতেই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে দায়সারা কাজ করা হয়েছে। ১৭ বছরে পাকা রাস্তার নামে যে লুটপাট হয়েছে, জটিয়াপাড়া-মহিষবাথান সড়ক তার জ্বলন্ত উদাহরণ।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন - উন্নয়নের গল্প শোনানো হলেও এই রাস্তার টাকা গেল কোথায়? এই ভোগান্তির দায় কে নেবে?
অবিলম্বে এই লুটপাটের তদন্ত ও রাস্তাটি নতুন করে পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন