ঢাকা    শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
নগদ বার্তা

সারাদেশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে নারী হত্যার ঘটনায় নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল

সব অপরাধে কি সমান প্রতিবাদ হওয়া উচিত নয়?

সব অপরাধে কি সমান প্রতিবাদ হওয়া উচিত নয়?
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারের লাউহাটিতে এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা


টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটিতে এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে এমন নৃশংস ঘটনার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা বিভিন্ন মহলে তেমন জোরালো প্রতিবাদ চোখে পড়ছে না বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।

সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন, কেন কিছু ঘটনা মুহূর্তেই দেশজুড়ে আলোচনায় আসে, অথচ কিছু ভয়াবহ অপরাধ নীরবে চাপা পড়ে যায়? সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ মনে করছেন, অপরাধের বিচার ও প্রতিবাদের ক্ষেত্রে সবার অবস্থান সমান হওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে ঘিরে অভিযোগ উঠলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তখন সরব হয়ে ওঠেন। কিন্তু অন্য অনেক ঘটনায় সেই একই মাত্রার প্রতিবাদ দেখা যায় না।

এদিকে অনেকে মনে করছেন, কারও পোশাক, দাড়ি-টুপি কিংবা সামাজিক পরিচয় দেখে যাচাই-বাছাই ছাড়াই দোষী সাব্যস্ত করা সুস্থ সমাজের লক্ষণ নয়। অপরাধীর পরিচয় তার ধর্ম বা বাহ্যিক রূপে নয়, বরং তার অপরাধেই নির্ধারিত হওয়া উচিত।

সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, ধর্ষণ ও হত্যার মতো অপরাধের বিরুদ্ধে দল-মত বা পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সমানভাবে সোচ্চার হওয়াই মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের অন্যতম শর্ত।

আপনার মতামত লিখুন

নগদ বার্তা

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


সব অপরাধে কি সমান প্রতিবাদ হওয়া উচিত নয়?

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image


টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটিতে এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে এমন নৃশংস ঘটনার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা বিভিন্ন মহলে তেমন জোরালো প্রতিবাদ চোখে পড়ছে না বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।

সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন, কেন কিছু ঘটনা মুহূর্তেই দেশজুড়ে আলোচনায় আসে, অথচ কিছু ভয়াবহ অপরাধ নীরবে চাপা পড়ে যায়? সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ মনে করছেন, অপরাধের বিচার ও প্রতিবাদের ক্ষেত্রে সবার অবস্থান সমান হওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে ঘিরে অভিযোগ উঠলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তখন সরব হয়ে ওঠেন। কিন্তু অন্য অনেক ঘটনায় সেই একই মাত্রার প্রতিবাদ দেখা যায় না।

এদিকে অনেকে মনে করছেন, কারও পোশাক, দাড়ি-টুপি কিংবা সামাজিক পরিচয় দেখে যাচাই-বাছাই ছাড়াই দোষী সাব্যস্ত করা সুস্থ সমাজের লক্ষণ নয়। অপরাধীর পরিচয় তার ধর্ম বা বাহ্যিক রূপে নয়, বরং তার অপরাধেই নির্ধারিত হওয়া উচিত।

সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, ধর্ষণ ও হত্যার মতো অপরাধের বিরুদ্ধে দল-মত বা পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সমানভাবে সোচ্চার হওয়াই মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের অন্যতম শর্ত।


নগদ বার্তা

সম্পাদক :মোহাম্মদ মঞ্জুরুল কবির (মঞ্জু) ll প্রকাশক: জাহিন ফয়সাল (শুভ)

২০২৬ © নগদ বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত