মহিষবাথান আর এম উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দেওয়া উপহারের ডিপ ফ্রিজ তিন বছরেও হদিস পাওয়া যায়নি —এমন অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, বিদ্যালয়টির এসএসসি পরীক্ষার্থীরা প্রতি বছরই স্কুলের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের উপহার বা প্রণোদনা দিয়ে থাকেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য একটি ডিপ ফ্রিজ উপহার দেন। শিক্ষার্থীরা নিজেরা উপস্থিত থেকে ফ্রিজটি ক্রয় করে বিদ্যালয়ে প্রদান করেন।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো সেই ফ্রিজটি ব্যবহারে আনা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। দিন, মাস পেরিয়ে তিন বছর অতিবাহিত হলেও শিক্ষকরা এখনো ফ্রিজটির ব্যবহার করতে পারেননি। এমনকি ফ্রিজটি কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়েও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে শিক্ষকরা সরাসরি কিছু বলতে অনীহা প্রকাশ করছেন বলে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো উচ্চ মহলের চাপে তারা মুখ খুলতে পারছেন না।
এদিকে, ২০২৩ সালের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে গিয়ে ফ্রিজটি না দেখতে পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা জানতে চান, তাদের দেওয়া উপহারটি বর্তমানে কোথায় রয়েছে এবং আদৌ বিদ্যালয়ের কাজে তা ব্যবহার করা হবে কি না।
শিক্ষার্থীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করা হোক এবং উপহারটি যথাযথভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করা হোক

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
মহিষবাথান আর এম উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দেওয়া উপহারের ডিপ ফ্রিজ তিন বছরেও হদিস পাওয়া যায়নি —এমন অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, বিদ্যালয়টির এসএসসি পরীক্ষার্থীরা প্রতি বছরই স্কুলের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের উপহার বা প্রণোদনা দিয়ে থাকেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য একটি ডিপ ফ্রিজ উপহার দেন। শিক্ষার্থীরা নিজেরা উপস্থিত থেকে ফ্রিজটি ক্রয় করে বিদ্যালয়ে প্রদান করেন।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো সেই ফ্রিজটি ব্যবহারে আনা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। দিন, মাস পেরিয়ে তিন বছর অতিবাহিত হলেও শিক্ষকরা এখনো ফ্রিজটির ব্যবহার করতে পারেননি। এমনকি ফ্রিজটি কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়েও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে শিক্ষকরা সরাসরি কিছু বলতে অনীহা প্রকাশ করছেন বলে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো উচ্চ মহলের চাপে তারা মুখ খুলতে পারছেন না।
এদিকে, ২০২৩ সালের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে গিয়ে ফ্রিজটি না দেখতে পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা জানতে চান, তাদের দেওয়া উপহারটি বর্তমানে কোথায় রয়েছে এবং আদৌ বিদ্যালয়ের কাজে তা ব্যবহার করা হবে কি না।
শিক্ষার্থীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করা হোক এবং উপহারটি যথাযথভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করা হোক

আপনার মতামত লিখুন