টেক তরঙ্গ
Post Ads 1
Post Ads 2

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন যেভাবে

ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন যেভাবে
Post Ads 3

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশেও আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে স্টারলিংকের সেবা কার্যক্রম শুরুর পর এটি নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে মানুষ। চলুন জেনে নেই স্টারলিংকের পরিষেবা নিয়ে খুঁটিনাটি। 

Middle Post Content 1

অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, শুরুতে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ দিয়ে শুরু করছে-স্টার্লিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট। স্টারলিংক রেসিডেন্সের মাসিক খরচ ৬ হাজার টাকা, রেসিডেন্স লাইটের খরচ ৪ হাজার ২০০ টাকা। সেটাপ যন্ত্রপাতির জন্য ৪৭ হাজার টাকা এককালীন খরচ হবে। এখানে কোনো স্পীড ও ডাটা লিমিট নেই। ব্যক্তি ৩০০ এম্বিপিএস পর্যন্ত গতির আনলিমিটেড ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশের গ্রাহকরা আজ থেকেই অর্ডার করতে পারবেন।

Middle Post Content 2

ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ কীভাবে পাবেন

Middle Post Content 3

স্টারলিংক ইন্টারনেটের পুরো প্রক্রিয়ায় তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাউন্ড স্টেশন, স্যাটেলাইট ও রিসিভার অ্যান্টেনা। স্টারলিংক সংযোগের জন্য স্ট্যান্ডার্ড কিটে থাকে একটি স্যাটেলাইট ডিশ, ওয়াইফাই রাউটার, মাউন্টিং ট্রাইপড ও ক্যাবল। এটি সেটআপ করা অত্যন্ত সহজ। প্রয়োজনীয় সংযোগ দিয়ে স্যাটেলাইট ডিশটির ফাঁকা জায়গায় আকাশের দিকে মুখে করে স্থাপন করতে হবে।

Middle Post Content 1

তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কীভাবে স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন। বাংলাদেশে এখনো স্টারলিংকের গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়নি। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক পেতে হলে সরাসরি প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে ‘রেসিডেনশিয়াল’ ও ‘রোম’ নামের দুটি অপশন পাবেন।

Middle Post Content 1

রেসিডেনশিয়ালে ‘অর্ডার নাউ’ অপশনে গিয়ে নিজের স্থান নির্বাচন করতে হবে। তবে সরকার ‘রোম’, অর্থাৎ ভ্রাম্যমাণ সেবার অনুমোদন এখনো দেয়নি। এখানে প্রথমে আপনার ঠিকানা দিয়ে সেখানে এই সেবা পৌঁছাবে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।

Middle Post Content 1

এরপর চেকআউট অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও টাকা পরিশোধ করতে হবে। পরে ‘প্লেস অর্ডার’ ক্লিক করতে হবে। তারপর একটি সার্ভিস প্ল্যান বেছে নিয়ে হার্ডওয়্যার কিট কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে পুরো সেট গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাবে।

Middle Post Content 1

স্টারলিংকে ৩০ দিনের একটি ট্রায়াল অপশনও রয়েছে। পরবর্তিতে গ্রাহক সন্তুষ্ট না হলে পুরো টাকা রিফান্ড নিতে পারবেন। তবে বাংলাদেশে এই সুযোগ এখনই আসছে কি না তা জানতে আর একটু সময় লাগতে 

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
টেক তরঙ্গ

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬


ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন যেভাবে

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৫

featured Image

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশেও আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে স্টারলিংকের সেবা কার্যক্রম শুরুর পর এটি নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে মানুষ। চলুন জেনে নেই স্টারলিংকের পরিষেবা নিয়ে খুঁটিনাটি। 

অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, শুরুতে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ দিয়ে শুরু করছে-স্টার্লিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট। স্টারলিংক রেসিডেন্সের মাসিক খরচ ৬ হাজার টাকা, রেসিডেন্স লাইটের খরচ ৪ হাজার ২০০ টাকা। সেটাপ যন্ত্রপাতির জন্য ৪৭ হাজার টাকা এককালীন খরচ হবে। এখানে কোনো স্পীড ও ডাটা লিমিট নেই। ব্যক্তি ৩০০ এম্বিপিএস পর্যন্ত গতির আনলিমিটেড ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশের গ্রাহকরা আজ থেকেই অর্ডার করতে পারবেন।

ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ কীভাবে পাবেন

স্টারলিংক ইন্টারনেটের পুরো প্রক্রিয়ায় তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাউন্ড স্টেশন, স্যাটেলাইট ও রিসিভার অ্যান্টেনা। স্টারলিংক সংযোগের জন্য স্ট্যান্ডার্ড কিটে থাকে একটি স্যাটেলাইট ডিশ, ওয়াইফাই রাউটার, মাউন্টিং ট্রাইপড ও ক্যাবল। এটি সেটআপ করা অত্যন্ত সহজ। প্রয়োজনীয় সংযোগ দিয়ে স্যাটেলাইট ডিশটির ফাঁকা জায়গায় আকাশের দিকে মুখে করে স্থাপন করতে হবে।

তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কীভাবে স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন। বাংলাদেশে এখনো স্টারলিংকের গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়নি। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক পেতে হলে সরাসরি প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে ‘রেসিডেনশিয়াল’ ও ‘রোম’ নামের দুটি অপশন পাবেন।

রেসিডেনশিয়ালে ‘অর্ডার নাউ’ অপশনে গিয়ে নিজের স্থান নির্বাচন করতে হবে। তবে সরকার ‘রোম’, অর্থাৎ ভ্রাম্যমাণ সেবার অনুমোদন এখনো দেয়নি। এখানে প্রথমে আপনার ঠিকানা দিয়ে সেখানে এই সেবা পৌঁছাবে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।

এরপর চেকআউট অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও টাকা পরিশোধ করতে হবে। পরে ‘প্লেস অর্ডার’ ক্লিক করতে হবে। তারপর একটি সার্ভিস প্ল্যান বেছে নিয়ে হার্ডওয়্যার কিট কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে পুরো সেট গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাবে।

স্টারলিংকে ৩০ দিনের একটি ট্রায়াল অপশনও রয়েছে। পরবর্তিতে গ্রাহক সন্তুষ্ট না হলে পুরো টাকা রিফান্ড নিতে পারবেন। তবে বাংলাদেশে এই সুযোগ এখনই আসছে কি না তা জানতে আর একটু সময় লাগতে 


টেক তরঙ্গ

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ টেক তরঙ্গ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত