পোল্যান্ডের পার্লামেন্টে এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়েছেন দেশটির ডানপন্থি এক সংসদ সদস্য, যা দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) অধিবেশন চলাকালে ওই সংসদ সদস্য একটি কাগজে আঁকা ইসরায়েলের পতাকা প্রদর্শন করেন। তবে পতাকায় থাকা ইহুদি ধর্মের প্রতীক ‘স্টার অব ডেভিড’-এর জায়গায় তিনি নাৎসি বাহিনীর ব্যবহৃত ‘স্বস্তিকা’ চিহ্ন বসান। এ সময় তিনি ইসরায়েলের নীতির কড়া সমালোচনা করে দেশটিকে ‘নতুন থার্ড এম্পায়ার’ বলে উল্লেখ করেন।
ঘটনাটি সংসদ কক্ষে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে তাৎক্ষণিক উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে। অনেকেই এ আচরণকে অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন।
বক্তব্যে ওই সংসদ সদস্য গাজায় শিশু মৃত্যুর জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইউক্রেনে চলমান সংঘাতের তুলনায় গাজায় শিশু হতাহতের সংখ্যা বেশি।
বিশ্লেষকদের মতে, নাৎসি প্রতীক ব্যবহার অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়, বিশেষ করে পোল্যান্ডের মতো দেশে—যেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি বাহিনী ব্যাপক গণহত্যা চালিয়েছিল। ফলে এ ধরনের প্রতীকের ব্যবহারকে অনেকেই অপমানজনক ও উসকানিমূলক হিসেবে দেখছেন।
পোলিশ পার্লামেন্টের স্পিকার ঘটনাটিকে সংসদের শৃঙ্খলা ও মর্যাদার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন।
আইন অনুযায়ী, পোল্যান্ডে জনসমক্ষে নাৎসি প্রতীক প্রদর্শন এবং অন্য দেশের পতাকা অবমাননা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এদিকে পোল্যান্ডে নিযুক্ত ইসরায়েল দূতাবাস ঘটনাটিকে ‘লজ্জাজনক’ আখ্যা দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পোল্যান্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভাজন আরও বাড়াতে পারে।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
পোল্যান্ডের পার্লামেন্টে এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়েছেন দেশটির ডানপন্থি এক সংসদ সদস্য, যা দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) অধিবেশন চলাকালে ওই সংসদ সদস্য একটি কাগজে আঁকা ইসরায়েলের পতাকা প্রদর্শন করেন। তবে পতাকায় থাকা ইহুদি ধর্মের প্রতীক ‘স্টার অব ডেভিড’-এর জায়গায় তিনি নাৎসি বাহিনীর ব্যবহৃত ‘স্বস্তিকা’ চিহ্ন বসান। এ সময় তিনি ইসরায়েলের নীতির কড়া সমালোচনা করে দেশটিকে ‘নতুন থার্ড এম্পায়ার’ বলে উল্লেখ করেন।
ঘটনাটি সংসদ কক্ষে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে তাৎক্ষণিক উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে। অনেকেই এ আচরণকে অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন।
বক্তব্যে ওই সংসদ সদস্য গাজায় শিশু মৃত্যুর জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইউক্রেনে চলমান সংঘাতের তুলনায় গাজায় শিশু হতাহতের সংখ্যা বেশি।
বিশ্লেষকদের মতে, নাৎসি প্রতীক ব্যবহার অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়, বিশেষ করে পোল্যান্ডের মতো দেশে—যেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি বাহিনী ব্যাপক গণহত্যা চালিয়েছিল। ফলে এ ধরনের প্রতীকের ব্যবহারকে অনেকেই অপমানজনক ও উসকানিমূলক হিসেবে দেখছেন।
পোলিশ পার্লামেন্টের স্পিকার ঘটনাটিকে সংসদের শৃঙ্খলা ও মর্যাদার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন।
আইন অনুযায়ী, পোল্যান্ডে জনসমক্ষে নাৎসি প্রতীক প্রদর্শন এবং অন্য দেশের পতাকা অবমাননা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এদিকে পোল্যান্ডে নিযুক্ত ইসরায়েল দূতাবাস ঘটনাটিকে ‘লজ্জাজনক’ আখ্যা দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পোল্যান্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভাজন আরও বাড়াতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন