ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
নগদ বার্তা

জন দুর্ভোগ

মাদারগঞ্জে প্রচণ্ড দাবদাহে ঘনঘন লোডশেডিং, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন

মাদারগঞ্জে প্রচণ্ড দাবদাহে ঘনঘন লোডশেডিং, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন
চাহিদা ১৮ মেগাওয়াট, সরবরাহ ৯ মেগাওয়াট — রাতের ঘুমও এখন লোডশেডিংয়ের কাছে জিম্মি

তীব্র ও প্রচণ্ড দাবদাহে যখন জামালপুরের মাদারগঞ্জের জনজীবন ওষ্ঠাগত, ঠিক তখনই উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে ঘনঘন লোডশেডিং। গরম আর বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। দিনে রোদ, রাতে অন্ধকার — দুই বেলাই দুর্ভোগ।

দিনের বেলা তীব্র গরম থেকে বাঁচতে মানুষ গাছের নিচে আশ্রয় নিচ্ছেন। আর দিনভর গরমের পর রাতে একটু স্বস্তির ঘুমের আশায় বিছানায় গেলেই শুরু হচ্ছে লোডশেডিং। কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন এলাকায় বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। 

ভুক্তভোগীরা জানান, বিদ্যুৎ এলেও তা এক ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয় না। কখন যাবে আর কখন আসবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই। ফলে এই অসহনীয় গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরা। প্রচণ্ড গরমে বাসা-বাড়িতে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় এলাকার মোবাইল টাওয়ারগুলো সচল থাকছে না। ফলে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবার মান মারাত্মকভাবে কমে গেছে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করতেও চরম বিড়ম্বনায় পড়ছেন গ্রাহকরা।

স্থানীয় এক ক্ষুব্ধ গ্রাহক বলেন, “রাতের প্রশান্তির ঘুম যেন এখন লোডশেডিংয়ের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও নেটওয়ার্কের এই অবস্থা আমাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।”

  

মাদারগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্তৃপক্ষ জানায়, মাদারগঞ্জে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাওয়ায় লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

এলাকার সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এই ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দ্রুত কার্যকর সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

নগদ বার্তা

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬


মাদারগঞ্জে প্রচণ্ড দাবদাহে ঘনঘন লোডশেডিং, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬

featured Image

তীব্র ও প্রচণ্ড দাবদাহে যখন জামালপুরের মাদারগঞ্জের জনজীবন ওষ্ঠাগত, ঠিক তখনই উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে ঘনঘন লোডশেডিং। গরম আর বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। দিনে রোদ, রাতে অন্ধকার — দুই বেলাই দুর্ভোগ।


দিনের বেলা তীব্র গরম থেকে বাঁচতে মানুষ গাছের নিচে আশ্রয় নিচ্ছেন। আর দিনভর গরমের পর রাতে একটু স্বস্তির ঘুমের আশায় বিছানায় গেলেই শুরু হচ্ছে লোডশেডিং। কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন এলাকায় বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। 


ভুক্তভোগীরা জানান, বিদ্যুৎ এলেও তা এক ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয় না। কখন যাবে আর কখন আসবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই। ফলে এই অসহনীয় গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরা। প্রচণ্ড গরমে বাসা-বাড়িতে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা।


বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় এলাকার মোবাইল টাওয়ারগুলো সচল থাকছে না। ফলে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবার মান মারাত্মকভাবে কমে গেছে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করতেও চরম বিড়ম্বনায় পড়ছেন গ্রাহকরা।


স্থানীয় এক ক্ষুব্ধ গ্রাহক বলেন, “রাতের প্রশান্তির ঘুম যেন এখন লোডশেডিংয়ের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও নেটওয়ার্কের এই অবস্থা আমাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।”


  

মাদারগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্তৃপক্ষ জানায়, মাদারগঞ্জে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাওয়ায় লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।


এলাকার সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এই ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দ্রুত কার্যকর সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।



নগদ বার্তা

সম্পাদক :মোহাম্মদ মঞ্জুরুল কবির (মঞ্জু) ll প্রকাশক: জাহিন ফয়সাল (শুভ)

২০২৬ © নগদ বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত