জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামের এই তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক এখন সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও জনপ্রিয়তার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন রাকিবুল ইসলাম বকুল। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন সৎ, সাহসী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে রাকিবুল ইসলাম বকুলের উত্থান একদিনে হয়নি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, দমন-পীড়ন এবং নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও তিনি মাঠে সক্রিয় থেকেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে একাধিক হামলা ও মামলার মুখোমুখি হন তিনি। তবুও দমে না গিয়ে দলীয় আদর্শ ও তৃণমূলের মানুষের পাশে থেকে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেন।
এলাকাবাসীর মতে, রাকিবুল ইসলাম বকুল শুধু রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক মানুষও। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ, যুবসমাজকে সংগঠিত করা এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।
বালিজুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মো. রাকিবুল ইসলাম বকুলকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজার, মাঠঘাট থেকে সামাজিক আড্ডা—সবখানেই এখন তার নাম উচ্চারিত হচ্ছে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান হিসেবে। অনেকেই মনে করছেন, দলীয় সমর্থন ও জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি শক্ত অবস্থানে থাকবেন।
স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান যিনি তৃণমূলের ভাষা বোঝেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমে ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে পারবেন। সেই জায়গা থেকেই রাকিবুল ইসলাম বকুলকে এগিয়ে রাখছেন তারা।
ইউনিয়নজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই নাম—মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতৃত্ব আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কতটা চমক দেখাতে পারেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামের এই তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক এখন সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও জনপ্রিয়তার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন রাকিবুল ইসলাম বকুল। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন সৎ, সাহসী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে রাকিবুল ইসলাম বকুলের উত্থান একদিনে হয়নি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, দমন-পীড়ন এবং নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও তিনি মাঠে সক্রিয় থেকেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে একাধিক হামলা ও মামলার মুখোমুখি হন তিনি। তবুও দমে না গিয়ে দলীয় আদর্শ ও তৃণমূলের মানুষের পাশে থেকে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেন।
এলাকাবাসীর মতে, রাকিবুল ইসলাম বকুল শুধু রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক মানুষও। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ, যুবসমাজকে সংগঠিত করা এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।
বালিজুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মো. রাকিবুল ইসলাম বকুলকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজার, মাঠঘাট থেকে সামাজিক আড্ডা—সবখানেই এখন তার নাম উচ্চারিত হচ্ছে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান হিসেবে। অনেকেই মনে করছেন, দলীয় সমর্থন ও জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি শক্ত অবস্থানে থাকবেন।
স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান যিনি তৃণমূলের ভাষা বোঝেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমে ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে পারবেন। সেই জায়গা থেকেই রাকিবুল ইসলাম বকুলকে এগিয়ে রাখছেন তারা।
ইউনিয়নজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই নাম—মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতৃত্ব আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কতটা চমক দেখাতে পারেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন