ঢাকা    বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
নগদ বার্তা

ইরানের উপসাগরীয় বন্দরে মার্কিন অবরোধ, বাড়ছে জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ

ইরানের উপসাগরীয় বন্দরে মার্কিন অবরোধ, বাড়ছে জ্বালানি বাজারে উদ্বেগমধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের বন্দরে নতুন করে অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে এই পদক্ষেপ কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।মার্কিন পক্ষের দাবি, এই অবরোধ সব দেশের পতাকাবাহী জাহাজের জন্য প্রযোজ্য। ইরানের বন্দরের দিকে যাওয়া কিংবা সেখান থেকে ছেড়ে আসা জাহাজগুলোকে প্রয়োজনে থামানো, গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য করা অথবা জব্দ করা হতে পারে।তবে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর বন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীর পূর্বাংশে আরব সাগরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর ওপর এই নিয়ন্ত্রণ কার্যকর রয়েছে। অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ প্রবেশ বা বহির্গমনের চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটির এক মুখপাত্র বলেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে গোটা অঞ্চলের বন্দরগুলো ঝুঁকির মুখে পড়বে।তিনি এই অবরোধকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী উল্লেখ করে ‘সামুদ্রিক দস্যুতা’ বলেও মন্তব্য করেন।উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে ইরান। একই সঙ্গে শত্রুপক্ষের জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে সাম্প্রতিক এই অবরোধ আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।

ইরানের উপসাগরীয় বন্দরে মার্কিন অবরোধ, বাড়ছে জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ